Propagation of the Sunni faith in Islam

রাসুল (সা) এর জন্মকালীন পবিত্র নিদর্শনসমুহই মীলাদুন্নবীর প্রমান :-

এইগুলো সব মীলাদুন্নবীর উত্তম নিদর্শন:-

১. মা আমেনা বলেন তার জন্মলগ্নের পরমুর্হূতেই এতটা নূর
প্রকাশিত হল যার আলোতে র্পুব ও পশ্চিম প্রান্তের সব কিছু
আলোকিত হয় । যার আলোতে সিরিয়ার শাহী মহল
মা আমেনা দেখতে পান ।
(বায়হাকি, ১ম থন্ড,পৃঃ৮০ , মুসনাদে আহমদ , ৪/১২৭পৃঃ)

২. ফাতিমা বিন সুলায়মান বর্ননা করেন যে, প্রিয় নবী (ﷺ) এর
বিলাদাতের সময় আমি দেখতে পেলাম যে, বায়তুল্লাহ নূরের
জ্যোতিতে জ্যোর্তিময় হয়ে উঠল এবং তারকারাজি জমীনের এত
নিকটর্বতী হয়ে এল যে , আমার ধারনা হতে লাগল এগুলো আমার
উপর এসে পড়বে,
(বায়হাকি, নেহায়াতুল আরব, ১/৭৬ পৃঃ)

৩. পারস্য সম্রাট কিসরার রাজ প্রসাদের ১৪টি গম্বুজ ভেঙ্গে পড়ে,
এবং পারস্যের অর্ণিবান শিখা যা এক হাজার বছর পর্যন্ত এক
মুহূর্তের জন্যও নিভেনি , রাসূলে করিম সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম – এর বিলাদাতের মুর্হুতে তা নিভে যায় ।
(বায়হাকি , ১২৬ পৃঃ)

৪. হযরত আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেন , রাসূলে খোদা সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম খতনা অবস্থায় দুনিয়ায় তাশরিফ আনেন ।
( নেহায়াতুল আরব ১/৭৭ পৃঃ)

৫.রাসূলে খোদা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুনিয়ায় আগমনের
সময় কোন প্রকার অপবিত্র বস্তু শরীরে ছিল না । পূতপবিত্র
অবস্থায় দুনিয়ায় এসেছেন ।
( নেহায়াতুল আরব ১/৭৬ পৃঃ)

৬.নূরে খোদা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মায়ের পেট থেকেই
নাভি কাটা অবস্থায় দুনিয়ায় এসেছেন
(সূরাবাদী ৪১৫ পৃঃ)

৭. হযরত সুফিয়া (রাঃ) বলেন , তিনি দুনিয়ায় আগমন করার পর
ছেলে না মেয়ে এটা দেথতে চাইলাম হঠাৎ একটি নূর ওনার নীচের অংশ
ঢেকে ফেলে , তাতে আমরা কেউ ওনার লজ্জা স্থান দেখতে পাইনি ।
তিনি আরও বলেন তখনও ভোর হয়নি হঠাৎ দেখি পুরো ঘর আলোকিত
হয়ে আছে,
বাহিরে এসে দেখি সমগ্র জাহান নূরনবী সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর নূরে আলোকিত হয়ে আছে ।
(বায়হাকি )

৮. হযরত খুরাইম বিন আউস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তাবুক থেকে ফেরার পর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট আমি গমন করলাম অতঃপর তাঁর নিকট ইসলাম গ্রহণ করলাম। তখন আমি হযরত আব্বাস বিন আব্দিল মুত্তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনলাম,

ইয়া রাসুলাল্লাহ, আমি আপনার প্রশংসা করতে চাই।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন,
বলুন। আল্লাহ যেন আপনার মুখকে দন্তহীন না করেন।
অর্থাৎ আল্লাহ আপনাকে সে তাওফিক দান করুন।
তখন আব্বাস বিন আব্দিল মুত্তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলতে শুরু করলেন,
ওয়া আনতা লাম্মা উলিদতা আশরাক্বাতিল আরদ্বু
ওয়া দ্বা–আত বিনূ—রিকাল উফুক্বু’।

গদ্যানুবাদঃ
(ইয়া রাসুলাল্লাহ)
আপনি যখন দুনিয়াতে তাশরিফ এনেছিলেন (জন্ম লাভ করলেন),
পৃথিবী তখন আলোকিত হয়ে উঠেছিল।
আর আপনার নূরের ঝলকে উদভাসিত হয়ে গিয়েছিল দিগন্ত।
আর আমরা সেই নুর আর সেই আলোয় সঠিক পথেই পথ চলছি।

উল্লেখ্য,
হাফিযুল হাদীস ইমাম ইবনু হাজার আসকালানী রাহিমাহুল্লাহ বলেন, এই হাদীসটি হাসান।

সুতরাং, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চাচাজান হযরত আব্বাস বিন আব্দিল মুত্তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু নবীজীর শানে না’ত পরিবেশনের মাধ্যমে মীলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন করলেন। সুবহান আল্লাহ।

[তথ্যসূত্রঃ আল বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ, খন্ডঃ৩, ইমাম ইবনু কাসির (রাহ); আল-আমালী, ইবনু হাজার আসকালানী (রাহ)]

Advertisements

3 responses

  1. Akash

    (y)

    Like

    03/01/2015; 10:00 পুর্বাহ্ন এ

  2. Akash

    সুবাহানাল্লাহ

    Like

    03/01/2015; 10:00 পুর্বাহ্ন এ

  3. শুভ

    ভাল

    Like

    03/01/2015; 10:01 পুর্বাহ্ন এ

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s