Propagation of the Sunni faith in Islam

Author Archive

ইসলামিক বিভিন্ন বিষয়ে পোস্ট :

শেয়ার করে অপরকে জানার সুযোগ করে দিন :

★★★ বিশেষ দ্রাষ্টব্য : সব link Copy না করে শুধু এই link ২ টা Copy করে রাখবেন কারন এতে update পোস্ট গুলো Miss করবেন না।একসাথে সব link শুধু এটাই :-

(পর্ব ১) All link Here ★ http://goo.gl/avDjcw

(পর্ব ২) All link here ★ http://goo.gl/BSNhnQ

★★★ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সম্পর্কে :

রাসুলুল্লাহ (দুরুদ) নুরে মুজাচ্ছাম-

http://goo.gl/cHOXA1

জাবির (রা) বর্নিত হাদিসে নুর (Hadith-E-Noor) কি জাল?

http://goo.gl/Myx0dg

অনুরুপ Lecture টি নিচে অন্য সাইট থেকে দিলাম কিন্তু এখানে ছবি বাদ দিয়ে প্রথম সৃষ্টি সম্পর্কে হাদিসটির Chain Transmission add করেছি :-

http://goo.gl/plWl53

রাসুলুল্লাহ (সা) বেমিসাল মাখলুক (সৃষ্টি)-

http://goo.gl/Nhcgbj

রাসুলুল্লাহ (দুরুদ) হায়াতুন্নবী :-

http://goo.gl/jwXZyM

শানে রিসালাত :-

http://goo.gl/lwoPd4

নবী আল-ওম্মী শব্দের সঠিক ব্যাখ্যা:-

http://goo.gl/FcJVqK

প্রিয় নবী (সা) এর মুজিযা ও শান:-

http://goo.gl/9GNwdo

রাসুলুল্লাহ (সা) এর জীবন ও ওফাত উভয়ই কল্যানকর :-

http://goo.gl/NWxFBF

রাসুলুল্লাহ (সা) এর প্রেম প্রত্যেক মুমীনের অন্তরের প্রশান্তি:-

http://goo.gl/Q0GKDQ

ইলমে গায়েব সম্পর্কে প্রশ্নোত্তর :-

http://goo.gl/uPUELP

রাসুলুল্লাহ (সা) এর ইলমে গায়েব (১ম পর্ব) :-

http://goo.gl/gsTBFg

রাসুলুল্লাহ (সা) এর ইলমে গায়েব (২য় পর্ব) :-

http://goo.gl/pZ1YLD

রাসুলুল্লাহ (সা) এর উসিলায় জগত সৃষ্টি :-

http://goo.gl/KEFuQZ

রাসুলুল্লাহ صلى الله عليه و آله وسلم এর পিতা-মাতা ইমানদার ছিলেন-

http://goo.gl/5u7kaC

‘ইয়া রাসুলাল্লাহ (সা) ‘ বলে সম্বোধন বিদাত নয় বরং সুন্নাহ :-

http://goo.gl/STZ88o

রাসুলুল্লাহ (সঃ) এর সঠিক জন্ম তারিখ কখন ?

http://goo.gl/Y1JUIn

Rasulollah (S) in Buddism and zeroastrainism:-

http://goo.gl/SPPtRS

বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থে রাসুলুল্লাহ (সা) :-

http://goo.gl/2Aqyme

★★★ আল্লাহ সম্পর্কে :-

আল্লাহ সুবহানুতা’য়ালা অত্যন্ত মহান:-

http://goo.gl/dC5EAg

বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থের আলোকে আল্লাহ সুবহানুতায়ালা :-

http://goo.gl/NwgFuq

বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থে আল্লাহ সুবহানুতায়ালা (পর্ব : ইসলাম) :-

http://goo.gl/EVoger

আল্লাহ সম্পর্কে আকিদা :

ইস্তেওয়া শব্দের সঠিক অর্থ এবং সালাফীদের অপপ্রচার (পর্ব-১-৩)

http://goo.gl/WuuBru

http://goo.gl/jJEAvP

http://goo.gl/5Eotmx

আল্লাহ সম্পর্কিত আকিদা : আল্লাহ তায়ালা স্থান ও দিক থেকে পবিত্র :-

http://goo.gl/Dv8hrt

আল্লাহর জিকির মনের প্রশান্তি :-

http://goo.gl/UFS0H0

আল্লাহর জিকির অসীম নেকির ভান্ডার :-

http://goo.gl/HO02OE

“”””””আ/অ”””””

অভিশপ্ত নজদ সম্পর্কে হাদিসে ভবিষ্যতবানী :-

http://goo.gl/Ty3TyS

আযানের সময় বৃধাঙ্গুলি চুম্বন :-

http://goo.gl/NE1P4L

আল-কুরআনের কতিপয় গানিতিক বিশ্লেষণ :-

http://goo.gl/3CdTpo

আল-কুরআন ও বিজ্ঞান:-

http://goo.gl/qVfzEq

অমুসলিমদের প্রতি ইসলামের উদারতা :-

http://goo.gl/ChLnPw

আবু হুরাইরা(রা.) কর্তৃক বর্ণিত হাদিসের সংখ্যা এত অধিক কেন!

http://goo.gl/Lpzcfx

অনেক কিছু আমরা কুসংস্কার বশত অশুভ ভেবে থাকি এগুলো ঠিক না:-

http://goo.gl/4aN1Zy

আল- কুরআনে বর্নিত ২৫ জন নবী এবং রসূল আলাইহিমুস সালাম গনদের নাম মুবারক :-

http://goo.gl/mi2Ewh

“””ক”””

কারবালার ক্রিমিনাল কুখ্যাত ইয়াজিদ ড. জাকির নায়েকের চোখে হিরো !!!

http://goo.gl/2aqwdm

কাফির ইয়াজিদ কি ন্যায়সঙ্গত উত্তরাধিকারী?

http://goo.gl/hyGvBy

কদম্বুচি করা শিরিক নয় বরং সুন্নাহ যা সহিহ সিত্তাহর “”আল আদব আল মুফ্রাদ”” অধ্যায়ে রয়েছে :-

http://goo.gl/onPXKs

কালিমা তাইয়্যেবা তে রিসালাতের ঘোষনা কি সহিহ হাদিসে নেই (ওহাবীদের অপপ্রচারের জবাব)?

http://goo.gl/NH0BLj

কিয়ামতের আলামত

http://goo.gl/dwYdGe

“”””শ””””

শবে বরাত সম্পর্কে :

হাদিসের আলোকে শবে বরাতের প্রমান (পর্ব ১-৪) :-

http://goo.gl/DwLZAu

http://goo.gl/gTyzB8

http://goo.gl/Ocb5xD

http://goo.gl/sH4mH9

শাবানের ১৫ তম রাত্রি বা শবে বরাতের নামকরন ও তার অস্তিত্ব প্রমান (পর্ব ১) :-

http://goo.gl/8fz0iL

শবে বরাতের ফজিলত ও উক্ত রাতে করনীয় আমল সমুহ (পর্ব ২) :-

http://goo.gl/GMiPbQ

বিশ্ব-বিখ্যাত ইমামগণের মতে শবে বারাত বা লাইলাতুল বারা’ত :-

http://goo.gl/DY20WM

শবে বরাতের ফজীলত সম্পর্কিত হাদিস যারা যারা বর্ননা করেছেন :

http://goo.gl/SRHPya

বিশ্ব-বিখ্যাত মুফাসসিরগনের তফসীর থেকে শবে বরাতের প্রমান
(পর্ব ১-২) :

http://goo.gl/nHJK2R

http://goo.gl/h6H1CK

শানে আহলে বাইয়াত :-

http://goo.gl/bILYjR

শাফায়েত যারা যারা করবেন (কুরআন ও হাদিসের আলোকে) :-

http://goo.gl/JSBAS6

শানে হযরত আলী রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু:-

http://goo.gl/Zo74vZ

শানে আউলিয়া:-

বড়পীরে শানে গাউসুল আজম ব্যবহার করলে কি শিরিক হবে?গাউসুল আজম অর্থ কি?

http://goo.gl/kpnR8h

চার তরিকার ইমামগন সবাই আওলাদে রাসুল (সা) ছিলেন :-
http://goo.gl/ODSWhj

★★★ সালাত :-

মহিলাদের মসজিদে গমন ও জামায়াতে নামায আদায় করা যাবে কিনা?

http://goo.gl/Zkhj5L

কাবলাল জুমাহ ৪ রাকাত বিদাত নয় :-

http://goo.gl/Ivd5sK

পুরুষরা নামাজে হাত বুকের উপর বাঁধবে না :-

http://goo.gl/ORDQx9

নামাজে রাফউল ইয়াদাইন (তাকবীরে বার বার হাত উত্তোলন) উচিৎ কিনা?

http://goo.gl/zsBnT7

“””””প / ফ “””‘”

পুরুষদের টাকনোর নিচে কাপড় পরিধানের শাস্তি :-

http://goo.gl/z62NTf

(কামেল) পীর-আউলিয়ার কাছে বাইয়াতের বিধান :-

http://goo.gl/gCjHWZ

“””” ম “”””

