Propagation of the Sunni faith in Islam

জুমার গুরুত্ব ও ফজিলত –

1) হযরত সালমান রাদিয়াল্লাহু আনহু
থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূল
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
বলেছেনঃ

“কোন ব্যক্তি যদি জুমুয়ার দিন গোসল
করে যতদূর সম্ভব পবিত্রতা অর্জন করে,
নিজের তেল থেকে তেল ও নিজের
ঘরের সুগন্ধী থেকে সুগন্ধী মাখে, অতঃপর
নামাযের জন্যো এমনভাবে বের হয় যে,
কোন দুই ব্যক্তির মধ্যে বিভেদ
সৃষ্টি করে না, অতঃপর যে নামায ফরজ
করা হয়েছে, তা পড়ে, অতঃপর ইমাম
যা বলেন, তা মনোযোগ দিয়ে শোনে,
তার ঐ জুমুয়া ও পরবর্তী জুমুয়ার
মধ্যবর্তী যাবতীয় গুনাহ মাফ
করা হবে” [বুখারী ও নাসায়ী

2) হযরত আওস ইবনে আওস রাদিয়াল্লাহু আনহু
থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূল
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
বলেছেনঃ
“তোমাদের দিনগুলোর মধ্যে শুক্রবার
শ্রেষ্ঠ দিন। এই দিন আল্লাহ
তায়ালা হযরত আদমকে সৃষ্টি করেন,
তাকে মৃত্যু দেন, ইসরাফীল আলাইহিস
সালাম এই দিন শিংগায় ফুঁ দেবেন
এবং এই দিন (শিংগার ধ্বনিতে) সকল
প্রাণী অচেতন হয়ে যাবে। অতএব, এই দিন
তোমরা আমার ওপর বেশি করে দরূদ পড়,
কেননা জুমুয়ার দিন আমার ওপর তোমাদের
দরূদ আমার কাছে পৌঁছানো হয়। উপস্থিত
লোকেরা বললোঃ মাটিতে আপনার
হাড়গোড় মিশে যাওয়ার পর
কীভাবে আপনার কাছে আমাদের দরূদ
পাঠানো হবে। রাসূল (সা:)
বললেনঃ আল্লাহ তায়ালা আমাদের
দেহ খাওয়াকে মাটির ওপর হারাম
করে দিয়েছেন। ” [আবু দাউদ, নাসায়ী,
ইবনে মাজাহ, ইবনে হাব্বান]

3) হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু
থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূল
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
বলেছেনঃ
“শুক্রবার দিন ও রাতের চব্বিশ ঘন্টায়
একটা ঘন্টা এমন রয়েছে, যখন ছয় লক্ষ
ব্যক্তিকে আল্লাহ তায়ালা দোযখ
থেকে মুক্তি দেন।”

4) হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু
থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূল
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
বলেছেনঃ
“যে ব্যক্তি জুমুয়ার দিন সূরা কাহফ
পড়বে তার দুই জুমুয়ার মধ্যবর্তী সমগ্র সময়
জুড়ে তার ওপর আল্লাহর জ্যোতি বর্ষিত
হতে থাকবে”। [নাসায়ী, বাইহাকী]

5) হযরত আবু উসামা রাদিয়াল্লাহু আনহু
থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ
“শুক্রবার গোসল গুনাহগুলোকে চুলের
গোড়া থেকে সমূলে উপড়ে ফেলে।” [
তাবরানী]

6) হজরত হাফসা(রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.)
বলেন,
» ‘প্রত্যেক (প্রাপ্তবয়স্ক
পুরুষ) মুসলমানের জন্য জুমার নামাজ আদায় করা
অপরিহার্য কর্তব্য।’ [সূনানে নাসায়ী]

7) রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন,
» ‘যে ব্যক্তি অবহেলা-
অলসতা করে তিন জুমার নামাজ
ছেড়ে দিল, আল্লাহ তার
অন্তরে মোহর মেরে দেবেন।’ _আবু দাউদ, নাসায়ী।

8) আরেক হাদিসে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন,
» ‘যে লোক কোনো ওজর এবং অনিষ্টের ভয় ছাড়া জুমার
নামাজে অংশগ্রহণ করে না, মোনাফেকের এমন
দফতরে তার নাম লিপিবদ্ধ করা হয়,
যা কখনো মোছা এবং রদবদল করা হয় না।’

9) তিরমিযী শরীফে আছে, হজরত
» ইবনে আব্বাস (রা.)-এর কাছে এমন এক ব্যক্তির
ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলো,
যে দিনভর রোজা রাখে এবং রাত ভর নামাজ
পড়ে কিন্তু জামাতে এবং জুমায়
শামিল হয় না_ তার হুকুম কি?
প্রত্যুত্তরে তিনি বললেন,এ অবস্থায়
তার মৃত্যু হলেসে জাহান্নামে যাবে।

10) হজরতআলী (রা.) বলেন,
»‘মসজিদের
প্রতিবেশীর নামাজ মসজিদ
ছাড়া আদায় হয় না।’
বলা হলোমসজিদের প্রতিবেশী কে?
তিনি বললেন ‘যে আজান শুনতে পায়।’
হাদিস অনুযায়ী জুমার নামাজ
আদায়করা যেমন ওয়াজিব তেমন
জামাতে নামাজ আদায়ে পবিত্র
কোরআনে তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

11) মহান আল্লাহপাক বলেন,
» ‘হাঁটু পর্যন্ত পা খোলার দিনের কথা স্মরণ কর, যেদিন
তাদের সেজদা করতে আহ্বান
জানানো হবে, তখন তারা সেজদা করতে পারবে না।
তাদের
দৃষ্টি অবনত থাকবে,তারা অপমান ও লাঞ্ছনাগ্রস্ত হবে।
অথচ তারা যখন সুস্থ অবস্থায় ছিল, তখন তাদের
সেজদা করার জন্য আহ্বান
জানানো হতো।’ _সূরা আল কলম-৪২,৪৩।

ফেইসবুকে আমি:
http://goo.gl/Stkd1o

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s