Propagation of the Sunni faith in Islam

সিজদায়ে তাযিমি VS কদম্বুচি :- (Masum Billah Sunny)

ইসলামে শরীয়তে তাযিম:-
যা যা পাবেন:-
১) সিজদাহ কত প্রকার?
২) তাযিমার্থে সম্মানিত ব্যক্তির হাতে পায়ে চুম্বন যায়েজ কিনা?

বিশ্লেষণ :-

১) কদম্বুচি (যথাপোযুক্ত সম্মানিত ব্যক্তির হাত পা চুম্বনের মাধ্যমে সম্মান দেখানো যায়েজ। সহিহ হাদিস থেকে প্রমানিত!
কেউ চাইলে দিতে পারব 50+ সহিহ হাদিস! সব সিহাহ সিত্তাহর হাদিস। বুখারী,আবু দাউদ,তিরমীজি,ইবনে আবী সাইবাতে
“””আল-আদব আল- মুফ্রাদ”” নামে একটা অধ্যায়ই আছে)

সিজদা ২ প্রকার!
১) সিজদায়ে ইবাদতী (একমাত্র আল্লাহর জন্য! এটা আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে করলে শিরিক মানে হল আল্লাহ মনে করে কাউকে সিজদাহ করলে শিরিক।
উদাহরন:- পাচ ওয়াক্ত সালাতের সিজদা এবং আল্লাহ কেন্দ্রিক সমস্ত সিজদাহ)

২) সিজদায়ে তাযিমি ( এটা মানুষের জন্য, আগে জাজেয় ছিল রাসুল (সা) এর পর থেকে তা হারাম হয়ে গেছে)
উদাহরন: আল-কোরআনে আছে:-
১) আল্লাহর হুকুমে ফেরেশতাদের আদমকে সিজদাহ
(সুরা বাকারা)
২) হযরত ইউসুফ (আ) কে তার পিতা-মাতাসহ ওনার ১১ ভাই (তাযিমি) সিজদা করেছিলেন (সুরা ইউনুস)

৩) হযরত মুসা (আ) এর কাছে থেকে আল্লাহ প্রদত্ত মুজেজাহ দেখে তার সামনে সমস্ত (বিধর্মী) জাদুকররা (তাযিমি) সিজদায় পরে ইমান এনেছিলেন।

যেমন নিচের আয়াত গুলো হল সিজদায়ে তাযিমির উদাহরন:-

কুরআনের ওই আয়াত দিয়ে সিজদায়ে তাযিমি ছিল প্রমান করে আর আল্লাহর হুকুমেই প্রত্যেকটা ঘটানা সংঘটিত হয়েছিল! দেখুন:-
Sura::ayah::

»»Bakarah::34

»«Araf : 11

«»Kahaf: 50

«»Towaha:116

«»Hijar: 29,30,31

«»Yosuf:100

«»Towaha:70

কিন্তু এর পরবর্তীতে এমন কোন হুকুমও আসে নি তাই কেউ করেনও নি যদি আসত তাহলে আদম(আ) কে করেছেন, ইউসুফ (আ) কে করেছেন, মুসা (আ) কে করেছেন কিন্তু রাসুল (সা) কে করেন নি কেন?এমন কোন আয়াতও নেই হাদিসও নেই।

৪) রাসুল (সা) আসার পর যেই মাত্র এই সিজদায়ে তাযিমিকে নিষেধ করে দিয়েছেন তখন থেকেই তা হারাম হয়ে গেছে (মানে কবিরাহ গুনাহ)

এই হাদিস টা দেখুন:-

(Shortly)…………The Sahaba asked: “O Prophet (Peace be upon him) we are more deserving of prostrating(Sizdah of tazim) to you than the animals. The Prophet (Peace be upon him) replied: It is not allowed for anyone,“IF IT WAS ALLOWED I WOULD HAVE ASKED WOMEN TO PROSTRATE(Sizdaye-Tazimi) TO THEIR HUSBANDS”!!!