মাযার সম্পর্কিত বিতর্কের চিরনিরসন :-

http://goo.gl/wYhN2T

মিলাদুন্নবী (সা) :-

মিলাদুন্নবী صلى الله عليه و آله وسلم কুরআন ও হাদিসের আলোকে-

http://goo.gl/gnGt39

মিলাদুন্নবী (সা) ইমামগন, মুহাদ্দিসিন, মুফাসসিরিন ও মুজাদ্দিদিন গনের দৃষ্টিতে:-

http://goo.gl/vPka7y

Eid-Miladunnabi صلى الله عليه و آله وسلم Chelebration over 50 country

http://goo.gl/6hScmz

মাযহাব :-

প্রশ্নোত্তরে মাযহাবের তাক্বলিদ (পর্ব ১)

http://goo.gl/LeK1AT

প্রশ্নোত্তরে মাযহাবের তাক্বলিদ (পর্ব ২)

http://goo.gl/Kuf2JE

প্রশ্নোত্তরে হানাফী মাযহাব:-

http://goo.gl/q2cYgB

মাযহাবের তাকলিদ বা অনুসরন :-

http://goo.gl/dFHA7T

“”ই/ ঈ “””

ইসলামের পবিত্র স্থান, জান্নাতুল বাকি ও অন্যান্য মাযারগুলো কারা ধ্বংশ করল?

http://goo.gl/LaI2jI

ইসলাম ও বিজ্ঞান :-

http://goo.gl/P62bes

ইমামে আকবর ইমাম হোসাইন (রা) এর স্মরনে :-

http://goo.gl/XuVa4j

ইমামে আজম আবু হানিফা (রহ) এর শানে বাতিলের অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব:-

http://goo.gl/mGryof

ইসলামে নেকীর ভান্ডার :-

http://goo.gl/6Ktp2T

ইমামের পিছনে মুকতাদী সূরা ফাতিহা পড়বে না :-

http://goo.gl/NJ4Ina

ইয়াজিদ, যিয়াদ ও কারবালা যুদ্ধের হিংস্র নরপশুদের করুন পরিনতি :-

http://goo.gl/7xlvEa

”””ড / ঢ “””

ড. জাকির নায়েকের কুফরি আকিদা সমুহ :-

http://goo.gl/mdcnqi

“””””ত / থ””””

তাকওয়া :-

http://goo.gl/qDCLho

“”””দ/ ধ “”””

দোয়া ও ইস্তিগফার :-

http://goo.gl/kqXJCT

“””ব / ভ “””

“বিসমিল্লাহ হির রাহমানির রাহিম” আরবিতে লিখলে ১৯ সংখ্যা হয় আর এর গানিতিক বিশ্লেষণ :-

http://goo.gl/VA1XjX

বুখারী ও মুসলিম ব্যতীত আর কোন সহীহ হাদিসের কিতাব আছে কি?

http://goo.gl/JvORa0

বাতিলদের ভ্রান্ত আকিদা :-

★★★ জামাতে ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা মওদুদীর ভ্রান্ত আকিদা:-

http://goo.gl/vm30Ai

“”””জ / য “”””

জুম’আর ফযীলত :-

http://goo.gl/BqTREq

“”””হ “”””

হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম এর পিতার আযর ছিলো না, উনার পিতা ছিলো তারাহ বা তারিখ আলাইহিস সালাম :-

http://goo.gl/cjRrb3

হযরত মনসুর হাল্লাজ মারফরের এক মুল্যবান খনি :-

http://goo.gl/FHk6fG

হাত তুলে দোয়া করা বিদাত নয় বরং সুন্নাহ:-

http://goo.gl/2mh0bH

Advertisements

জাবির (রা) বর্নিত নুর সম্পর্কিত হাদিসটি কি জাল?

“বিসমিল্লাহ হির রাহমানির রাহিম”

Hadith E Noor of Jabir Bin Abdullah (Ra)
Is It Muwdu Hadith?

By (Masum Billah Sunny)

আজ কাল ওহাবী সালাফীরা সহিহ হাদিসকে জাল বানানোর খেলায় মেতেছে।
আসুন এই হাদিসটি জাল নাকি সহিহ বিশ্লেষন করে দেখি । যা যা নিচে আলোচিত হয়েছে :-

(i) জাবের (রা) ও ওমর (রা) এর বর্নিত এই হাদিসে নুরই সৃষ্টি তত্বের ব্যখ্যা দিতে পারে অন্য কোন হাদিস প্রথম সৃষ্টির ব্যখ্যা Clear করতে পারে না।

(ii) এই হাদিসখানা মুসান্নাফ কিতাবে আছে বা ছিল এই ২টার প্রমান ছবিসহ। যারা বর্ননা করেছেন তাদের সনদসহ Biography সহ তাদের শিক্ষক ও ছাত্রদের নাম সহ বর্ননা করা হল।

(iii) এই হাদিসকে কয়েকজন ওহাবী নেতা ছাড়া কেউ জাল বলেনি তার প্রমান।

(iv) ওহাবীদের সহিহ হাদিসকে জাল প্রমান করার চেষ্টা এবং সর্বপ্রথম সৃষ্টি কলম নয় রাসুলুল্লাহ (সা) আর ওনার নুর থেকে বাকি সব সৃষ্টি।

তারা এই হাদিসটিকে মনগরা ইচ্ছামত বর্ননা করে থাকে যেটা পরলেই যেন বুঝা যায় যে এটা জাল হাদিস কিন্তু আসল হাদিস তারা জেনে শুনে গোপন করে।
হাদিসটি নিম্নরোপ :-

حضرت جابر بن عبد اﷲ رضی اﷲ عنہما سے مروی ہے فرمایا کہ میں نے بارگاہِ رسالت مآب صلی اللہ علیہ وآلہ وسلم میں عرض کیا : یا رسول اﷲ! میرے ماں باپ آپ پر قربان! مجھے بتائیں کہ اﷲ تعالیٰ نے سب سے پہلے کس چیز کو پیدا کیا؟ حضور نبی اکرم صلی اللہ علیہ وآلہ وسلم نے فرمایا : اے جابر! بے شک اﷲ تعالیٰ نے تمام مخلوق (کو پیدا کرنے) سے پہلے تیرے نبی کا نور اپنے نور (کے فیض ) سے پیدا فرمایا، یہ نور اللہ تعالیٰ کی مشیت سے جہاں اس نے چاہا سیر کرتا رہا۔ اس وقت نہ لوح تھی نہ قلم، نہ جنت تھی نہ دوزخ، نہ (کوئی) فرشتہ تھا نہ آسمان تھا نہ زمین، نہ سورج تھا نہ چاند، نہ جن تھے اور نہ انسان، جب اﷲ تعالیٰ نے ارادہ فرمایا کہ مخلوق کو پیدا کرے تو اس نے اس نور کو چار حصوں میں تقسیم کر دیا۔ پہلے حصہ سے قلم بنایا، دوسرے حصہ سے لوح اور تیسرے حصہ سے عرش بنایا۔ پھر چوتھے حصہ کو (مزید) چار حصوں میں تقسیم کیا تو پہلے حصہ سے عرش اٹھانے والے فرشتے بنائے اور دوسرے حصہ سے کرسی اور تیسرے حصہ سے باقی فرشتے پیدا کئے۔ پھر چوتھے حصہ کو مزید چار حصوں میں تقسیم کیا تو پہلے حصہ سے آسمان بنائے، دوسرے حصہ سے زمین اور تیسرے حصہ سے جنت اور دوزخ بنائی۔ ۔ ۔ یہ طویل حدیث ہے۔

অর্থ : হযরত জাবির (রা:) আরজ করলেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ صلى الله عليه و آله وسلم !!
আমার পিতা-মাতা আপনার কদম মোবারক এ কোরবানি হোক,
আপনি বলে দিন যে আল্লাহ্‌ পাক সর্ব প্রথম কি সৃষ্টি করেছেন?
রাসুলুল্লাহ صلى الله عليه و آله وسلم বললেন”

হে জাবের, নিশ্চই আল্লাহ্‌ তা’য়ালা সর্ব প্রথম স্বীয় (নিজ) নূর হতে তোমার নবীর নূর মোবারক সৃষ্টি করেছেন !!”

তারপর সেই নূর আল্লাহর কুদরতে ও ইচ্ছায় ভ্রমণ রত ছিল। কেননা ঐ সময়
লাওহ-কলম , জান্নাত – জাহান্নাম
ফেরেশতা , আসমান- জমিন কিছুই ছিল না ।
তারপর আল্লাহ্‌ মাখলক সৃষ্টি করার ইচ্ছা করলেন..
তখন এই নূর কে ৪ ভাগ করলেন..
প্রথম ভাগ দিয়ে কলম;
দ্বিতীয় ভাগ দিয়ে লৌহে-মাহফুজ;
তৃতীয় ভাগ দিয়ে আরশ এবং চতুর্থ ভাগ দিয়ে
বাকি সবকিছু সৃষ্টি করলেন….।

Translation : It is narrated by Imam Abdur Razaq from Mua’mar, from Ibn al-Mankadr, from Jabir ibn `Abd Allah said to the Prophet (Peace Be Upon Him) : “O Messenger of Allah (Peace Be Upon Him), may my father and mother be sacrificed for you, tell me of the first thing Allah created before all things.” He (Peace Be Upon Him) said: “O Jabir, the first thing Allah created was the light of your Prophet from His light, and that light remained (lit. “turned”) in the midst of His Power for as long as He wished, and there was not, at that time, a Tablet or a Pen or a Paradise or a Fire or an angel or a heaven or an earth. And when Allah wished to create creation, he divided that Light into four parts and from the first made the Pen, from the second the Tablet, from the third the Throne, [and from the fourth everything else]…….”

Chain of this hadtih :
হাদীসের সনদটি নিম্নরূপ :

হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

জাবির বিন আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু

মুহাম্মাদ বিন মুনকাদার রাহমাতুল্লাহি আলাইহি

মা’মার বিন রাশীদ রহমাতুল্লাহি আলাইহি

আব্দুর রাজ্জাক ইবনে হুমাম রাহমাতুল্লাহি আলাইহি।

Note : হযরত জাবের (রা) থেকে উক্ত হাদিসের সনদখানা ইমাম বুখারীর দাতা এবং শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক ইবনে হুমাম (রহ) ওনার “জান্নাতুল খুলদ” কিতাবে লিপিবদ্ধ করেছেন। উক্ত হাদিস খানা শাব্দিক পরিবর্তন সহ “”উমর ইবনুল খাত্তাব (রা) ” থেকেও বর্নিত আছে। নিচে সেটাও ছবি আকারে দেয়া হয়েছে।

উপরোক্ত হাদিসটি অসংখ্য কিতাবে দলিল হিসেবে বর্নিত হয়েছে :
References
►Musannaf Abdur Razaq, al-Juz al-Mafqud min al-Juz al-Awwal min al-Musannaf Abdur Razaq, Page No. 99, Hadith Number 18

►Qastalani in Mawahib ul Laduniyah Volume 001, Page No. 71,
►Zurqani in Sharah Mawahib ul Laduniyah Volume 001, Page No. 89-91,

►Ajluni in Kashf al-Khafa (وقال : رواه عبد الرزاق بسنده عن جابر بن عبد اﷲ رضي اﷲ عنهما) Volume 001, Page No. 311, Hadith Number 827,
Imam ‘Ajluni nain farmaya:
“Yeh Abdur Razzaq ki rawyat hay jisy unhoun nain apni Sanad say rawayat kiya hay.”

ইমাম আজলুনী (রহ) বলেন, ” এ ইমাম আব্দুর রাজ্জাক (রহ) এর রেওয়াত যিনি নিজ সনদে তা বর্ননা করেছেন ”

►Halabi in his Sirah Volume 001, Page No. 50,

►Ashraf Ali Thanvi in Nashar ut-Tib Volume 001, Page No. 13

From : ‘Iydarusi
Book : Tarekh An Nur as Saafir
Volume : 1
Page : 8

Imam ‘Iydarusi nain farmaya:
“Yeh Abdur Razzaq ki rawyat hay jisy unhoun nain apni Sanad say rawayat kiya hay.”

ইমাম ইয়দারুসি (রহ) বলেন,” এ ইমাম আব্দুর রাজ্জাক (রহ) এর রেওয়াত যিনি স্বয়ং নিজ সনদে বর্ননা করেছেন ”

From : Muhaddith ‘Abdur Haq Dihlavi
Book : Madarij al-Nubuwwa

He declared this Hadeeth Sound and Authentic

মুহাদ্দিসে আব্দুল হক দেহলভী (রহ) বলেন, ” এই হাদিস বিশুদ্ধ এবং সহিহ ”

[Madarij al Nabuwah, Volume No.2, Page No. 2 (Persian edition), Volume No.2, Page # 13 (Urdu Edition), Published by Shabbir Brothers, Urdu, Bazaar Lahore.]

From : Ahmad al-Shami Son of Ibn e `Abidin
Book : commentary on Ibn Hajar al-Haytami’s poem al-Ni`mat al-kubra `ala al-`alamin

From : Nabhani
Book : Jawahir Al Bihar
Volume : 3
Page : 354

এই হাদিসটি আরো বিভিন্ন কিতাবে বর্নিত আছে:-

♦দালায়েলুন নবুওয়াত ১৩/৬৩
♦যুরকানী ১/৪৬
♦রুহুল মায়ানী ১৭/১০৫
♦মাতালেউল মাসাররাত ২৬৫ পৃ
♦ফতোয়ায়ে হাদীসিয়া ১৮৯ পৃ
♦আন-নিআমাতুল কুবরা ২ পৃ
♦হাদ্বীকায়ে নদীয়া ২/৩৭৫
♦দাইলামী শরীফ ২/১৯১
♦মাকতুবাত শরীফ ৩ খন্ড ১০০ নং
♦মওজুয়াতুল কবীর ৮৩ পৃ
♦ইনছানুল উয়ুন ১/২৯
♦নূরে মুহম্মদী ৪৭ পৃ
♦আল আনোয়ার ফি মাওলিদিন নবী ৫ পৃ
♦আফদ্বালুল ক্বোরা
♦তারীখুল খমীস ১/২০
♦নুজহাতুল মাজালিস ১ খন্ড
♦দুররুল মুনাজ্জাম ৩২ পৃ
♦কাশফুল খফা ১/৩১১
♦তারিখ আননূর ১/৮
♦আনোয়ারে মুহম্মদীয়া ১/৭৮
♦আল মাওয়ারিদে রাবী ফী মাওলীদিন নবী ৪০ পৃষ্ঠা ।
♦তাওয়ারীখে মুহম্মদ
♦আনফাসে রহীমিয়া
♦মা’ য়ারিফে মুহম্মদী
♦মজমুয়ায়ে ফতোয়া ২/২৬০
♦আপকা মাসায়েল আওর উনকা হাল ৩/৮৩
♦শিহাবুছ ছাকিব ৫০
♦মুনছিবে ইছমত ১৬ পৃ
♦রেসালায়ে নূর ২ পৃ
♦হাদীয়াতুল মাহদী ৫৬পৃ
♦দেওবন্দী আজিজুল হক অনুবাদ কৃত বুখারী শরীফ ৫/৩

****************************

The Proof of existing this Hadith in Musannaf :-
মুসান্নাফ কিতাবে এই হাদিস আছে এবং ছিল তার প্রমান :-

★★★ হাদিসের মান ও নির্ভরযোগ্যতা যাচাই:-

★ ★ ইমাম বায়হাকী [Born : 384 AH/994 CE
Died : 458 AH/1066 CE]

তিনি উক্ত বিশুদ্ধ হাদীস শরীফ খানা নিজ কিতাবে সহীহ বলে উল্লেখ করেছেন বিখ্যাত মুহাদ্দিস আল্লামা বায়হাক্বী রহমাতুল্লাহি আলাইহি। ইমাম বায়হাক্কী রহমাতুল্লাহি আলাইহি সম্পর্কে বলা হয় – ” ইমাম বায়হাক্কী রহমাতুল্লাহি আলাইহি ছিলেন স্বীয় যুগের হাদীস শরীফ এবং ফিক্বাহ শাস্ত্রের অপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্যক্তিত্ব। উম্মত যাদের মাধ্যমে খুব উপকৃত হয়েছে এবং হাফিজে হাদীস এমন সাত ব্যক্তি ছিলেন তাদের যাদের গ্রন্থ সবচাইতে উৎকৃষ্ট বলে স্বীকৃত। সেই সাত জনের একজন হলেন, ইমাম বায়হাক্বী রহমাতুল্লাহি আলাইহি ।”

দলীল-
√ আসমাউর রেজাল-বাবু আইম্মাতুল হাদীস।

★ এই জগৎবিখ্যত মুহাদ্দিস ইমাম, আল্লামা বায়হাক্বী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার কিতাবে বর্ননা করেন–

ان الله تعالي خلق قبل الاشياء نور نبيك

“….. নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক সর্ব প্রথম উনার নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার “নূর” মুবারক সৃষ্টি করেন।”

দলীল-
√ দালায়েলুন নবুওয়াত লিল বায়হাক্বী ১৩ তম খন্ড ৬৩ পৃষ্ঠা।

উক্ত হাদিস সম্পর্কে সমর্থনকারী Islamic Scholars দের বিবৃতি দ্বারা উপরোক্ত সনদ এবং হাদিসের মান নির্নয় করি :-

★ শাইখ আব্দুল কাদির জিলানী (রহ) [পিরে পিরানী,মিরে মিরানী, গাউসে সামাদানী, মাহবুবে সুবহানী, গাউসুল আযম দস্তগীর (রহ), ওফাত ৫৬১ হিজরি]

তিনি তার বিখ্যাত [Sirr al-asrar fi ma yahtaju ilayh al-abrar (p. 12-14 of the Lahore edition)] কিতাবে বলেন, আমি (রাসুল) আল্লাহর (নুর) থেকে সৃষ্টি আর আমার (নুর) থেকে সমস্ত বিশ্বাসীগন (ও সমস্ত কিছু) সৃষ্টি।
তিনি আরো বলেন, রাসুল (সা) এর নুর থেকে আল্লাহর আরশ সৃষ্টি এবং এমন আরো কিছু (যা হাদিসে প্রথম) সৃষ্টি যেমন কলম, বুদ্ধিমত্তা [The Secret of Secrets (Cambridge: Islamic Texts Society, 1994)]

★ ইবনে আল-হাজ্ব আল-আবদারী ( ইমাম মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ, ওফাত ৭৩৬ হি) তিনি তার [ al-Madkhal (2:34 of the Dar al-kitab al-`arabi in Beirut)] কিতাবে বর্ননা করেছেন [al-Khatib Abu al-Rabi` Muhammad ibn al-Layth’s book Shifa’ al-sudur] কিতাব থেকে যেখানে বলা হয়েছে : ” সর্বপ্রথম আল্লাহ রাসুলুল্লাহ (সা) এর নুর মুবারক সৃষ্টি করেছেন এবং উক্ত নুর এসে আল্লাহর সামনে সিজদায় রত ছিল। আল্লাহ পাক একে ৪ ভাগ করলেন ১ম ভাগ দিয়ে আরশ, ২য় ভাগ দিয়ে কলম & from the third the Tablet এবং অত:পর সেই ৪ ভাগকে পুনরায় ভাগ (Subdivision) করলেন আর তা দিয়ে বাকি সমস্তকিছু সৃষ্টি করলেন।