Reference::::——–

«»Sunnan Darimi, Volume No. 1, Page No. 10,

«»Sahih Ibn Hibban 4/335,

«»Imam al-Mundhri narrated another variant of camel prostrating to Prophet and he declared the chain as “Jayyid (strong) having famous thiqa narrators” (3/35)

আবার আরেকটা হাদিস আছে:-

“আমি “”যদি”” সিজদার
নির্দেশ দিতাম (মানে দেই নি যদি দেই) তবে প্রত্যেক
স্ত্রীকে বলতাম তার
স্বামীকে সিজদা করতে।”

♦যদি করতাম মানে রাসুল(সা) করেন নি এর দারা প্রমান হয়েছে সিজদায়ে তাযিমি ছিল।
♦যদি আল্লাহ ব্যতীত মানুষকে করার হুকুম দিত এটা জায়েয হত
♦স্ত্রী স্বামীকে তাযিমি সিজদা সর্বপ্রথমে করত
♦যেহেতু হুকুম দেন নি সেহেতু জায়েযও হয় নি। আর এটা সহীহ হাদিস রাসুলের শরীয়ত যা অমান্য করার কোন উপায় নেই।এই হাদিস দিয়েই তো সিজদায়ে তাযিমি রহিত হয়ে গেছে হারাম হয়ে গেছে।

—হালালকে হারাম আর হারামকে হালাল মনে করা কুফরি (আল-হাদিস)

কিন্তু হাতে ও পায়ে চুম্বন জায়েযই নয় বরং সুন্নতী তরীকা:-

Hadth #………(Shortly)……..So, they kissed his hand and his feet, saying, “We bear testimony that you are a Prophet……….)

References:::—-

►Trimdhi chapter 18, Hadith 3155,), (Book of Adab) who declaredit hasan sahih

►Ahmed bin Hambel -18814

►Narrated by Ibn Abi Shayba (Book of Adab, Chapter entitled A Man Kissing Another Man’s Hand When He greets Him,

►al-Nasa’i, who declared it sahih.

►Ibn Maja (Book of Adab), who declared it sahih.

► al-Hakim who declared it sahih.

♦যদি কেউ সিজদাহ ২ প্রকার না মানে অর্থাৎ তাযিমি সিজদা আর ইবাদতী সিজদাহ যদি না মেনে শুধু বলে সিজদাহ এক প্রকার তাহলে নবীগনের উপর শিরিক ফতোয়া চলে যাবে। কিভাবে?
কারন তারা শুধু এটাই জানে সিজদা এক প্রকার তাই
আল-কুরআনে ঘোষিত নবীগনের ব্যপারে ঊক্ত সিজদাগুলোর কোন ব্যখ্যা না জেনে বলে আগে এটা যায়েজ ছিল (মানে দাড়ায় আগে আল্লাহ ফেরেশতাদের শিরিকের হুকুম দিয়েছিলেন আর তখনই ফেরেশতাগনের উপর,আদম(আ), ইউসুফ (আ), মুসা(আ) এর উপর শিরিকের অপবাদ চলে যাবে। কিন্তু আল্লাহ যেখানে আল-কুরআনে বলেদিয়েছেন একবার যে

১) সিজদাহ সমুহ একমাত্র আমার জন্য (আল-কুরআন)
২) আল্লাহ কাউকে নিজের ক্ষমতার উপর ক্ষমতাবান করেন না (আল-কুরআন)

তাই একটা জিনিসই প্রমান করে এতে যে আল্লাহ ব্যতীত সিজদা যেটা আল-কুরআনে রয়েছে সেটা ভিন্ন কোন সিজদা (নিশ্চয় তাযিমার্থে এটা আল্লাহর ইবাদতের জন্য না)। চতুর্দশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ মুজাদ্দিদ আলা হযরত(রহ)
আল-কুরআন থেকে ৪০টা আয়াত নিয়ে এই সিজদায়ে তাযিমিকে হারাম (কবিরা গুনাহ) প্রমান করেছেন এটা শিরিক নয়। তাই মাযারে যারা সিজদাহ করছে (২-৫%) সুন্নী তাদেরকে শিরিক ফতোয়া দেয়া বন্ধ করুন মাযার পুজারী বলা মানে নিজেই শিরিকের পাপ নিজের আমলনামায় লিখিয়ে নিলেন।

যারা ইসলামের নুন্যতম জ্ঞান জানেন তারা নিশ্চয় জানে যে হারাম (কবিরা গুনাহ) ও শিরিক এর মধ্যে আকাশ পাতাল ব্যবধান।

Allah knows the best

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s