★ইমাম আব্দুল করিম যিলি (জন্ম ৭৬৬ হি.) ওনার [Namus al-a`zam wa al-qamus al-aqdam fi ma`rifat qadar al-bani] কিতাবে দলিলস্বরুপ (evidence হিসেবে) বর্ননা করেছেন।

★ ইমাম নাবহানী (ইউসুফ বিন ইসমাইল) একে দলিলস্বরুপ (evidence হিসেবে) বর্ননা করেন,
তার [al-Anwar al-muhammadiyya (p. 13)] ও তার [Jawahir al-bihar (p. 1125 or 4:220 of the Baba edition in Cairo)] এবং তার [Hujjat Allah `ala al-`alamin (p. 28)]

★ ইমাম নিশাবুরি (নিজামউদ্দিন ইবনে হাসান, ওফাত ৭২৮ হি:) দলিলস্বরুপ (evidence হিসেবে) গ্রহন করেছেন, ”
[সুরা জুমার (৩৯.১২) ‘ আমাকে আরো নির্দেশ দেয়া হয়েছে যেন আমি প্রথম মুসলিম হই।’] এই আয়াতের তফসীরে [Ghara’ib al-Qur’an (8:66 of the Baba edition in Cairo).]

★ ইমাম ইউসুফ আল-সাইয়্যিদ হাসিম (রিফাই) বলেন যে এটা ইমাম আব্দুর রাজ্জাক (রহ) বর্ননা করেছেন এবং এটা দলিল স্বরুপ।
Adillat ahl al-sunna wa al-jama`a al-musamma al-radd al-muhkam al-mani` (p. 22)

★ মুহাদ্দীস আব্দুল হক দেহলভী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি হাদিসটিকে হাসান ও সহীহ বলেছেন।
From : Muhaddith ‘Abdur Haq Dihlavi
Book : Madarij al-Nubuwwa

★ ইমাম কুস্তালানী (রহ) (আহম্মদ ইবনে মুহাম্মদ, ওফাত ৯২৩ হি) বলেন, ” এ ইমাম আব্দুর রাজ্জাক (রহ) এর রেওয়াত যিনি নিজ সনদে হযরত জাবির (রা) থেকে বর্ননা করেছেন ”
From : Qustalani
Book : Mawahib Al Laduniyah
Volume : 1
Page : 71

★ ইমাম কুস্তালানী তিনি তার বিখ্যাত [al-Mawahib al-laduniyya (1:55 of the edition accompanied by Zarqani’s commentary)] কিতাবে দলিল হিসেবে বর্ননা করেছেন।

★ ইমাম যুরকানি (রহ) তার (শরহে মাওয়াহিব 1:56 of the Matba`a al-`amira edition in Cairo) কিতাবে এই হাদিসটি বর্ননা করেছেন এবং এটা ইমাম আব্দুর রাজ্জাক (রহ) এর থেকে বর্ননা বলে তার বিখ্যাত ” মুসান্নাফ ” কিতাবে রয়েছে বলে উল্ল্যেখ করেছেন।

★★★ ★ইমাম সুয়ুতী (রহ) এর শত শত ফতোয়া যেখানে ওহাবীরা ছেড়ে দেয় সেখানে ওনার ১টা উক্তিকে নিয়ে ওহাবীরা আদা-জল খেয়ে লেগেছে :-

★ ★★ ইযলুনি (১২ শতাব্দীতে) তার ইমাম আব্দুর রাজ্জাক (রহ) “[Kashf ul Khafa” vol 1 p 311], and in [“Arba’in” n°19], এবং তিনি শেষে ১টা বইয়ে বলেন যে তিনি এর “”ইসনদ”” পাননি এবং তিনি একে ইমাম কুস্তালানী (রহ) এর (সমর্থন অনুযায়ী) অনুসরন করেছেন।

★★ ইমাম সুয়ুতী (রহ) তাখরিজ হাদিস (শরহে মাওয়াকিফ) এ বলেন, আমি এই শব্দটুকু খুজে পাইনি।

★ আল-ঘুমারি (ওহাবী নেতা) বলেন, ইমাম সুয়ুতী (রহ) তার “”খাসাইস”” কিতাবে এই হাদিসটি তারপরও ইমাম আব্দুর রাজ্জাক (রহ) এর থেকে বর্ননা বলে (সমর্থন দিয়ে) লিখেছেন।

★ উল্লেখ্য যে,
**“আল্লামা সুয়ুতী (রহ:) এর [জন্ম ৮৪৯ হিজরী আর ওফাত ৯১১ হিজরী]
** অপর দিকে আল্লামা মুহাম্মদ ইবনে আহমদ কুস্তালানি রহঃ এর [জন্ম ৮৫১ হিজরী আর ওফাত ৯২৩ হিজরী] ।

★ মাত্র ২ বছরের ব্যবধানে ইমাম কুস্তালানী (রহ) সম্পর্কে ওহাবীরা বলে ইমাম সুয়ুতী নাকি ইমাম কুস্তালানীর অনেক আগের তাই সুয়ুতী (রহ) না করেছেন তাকেই মানব। তাহলে আমার উত্তর ৩ টা :-

১) ইমাম কুস্তালানী (রহ) ইমাম সুয়ুতী ২ বছরের ছোট তিনি ইমাম সুয়ুতীর যামানার জগতবিখ্যাত মুহাদ্দিস, কোন দিক থেকে ইমাম সুয়ুতী (রহ) যেমন কম না ইমাম কুস্তালানী (রহ)ও কম নয়। তিনি স্বয়ং একে আব্দুর রাজ্জাক (রহ) এর বর্ননা বলে দলিল হিসেবে গ্রহন করেছেন আর ইমাম সুয়ুতী একে খুজে পান নি বলেছেন তাই এখানে অন্য কোন খুরা অজুহাত দেখানোর সুযোগ নেই।

২) ইমাম সুয়ুতী খুজে পান নি এর মানে এই নয় তিনি রাসুলুল্লাহ (সা) এর নুরের প্রতি তার আকিদা ছিল না তিনি নিজে সেই হাদিসকে খুজে না পাওয়ার পরও তার বিখ্যাত “”খাসাইসুল কুবরা”” কিতাবে আব্দুর রাজ্জাক (রহ) এর বর্ননা বলে ধরে নিয়েছেন তাছাড়া তিনি আরো অনেক নুর সম্পর্কিত হাদিস বর্ননা করেছেন যার কিছু এই পোস্টেও দেয়া হয়েছে।

৩) তাদের কথামত যদি সব কথা বাদও দেই তাহলে বলুন যদি এই হাদিস নাই থাকত তাহলে ইমাম বায়হাকী (রহ)
Born : 384 AH/994 CE
Died: 458 AH/1066 CE
বর্তমানে [১৪৩৬ হিজরি] তাহলে এই জগতবিখ্যাত মুহাদ্দিস আজ থেকে প্রায় ১০০০ বছর আগে এই হাদিসকে দলিলস্বরুপ তার “”দালাইলুন-নবুওয়াত”” কিতাবে আব্দুর রাজ্জাক (রহ) এর সনদ হিসেবে কিভাবে লিখে গেল? যার “সুনানে বায়হাকী” সহিহ হাদিসের কিতাবগুলোর মধ্যে অন্যতম।

★ Diyarbakri (Husayn ibn Muhammad d. 966): He begins his 1,000-page history entitled Tarikh al-khamis fi ahwal anfasi nafis with the words: “Praise be to Allah Who created the Light of His Prophet before everything else,” which is enough to disprove al-Ghumari’s exaggerated claim that “anyone who reads it will be convinced that the hadith is a lie.” Then Diyarbakri cites the hadith as evidence (1:19 of the Mu’assasat Sha`ban edition in Beirut).

★ ইমাম ইবনে হাজর হায়তামী [ওফাত ৯৭৪ হি] :

তিনি তার বিখ্যাত ফতোয়ার কিতাব [Fatawa hadithiyya (p. 247 of the Baba edition in Cairo)] তে বলেছেন যে এই হাদিসটি ইমাম আব্দুর রাজ্জাক (রহ) বর্ননা করেছেন এবং তিনি তার রচিত কবিতায় মধ্যেও এটা বলেছেন।
ইবনে হাজর হায়তামী তার বিখ্যাত গ্রন্থ [Al-Ni`mat al-kubra `ala al-`alamin (p. 3)]

★ মোল্লা আলি কারী (রহ) [ওফাত 1014 হিজরি]
তিনি বলেন,

ومنه قوله اول ما خلق اللّه نورى وفى رواية روحى ومعناهما واحد فان الارواح نورانية اى اول ما خلق اللّه من الارواح روحى

প্রথম বস্তু যা আল্লাহ পাক সৃষ্টি করেছেন তা হল আমার নুর এবং অন্য বর্ননায় এসেছে যে “রুহ” এবং এই দুইটার অর্থ একই কারন “রুহ” হল নুরানী। এই হাদিসের অর্থ এটাও যে আল্লাহ সমস্ত “রুহের” সৃষ্টির পুর্বে আমার “রুহ” পাক সৃষ্টি করেছিলেন। [Mirqaat alMafateeh]

★ আলি ইবনে বুরহান উদ্দিন হালাবী [ওফাত, ১০৪৪ হিজরি] তিনি বিখ্যাত [As- Sirah Al-Halabi (1:31 of the Maktaba Islamiyya edition in Beirut)] কিতাবে দলিল হিসেবে বর্ননা করে বলেন, এই হাদিস টি এটাই প্রমান করে যে সমস্ত সৃষ্টির মুল হল রাসুলুল্লাহ (সা) কে সৃষ্টি এবং আল্লাহ ভাল জানেন।”

★ Fasi (Muhammad ibn Ahmad d. 1052) cites it as evidence in Matali` al-masarrat (p. 210, 221 of the Matba`a al-taziyya edition) and says: “These narrations indicate his primacy (awwaliyya) and priority over all other creations, and also the fact that he is their cause (sabab).”

★ ইসলাইল হাক্কী [বিখ্যাত মুফাসসির, ওফাত ১১৩৭] তিনি তার বিখ্যাত তফসীর “”রুহুল বয়ান”” বলেন, আল্লাহ পাক সর্ব প্রথম রাসুলুল্লাহ (সা) এর নুর মুবারক সৃষ্টি করেছেন এবং ওনার (অস্তিত্বের) কারনেই সমস্ত কিছুর (অস্তিত্ব) সৃষ্টি। ইমাম ইউসুফ নাবহানী (রহ) তার [Jawahir al-bihar (p. 1125)] কিতাবে এই হাদিসটি দলিল স্বরুপ বর্ননা করেছেন।

★ ইমাম আজলুনী (রহ) বলেন, ” এ ইমাম আব্দুর রাজ্জাক (রহ) এর রেওয়াত যিনি নিজ সনদে তা বর্ননা করেছেন “From : ‘Ajluni (Isma`il ibn Muhammad d. 1162)
Book : Kashaf Al Khifa
Volume : 1
Page : 311
Hadith number : 827

★ ইমাম ইয়দারুসি (রহ) বলেন,” এ ইমাম আব্দুর রাজ্জাক (রহ) এর রেওয়াত যিনি স্বয়ং নিজ সনদে বর্ননা করেছেন ”
From : ‘Iydarusi
Book : Tarekh An Nur as Saafir
Volume : 1
Page : 8

★ ইমাম আহমদ আবেদিন শামী (রহ) [(1198–1252 AH ]
হানাফী মাযহাবের বিশ্ববিখ্যাত শ্রেষ্ঠ ফতোয়া “”ফতোয়ায়ে শামী”র প্রনেতা তিনি একে দলিলস্বরুপ গ্রহন করেছেন,”

★ মালিকি আল-হাসানী (মুহাম্মদ ইবনে আলাভী) তিনি মোল্লা আলি কারি (রহ) এর মিলাদ সম্পর্কিত বইয়ের ব্যাখ্যাগ্রন্থ “” [Hashiyat al-Mawrid al-rawi fi al-mawlid al-nabawi (p. 40)] বলেন :

** “নুর সম্পর্কিত জাবির (রা) এর হাদিসটির সনদ (Chain) কোন রকম আপত্তি ব্যতিরেকে সহীহ (Sound) কিন্তু বিভিন্ন Scholars এর বিষেশত্ব অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন ভাবে বর্ননা করেছেন।

**”ইমাম বায়হাকীও এটা সামান্য পরিবর্তন সহকারে বর্ননা করেছেন।” তারপর তিনি বলেন বিভিন্ন বর্ননা রাসুলুল্লাহ (সা) এর নুর সম্পর্কিত বর্ননাকে প্রতিষ্ঠা করেছে।

★ ইমাম আব্দুল গনী নাবলুসী রহমাতুল্লাহি আলাইহি [ বিখ্যাত মুহাদ্দিস, আরেফ বিল্লাহ] উক্ত হাদীস শরীফকে সরাসরি “”সহীহ”” বলে উল্লেখ করেছেন।

তিনি বলেন –

قد خلق كل شيي من نوره صلي الله عليه و سلم كما ورد به الحديث الصحيح

অর্থ: নিশ্চয়ই প্রত্যেক জনিস হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূর মুবারক থেকে সৃষ্টি হয়েছে, যেমন এ ব্যাপারে ‘সহীহ’ হাদীস শরীফ বর্নিত রয়েছে।”

দলীল-
√ হাদীক্বায়ে নদীয়া- দ্বিতীয় অধ্যায়-৬০ তম অনুচ্ছেদ-২য় খন্ড ৩৭৫ পৃষ্ঠা।

★ইমাম আলূসী বাগদাদী রহমাতুল্লাহি আলাইহি [ ইমামুল মুফাসরিরীন, মুফতীয়ে বাগদাদ]
উক্ত হাদীস শরীফকে নির্ভরযোগ্য বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি উনার কিতাবে লিখেন –

ولذا كان نوره صلي الله عليه و سلم اول المخلوقات ففي الخبر اول ما خلق الله تعالي نور نبيك ياجابر

অর্থ : সকল মাখলুকাতের মধ্যে সর্বপ্রথম সৃষ্টি হলো, নূরে মুহম্মদী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। যেমন- হাদীস শরীফে বর্নিত আছে, হে জাবির রদ্বিয়াল্লাহু আনহু! আল্লাহ পাক সর্বপ্রথম আপনার নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূর মুবারক সৃষ্টি করেছেন।”

দলীল-
√ রুহুল মায়ানী ১৭ তম খন্ড ১০৫ পৃষ্ঠা।

★ ইমাম মুহম্মদ মাহদ ইবনে আহমদ ফার্সী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উক্ত হাদীস শরীফকে “”সহীহ “” বলে নিজের কিতাব মুবারকে উল্লেখ করেছেন। তিনি বর্ননা করেন –

اول ما خلق الله نوره ومن نوري خلق كل شءي

অর্থ : মহান আল্লাহ পাক সর্বপ্রথম আমার নূর মুবারক সৃষ্টি করেন এবং আমার নূর মুবারক থেকে সবকিছু সৃষ্টি করেন।”

দলীল-
√ মাতালেউল মাসাররাত ২৬৫ পৃষ্ঠা ।

★ মুল্লা আলী কারী রহমাতুল্লাহি আলাইহি [বিখ্যাত মুহাদ্দিস, ছহীবে মেরকাত, ইমামুল মুহাদ্দিসীন] উক্ত হাদীস শরীফের সমর্থনে এর গ্রহনযোগ্যতা সম্পর্কে বলেন –

وامانوره صلي الله عليه و سلم فهو في غاياة من الظهور شرقا و غربا واول ما خلق الله نوره وسماه في كتابه نورا

অর্থ: হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূর মুবারক পূর্ব ও পশ্চিমে পূর্নরুপে প্রকাশ পেয়েছে। আর মহান আল্লাহ পাক সর্বপ্রথম উনার নূর মুবারক সৃষ্টি করেন। তাই নিজ কিতাব কালামুল্লাহ শরীফে উনার নাম মুবারক রাখেন ‘নূর’।”

দলীল-
√ আল মওযুআতুল কবীর ৮৩ পৃষ্ঠা।

★ বিখ্যাত মুহাদ্দিস, আল্লামা আবুল হাসান বিন আব্দিল্লাহ আল বিকরী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন —

قال علي رضي الله عنه كان الله ولا شيء معه فاول ما خلق نور حبيبه قبل ان يخلق الماء والعرش والكرسي واللوح والقلم والجنة وانار والحجاب

অর্থ: হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু আনহু ওয়া আলাইহিস সালাম বলেন, শুধুমাত্র আল্লাহ পাক ছিলেন, তখন অন্য কোন অস্তিত্ব ছিলো না। অতঃপর তিনি পানি,আরশ,কুরসী, লওহো,ক্বলম,জান্নাত, জাহান্নাম ও পর্দা সমূহ ইত্যাদি সৃষ্টি করার পূর্বে উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূর মুবারক সৃষ্টি করেন।”

দলীল-
√ আল আনওয়ার ফী মাওলিদিন নাবিয়্যিল মুহম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ৫ পৃষ্ঠা।

★★★ ওহাবী নেতারা যারা যারা এই হাদিসে নুরকে দলিল হিসেবে গ্রহন করেছেন :-

★ আশরাফ আলী থানভী (ওহাবী নেতা) :
তিনি তার বিখ্যাত কিতাব [Nashr al-tib (in Urdu, p. 6 and 215 of the Lahore edition) ] এ ইমাম আব্দুর রাজ্জাক (রহ) নির্ভরযোগ্যতার ভিত্তিতে “”দলিল (evidence) হিসেবে “” বর্ননা করেছেন এবং তিনি এর উপর বিশ্বাস রাখেন [Relies upon it]

★ ইসমাইল দেহলভী (ওহাবীনেতা মৃত্যু ১২৪৬ হি) তার [Yek rawzah (p. 11 of the Maltan edition)] কিতাবে বলেন : “[জাবির (রা) এর হাদিসে নুর দ্বারা] আল্লাহ সর্বপ্রথম আমার (রাসুলুল্লাহ সা. এর) নুর মোবারক সৃষ্টি করেছেন।”

★ উমর ইবনে আহমদ [ওফাত ১২৯৯ হি] তার ব্যাখ্যাগ্রন্থ [Sharh qasidat al-burda (p. 73 of the Karachi edition) ] এর মধ্যে দলিল হিসেবে বর্ননা করেছেন।

★ ওহাবীদের নেতা রশিদ আহমদ গাংগুহী তার [ Fatawa rashidiyya (p. 157 of the Karachi edition) ] বলেন, সহীহ হাদিস সংকলনে এই হাদিসটি পাওয়া যায় নি কিন্তু
“” মুহাদ্দিসে দেহলভী (রহ) একে শুধু বর্ননাই করেন নি বরং একে বিশুদ্ধ এবং সহীহ হিসেবে বলেছেন।”” (উপরে ওনার ভাষ্য দেয়া আছে)।

★ ওহাবীনেতা আব্দুল হাই লাখনভী (মৃত্যু ১৩০৪)
এটা বর্ননা করেছে তার [ al-Athar al-marfu`a fi al-akhbar al-mawdu`a (p. 33-34 of the Lahore edition) ] এবং বলেন : “মুহাম্মদ (সা) এর নুর সম্পর্কিত হাদিসটি (al-nur al-muhammadi)
প্রাথমিকভাবে ইমাম আব্দুর রাজ্জাক ইবনে হুমাম (রহ) এর বর্নিত হাদিসের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত, যা যথার্থভাবে সমস্ত সৃষ্ট বস্তুর উপরে (রাসুলুল্লাহ সা. এর নুরকে) নির্দিষ্টভাবে অগ্রাধিকার দেয়।

★ ইশান ইলাহি জহির (ওহাবী নেতা) , তার কিতাব [Hadiyyat al-mahdi (p. 56 of the Sialkut edition)] এ বলেছেন, আল্লাহ তার সৃষ্টির সুচনা করেছিলেন নুরে মুহাম্মাদী সা. (al-nur al-muhammadi) দ্বারা তারপর তিনি পানির উপর আরশ সৃষ্টি করেন। মুহাম্মাদ (সা) এর নুর সমস্ত সৃষ্টির প্রাথমিক উপাদান যার থেকে হাদিসে (এটাও) এসেছে যে প্রথম সৃষ্ট বস্তু হল কলম।

—————————————–

★ Imam Ibn Hajr al-Haythami (rah) narrates in his Fatawa al Hadithiyyah:

Rasul (durud) said: “O Jabir, the first thing Allah created was the light of your Prophet from His light.

Reference

►Narrated by Imam Ibn Hajr al Haytami in Fatawa al Hadithiyyah Page No. 289

★★★ এখন এই হাদিসের রাবীগনের নির্ভরযোগ্যতা যাচাই:-

১. হাদীসের সনদটি নিম্নরূপ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
>>জাবির বিন আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়্যাল্লাহু আনহু
>>মুহাম্মাদ বিন মুঙ্কদার রাহমাতুল্লাহি আলাইহি
>>মা’মার বিন রাশীদ
>>আব্দুর রাজ্জাক রাহমাতুল্লাহি আলাইহি

এবার দেখা যাক রাবীগনের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে মুহাদ্দীসগণের মন্তব্য :-

(ক) হাদিসটির রাবী ইমাম আব্দুর রাজ্জাক ইবনে হুমাম (রহ) :-

★ ইমাম আবু যারদাহ (রহ) বলেন,”

Imam ‘Abdur Razzaq un ulama main say hain jin ki Hadeeth mu’tabar (‘itibaar k qabil) hay.
From : Ibn e hajr ‘Asqalani
Book : Tahdheeb At Tahdeeb
Volume : 6
Page : 311

★ আহমাদ ইবন সালীহ (রঃ) বলেন, “আমি একবার আহমাদ বিন হাম্বল (রঃ) কে জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি হাদীস শাস্ত্রে আব্দুর রাজ্জাকের থেকে আর কাউকে পেয়েছেন? আহমাদ বিন হাম্বল (রঃ) বলেন, না”।
[আসকলানী, তাহজিবুত তাহজিব ২/৩৩১]

★ ইবনে হাজর আসকালানী (রহ) আব্দুর রাজ্জাক ইবনে হুমাম (রহ) এর বিশ্বাস যোগ্যতা সম্পর্কে ওনার কিতাবে কি লিপিবদ্ধ করেছেন দেখি:-

জরহ ওয়াত তাদিলের ইমাম ইয়াহিয়া বিন মঈন বলেন,”

★ Agr Imam ‘Abdur Razaq Murtad bhi ho jaen (Ma’az ALLAH) to hum us say hadeeth layna tark na karain gay (Yani phir bhi hadeeth lain gy)

From : Ibn e hajr ‘Asqalani
Book : Tahdheeb At Tahdeeb
Volume : 6
Page : 314

From : Ibn e Hajr ‘Asqalani
Book : Mizan Al ‘Itidal
Volume : 2
Page : 612

★ Imam Ibn e Hajr ‘Asqalani nain inko Thiqah aur Hafiz Likha hay.

From : Ibn e hajr
Book : Taqreeb at Tahdheeb
Page : 354
Rawi Number : 4064

★ Imam Abu Zar’dah farmaty hain:
Imam ‘Abdur Razzaq un ulama main say hain jin ki Hadeeth mu’tabar (‘itibaar k qabil) hay.

From : Ibn e hajr ‘Asqalani
Book : Tahdheeb At Tahdeeb
Volume : 6
Page : 311

(গ) হাদীসটির একটি রাবী হলেন মা’মার বিন রাশীদ।

উনার সম্পর্কে
★ আহমাদ বিন হাম্বল (রঃ) বলেন, আমি বাসরার সকল হাদীস শাস্ত্রের বিশেষজ্ঞের থেকে মুসান্নাফ আব্দুর রাজ্জাকে মা’মার বিন রাশীদ এর সূত্রে পাওয়া হাদীসগুলো পছন্দ করি। ইবন হাজর আসকলানী (রঃ) উনাকে দক্ষ মুখস্তবীদ, নির্ভরযোগ্য বলেন।
[আসকলানী, তাহজিবুত তাহজিব ১/৫০৫]
মা’মার বিন রাশীদ সূত্রে বর্ণিত বুখারী শারীফের হাদীস সংখ্যা প্রায় ২২৫ এবং
মুসলিম শারীফে বর্ণিত হাদীস সংখ্যা প্রায় ৩০০

★ Imam Ibn e Hajr ‘Asqalni nain farmaya k Ma’mar bin Rashid thiqah thabat faazal hain.

From : Ibn e Hajr
Book : Taqreeb At Tahdheeb
Volume : 2
Page : 202
publish from dar Al Kutub AL i’lmiyyah Beirut Lebanon in 1995

(ঘ) হাদীসটির আরেক রাবী হলেন মুহাম্মাদ বিন মুকদার।

ইমাম হুমায়দি বলেন, মুকদার একজন হাফিজ
ইমাম জারাহ তাদীল ইবন মা’ঈন বলেন, উনি নির্ভরযোগ্য
[আসকলানী, তাহজিবুত তাহজিব ভলি ০৯/১১০৪৮]
মুকদার থেকে বর্ণিত হাদীসের সংখ্যা বুখারী শারীফে ৩০টি এবং মুসলিম শারীফে ২২টি।

(ঙ) আর জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু একজন সুপ্রসিদ্ধ সাহাবী। বুখারী ও মুসলিম শারীফের উনার থেকে বর্ণিত অনেক হাদীস আছে।

সুতরাং বুঝা গেল। হাদীসটির সকল রাবীই নির্ভরযোগ্য এবং উনাদের সূত্রে বুখারী ও মুসলিম শারীফেও হাদীস বর্ণিত আছে।

★★★ Validation and the History of the Juz Al Mafqood, Musannaf Abdur Razzaq:

When the Musannaf Abdur Razzaq was first published it was incomplete according to its preface as shown in the picture below:

যখন ” মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক ” প্রথম প্রকাশিত হয় সেটা ছিল অসম্পুর্ন তা নিচের উক্ত প্রথম প্রকাশিত কিতাবের ভাষ্য থেকে দেখুন :-

Translation :
This copy that we found was copied or written and we adopted this copy to use, all this copy is not complete. So to tell the people that this copy is not complete we left one empty paper and we wish that the Islamic Scholars will help us to fill this part.

অর্থ : এই কপি যেটা আমরা লিখিত (বা কপি করা) পেয়েছিলাম আমরা এটা ব্যবহারের জন্য গৃহীত করেছিলাম, এটার পরো কপিটা সম্পুর্ন নেই। তাই সর্বসাধারনকে জানানো যাচ্ছে যে, এই কপি টা অসম্পুর্ন এবং আমরা একটা খালি পৃষ্টা রেখে দিলাম আমরা আশা রাখছি কোন ইসলামিক পন্ডিত বা বিশেষজ্ঞ আমাদের এই অংশটা পুর্ন করতে সাহায্য করবে।

The Proof of existence of this Hadith
এই হাদিস উক্ত কিতাবে রয়েছে তার প্রমান

Many of the greatest scholars have mentioned this hadith in their books and have directed its origins towards Abdur Razzaq, which is enough to prove the validity and existence of this hadeeth.

ইসলামের উচ্চতর পর্যায়ের অনেক পন্ডিতগন এই হাদিস তাদের কিতাবে উল্লেখ্য করেছেন এবং মুল সুত্র ইমাম আব্দুর রাজ্জাক (রহ) থেকে বলে উল্লেখ্য করেছেন।
যা এই হাদিসের অস্তিত্ব প্রমান করাররার জন্য যথেষ্ট।

************************************************
The Missing Chapter of Musnnaf (মুসান্নাফ কিতাবের হারিয়ে যাওয়া অধ্যায়)

After detailed search around the world, this chapter was finally found in a library situated in Turkey.

সারা বিশ্বে অত্যন্ত খুঁজাখুঁজির পর এই হারিয়ে যাওয়া অধ্যায়টা শেষে তুর্কিস্থানের এক লাইব্রেরীতে সন্ধান মিলে।

উক্ত হাদিস সম্পর্কে আপত্তি করেছে

(A) সালাফী নেতা নাসিরুদ্দিন আলবানী (যে বুখারী শরীফ ও সহিহ সিত্তাহর অন্যান্য কিতাবের “” আল-আদব আল-মুফ্রাদ”” অধ্যায় বা তার সাথে সম্পর্কিত “kissing Hands & feets” (by tazim) এ বিষয়ের পুরো Chapterই কেটে দিয়েছিল যা মুসলিম জাতির ইতিহাসে কেউই করেনি এবং সেগুলোকে জাল দ্বয়ীফের কাতারে শামিল করল। অথচ সেগুলো ছিল অত্যন্ত শক্তিশালী রেওয়াত)

(B) ড. আস-সাদিক , তিনি একে “অতিশয্য ও রুঢ়তার মাঝে রাসুলুল্লাহ (সা) এর বইশিষ্টবলী” অধ্যায়ে বর্ননা করেছে তিনি আরো অবাক হয়েছেন মুসান্নাফ কিতাবে এই হাদিসটি না পেয়েও ইমাম সুয়ুতী একে ইমাম আব্দুর রাজ্জাক (রহ) এর সাথে সম্পর্কিত করায়।
Note: আগেই বলেছিলাম যে এর মুদ্রনকালে Orginal Copy এর একটা অংশ প্রকাশকরা Missing বলে Islamic Scholars দের Help চেয়েছিলেন।

(C) মুলত যারা এই হাদিসকে জাল বলেছে তাদের প্রকৃতপক্ষে এই বিষয়ে কোন জ্ঞানই ছিল না কেননা এই হাদিসটী কে মুসলিম জাতির মধ্যে এমন একজন Scholars নেই যে এটাকে জাল বলেছে তবে হ্যা ওহাবী-সালাফী নেতারা কেউ কেউ বললেই পারে এতে আশ্চর্য হবার মত কিছু নেই। তারা বহু সহিহ হাদিসকে জাল দ্বয়ীফ বলে প্রচার করে এমন অনেক প্রমান আছে আমার কাছে আর এই পুরো পোস্ট টা এর উতকৃষ্ট প্রমান।

এখন তারা যদি প্রশ্ন হিসেবে বলে যে এই হাদিস আগে কিতাবে ছিল না এখন এটা কেউ নতুন করে লিখে সংযোজন করেছে তাহলে তার উত্তর স্বরুপ ২টা প্রমান দিব:-

(A) এই Orginal কিতাবের হাদিস সংক্রান্ত Scan Copy সহ উপরে সবগুলো দিলাম। আর কি করা এর চেয়ে বেশি তো পারব না যে ওহাবীদের হাতে হাতে কিতাব দিয়ে দিয়ে দেখাতে হবে। যার শুধু ১টা নয় শত শত কিতাবের রেফারেন্স আছে।

(B) এই হাদিস যদি মুসান্নাফ কিতাবে নাই থাকত তাহলে –

(i) ইমাম জালালুদ্দিন সুয়ুতী একে আব্দুর রাজ্জাকের সাথে সম্পৃক্ত করতেন না।কিন্তু তিনি করেছেন তাই আমরা তাকেই বিশ্বাস করি ওহাবী-সালাফীদের কথায় কিছু যাবে আসবে না

(ii) ইমাম শিহাবুদ্দিন কুস্তালানী (রহ) তিনি নিজে এর প্রমান সনদ আব্দুর রাজ্জাক (রহ) এর থেকে বলে প্রমান করেছেন “মাওয়াহিবে লাদুন্নীয়্যাহ” কিতাবের ১ম খন্ড ৬৮ পৃ (উপরে দেখুন)

(iii) ইমাম আজলুনী একে দলিল স্বরুপ গ্রহন করেছেন “কাশফুল শিফা” গ্রন্থে।

(iv) মুহাদ্দিসে আব্দুল হক দেহলভী (রহ) একে বিশুদ্ধ ও সহিহ বলেছেন “মাদারিজুন নবুওয়াহ” কিতাবে।

(v) আশ-শায়খুল আকবর মহিউদ্দিন ইবনুল আরাবী “তালক্বিহুল ফহুম” কিতাবের ১২৮ পৃ।

(vi) আব্দুল মালিক ইবনে রিয়াদাতুল্লাহ “ফাওয়ায়িদ ” কিতাবে ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা) এর বরাতে ।

(vii) আল্লামা খারকুশী (রহ) শরফুল মোস্তফা গ্রন্থের ১ম : পৃ ৭০৩

(viii) ইমাম নাবহানী (রহ) একে বর্ননা করেছেন জাওয়াহির আল-বিহার ৩: ৩৫৪

(ix) হানাফী মাযহাবের বিশ্ববিখ্যাত ফতোয়া “”ফতোয়ায়ে শামী”র প্রনেতা তিনি একে দলিলস্বরুপ গ্রহন করেছেন,” সেই ইমাম আহমদ আবেদিন শামী (রহ) একে বর্ননা করেছেন।

(x) ওহাবীদের নেতা আশরাফ আলী থানভী নুরের সমর্থনে সহীহ অপর একটা হাদিসও দিয়েছেন “”নশর আত তায়িব” কিতাবে ১:১৩ পৃ বর্ননা করেছে
Proof : http://­salafiaqeedah.blogspo­t.com/2012/05/­deobandi-fabrication-­in-nashr-ut-teeb.htm­l

(xi) হালাবি একে সিরাতে হালাবিয়ায় ১: ৫০ পৃ

এখন আসুন উক্ত হাদিস বর্ননা কারী রাবিগনের Biography সম্পর্কে কিছু জেনে নেই।
জাবির বিন আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু

মুহাম্মাদ বিন মুঙ্কদার রাহমাতুল্লাহি আলাইহি

মা’মার বিন রাশীদ রহমাতুল্লাহি আলাইহি

আব্দুর রাজ্জাক ইবনে হুমাম রাহমাতুল্লাহি আলাইহি।

———————————————-
1. ‘Abdur Razzaq:

Name : ‘Abdur-Razzaq bin Humam bin Nafi’ al-Himyari As-San’ani
Kunniyyat : Abu Bakr
Birth : 126 AH (Yemen)
Death : 211 AH
Places of stay : Yemen/Hijaz/Syria/Iraq
Area of Interest : Hadith, History, Seerah
Grade : Thiqah Hafiz
ইমাম আহমদ বিন হাম্মল রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার উস্তাদ,ইমামে আযম আবু হানীফা রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার ছাত্র, বিখ্যাত মুহাদ্দিস , তাবে তাবেয়ী, হাফিজে হাদীস।

★★ Teachers/Narrated from (ওনার শিক্ষক বা তিনি যাদের থেকে অন্যান্য হাদিস বর্ননা করেছেন) :

* Imam Malik,
* Imam Abu Haneefah
* Ayman bin Nabil,
* ‘Ikrama bin ‘Ammar,
* Ibn Jurayj,
*’Ubaidullah bin ‘Umar bin Hafs,
*’Abdullah bin ‘Umar bin Hafs bin ‘Asim,
* Ma’mar bin Rashid,
* Sufyan bin Sa‘id Ath-Thawri,
* Sufyan bin ‘Uyaynah,
* Yonus bin Slym al-Sn’any,
* Isra’il bin Yonus bin Abi Ishaq.
and many others

★★ Students/Narrate by (ইমাম আব্দুর রাজ্জাক (রহ) এর শিশ্য যারা ছিলেন এবং যারা যারা তার থেকে হাদিস বর্ননা করেছেন :

* Imam Ahmad Bin Hanbal
* Sufyan bin ‘Uyaynah,
* Waki’ bin al-Jarrah,
* Hmad bin Usamah,
* Ishaq bin Mansur al-Kausaj,
* Ahmed bin Yusuf bin Khalid,
* al-Hasan bin ‘Ali bin Muhammad,
* ‘Abdur Rahman bin Bashr,
* ‘Abd bin Hameed bin Nasr,
* Muhammad bin Rafa’i,
* Muhammad bin Mhran,
* Mhmwd bin Ghylan al-Dwy,
* Muhammad bin Yahya,
* Ahmed bin Salah al-Masri,
* Ishaq bin Ibrahim bin Nsr,
* Ahmed bin al-Frat bin Khalid,
* Zuhayr bin Harb,
* Ahmed bin Salah al-Masri,
* Abdullah bin Muhammad al-Musandi,
* Salmah bin Shbyb,
*’Amr bin Muhammad bin Bukayr (al-Naqid),
* Muhammad bin Yahya bin Abi ‘Umar,
* Hajjaj bin Yusuf bin al-Sha’ir,
* Yahya bin Ja’far bin A’yn al-Baykandi,
* Yahya bin Musa Khat,
* Ishaq bin Ibrahim bin Nsr,
* Ishaq bin Mansur al-Kausaj,
* Ahmed bin Yusuf bin Khalid, al-Hasan bin ‘Ali bin Muhammad,
*’Abdur Rahman bin Bashr,
*’Abd bin Hameed bin Nasr,
* Muhammad bin Rafa’i,
* Muhammad bin Mhran,
* Mhmwd bin Ghylan al-Dwy,
* Ishaq bin Rahwaya,
* Yahya bin Ma’in,
*’Ali bin al-Madini,
* Ahmed bin al-Frat bin Khali

And many others
—————————————–

*******************************************

*************************************************
2. Ma’mar bin Rashid

Name: Ma’mar bin Rashid
Birth Date/Place: 95 or 96 AH (Basrah)
Death Date/Place:154 AH
Places of Stay: Basrah/Medinah/Yemen
Area of Interest: Narrator[Grade:Thiqah Thiqah] Hadith, Seerah, History

Teachers/Narrated From:

Muhammad bin al-Munkdar bin ‘Abdullah,
Thabit bin Aslam Albanani,
Qatada, al-Zuhri,
‘Asim al-Ahwal,
Ayoub al-Sakhtiyani,
al-J’d bin Dinar al-Yshkry,
Zayd bin Aslam,
Salah bin Kaysan al-Madni,
‘Abdullah bin Tawus,
Ja’far bin Brqan,
al-Hakam bin Aban,
Asha’th bin ‘Abdullah bin Jabir,
Isma’il bin Umayya bin ‘Amr,
Thmamh bin ‘Abdullah,
Bahz bin Hakim bin Mu’awiya al-Qushayri,
Smak bin al-Fadl al-Khwlany,
‘Abdullah bin ‘Uthman bin Khuthaym,
‘Abdullah bin ‘Umar bin Hafs bin ‘Asim,
Yahya bin Abi Kathir,
Hmam bin Mnbh bin Kaml,
Hisham bin ‘Urwa,
‘Amr bin Dinar,
‘Ata’ bin Abi Muslim,
Abd al-Krym bin Malik,
And many others

Students/Narrated By:

‘Abdur-Razzaq,
Yahya bin Abi Kathir,
Abu Ishaq al-Sabay’ai’,
Ayoub al-Sakhtiyani,
‘Amr bin Dinar,
Sa’id bin Abi ‘Aruba,
Aban bin Yazid al-Tar,
Ibn Jurayj,
‘Imran bin Da’ud al-‘Ami Abu al-‘Awwam,
Hisham bin Abi ‘Abdullah al-Dastawa’i,
Salam bin Abi Mty’,
Shu’bah bin al-Hajjaj,
Sufyan bin Sa‘id Ath-Thawri,
Sufyan bin ‘Uyaynah,
‘Abdullah bin Mubarak,
‘Abdul A’ala bin ‘Abdul A’ala al-Sami,
‘Isa bin Yonus bin Abi Ishaq,
Ma’tmar bin Sulaiman-al-Taufayl,
Yazid bin Zari’,
‘Abdul Majeed bin ‘Abdul ‘Aziz,
‘Abdul Wahid bin Ziyad,
Isma’il bin Ibrahim – Ibn ‘Aliya,
Muhammad bin Hameed,
Abu Sufyan,
Muhammad bin Ja’far Ghandar,
Hisham bin Yusuf al-Sana’i,
Muhammad bin Thwr al-Sn’any,
‘Abdullah bin Mua’dh,
Muhammad bin Kathir bin Abi ‘Ata’
And many others
———————————————-

3. Muhammad bin Munkdar

Name : Muhammad bin al-Munkdar bin ‘Abdullah bin al-Hudayr bin ‘Abdul ‘Uzza b. ‘Amir b. al-Harith
Birth : 30 AH (Madina)
Death : 130 AH
Place of stay : Madina
Grade : Thiqah

Teachers/Narrated from :

Jabir ibn ‘Abdullah,
Al-Munkdar bin ‘Abdullah bin al-Hudayr,
Rabi’a bin ‘Abdullah bin al-Hudayr,
Abu Hurairah,
‘Aisha bint Abi Bakr,
Abu Ayyub al-Ansari,
Rabi’yah bin ‘Aabad al-D’ila,
Safinah,
Abu Qatada ibn Rab’i,
Umayma bint Ruqayqa,
Mas’ud bin al-Hakam bin al-Rabi’,
Anas bin Malik,
Abu Umama bin Sahl,
Yusuf bin ‘Abdullah bin Salam,
‘Abdullah ibn al-Zubayr,
ibn Abbas,
ibn Umar,
Sa’id ibn al-Musayyib,
‘Ubaidullah bin Abi Rafi’,
‘Urwa ibn al-Zubayr,
Mu’adh bin ‘Abdur Rahman bin ‘Uthman,
And Many others

Students/Narrated By:

Yusuf bin Muhammad bin al-Munkdar,
al-Munkdar bin Muhammad bin al-Munkdar,
Ibrahim bin Abi Bakr bin al-Mnkdr,
Zayd bin Aslam,
‘Amr bin Dinar,
al-Zuhri,
Ayoub al-Sakhtiyani,
Ja’far bin Muhammad bin ‘Ali (Imam ja;far As Saadiq),
Muhammad bin Wasi’ bin Jabir,
Sa’d bin Ibrahim,
Suhayl bin Abi Salah,
Ibn Jurayj,
‘Ali bin Zayd bin ‘Abdullah bin Zuhayr,
Musa bin ‘Uqba,
Hisham bin ‘Urwa,
Imam Maalik,
Habib bin al-Shaheed al-Azdi,
Rwh bin al-Qasim al-Tmymy,
Shu’bah bin al-Hajjaj,
Shu’aib bin Abi Hamza, ‘
Abdur Rahman bin Aby,
‘Abdur Rahman bin ‘Amr al-Awza’i,
Sufyan bin Sa‘id Ath-Thawri,
Wadah bin ‘Abdullah al-Yashkari,
Sufyan bin ‘Uyaynah
And Many Others
———————————————-

এই উপরুক্ত হাদিসের Base কে আরো শক্তিশালী করেছে সহিহ এবং বিশুদ্ধ ২টা হাদিস : এই ২টার মুল কথা এক সাথে
১) রাসুলুল্লাহ (সা) নুর এবং
২) তিনি আদম (আ) যখন শরীর ও রুহের মধ্যে ছিলেন তখনঅ রাসুল (সা) নবী ছিলেন।অর্থাৎ তিনি সর্বপ্রথম সৃষ্টি

১ নং যুক্তির সমর্থনে :-

রাসুলুল্লাহ صلى الله عليه و آله وسلم বলেন :-

” আমি তোমাদের আমার পূর্বের কিছু
কথা জানাবো! তা হলো-
আমি হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালামের
দোয়া আর হযরত ঈসা আলাইহিস সালামের ওনার জাতিকে দেয়া সুসংবাদ ও আমার আন্মাজানের (স্বপ্নে) দেখা সেই নূর যা ওনার দেহ থেকে বেরিয়ে শাম দেশের প্রাসাদ সমুহকে আলোকিত করেছিল.. ”

Reference :-

Book: Miskatul Masabih
page: 513

Book: Kanjul Ummal
Part: 11
Page: 173

From: Ibne Hibban
Book: Shahih ibne hibban
Volume: 9
Page: 106

From: Ibn al-Jawzi
Book: al-Wafa’
Page: 91,
chapter: 21 of Bidayat nabiyyina sallallahu `alayhi wa sallam

From: Imam Haythami
Book: Majma` al-zawa’id (8:221/409)

From: Al Haakim,
Book: Al mustadrak,
Volume :002,
Page No. 615-616/ 705/724
References of Hadith number 4233
or V:3 page: 27

Imam Hakim after narrating it said:

هذا حديث صحيح الإسناد شاهد للحديث الأول

Translation: This Hadith has a Sahih chain and is also a witness over the first hadith (which he mentioned in the chapter)

Reference

►Mustadrak ala Sahihayn, Volume 2, Page No. 600, Hadith No. 4175

From: Imam Ahamad
Book: Musnade Ahamad
volume: 4
page: 127
Hadith: 16701

From : Ibn e Sa’d
Book : Tabqaat Al Kubra
Volume : 1
Page : 150

From : Bayhaqi
Book : Dalaeel un Nubuwwah
Volume : 1
Page : 83
again 1:110 & 2:8

From : Ibn e ‘Asakir
Book : Tareekh Madeenat Damishq
Volume/page : 1:170 and 3:393

From : Qurtabi
Book : Jami’ Al Ahkaam Al quran
Volume : 2
Page : 131

From : Tabari
Book : jami’ Al Bayan
Volume : 1
Page : 556

From : Ibn e Katheer
Book : Tafseer Al Quran Al Azeem
Volume : 4
Page : 360-361

From : Samarqani
Book : Tafseer
Volume : 3
Page : 421

From : Tabarai
Book : Tareekh Al Umam wal Mulook
Volume : 1
Page : 458

From : Ibn e Ishaaq
Book : Seerat An Nabwiyyah
Volume : 1
Page : 28

From : Ibn e Hisham
Book : Seerat An Nabwiyyah
Volume : 1
Page : 302

Book: Al-Bidaya wan Nehaya
Volume : 2
page: 321

Book: Musnade Afzar
Hadith: 2365

Book: Tafsire Dor’re Monsor
volume : 1
page: 334

Book: Maoware dul
zamman
volume:1
pagepage:512

From : Halabi
Book : Seerat Al Halabiyyah
Volume : 1
Page : 77

★★★সর্বপ্রথম সৃষ্টি কি?★★★

★★★ সর্বপ্রথম আরশ সৃষ্টি :-

They say that hence Pen is the first creation therefore the hadith of Prophet (Peace be upon him) being first created Nur contradicts it.

This is their misconception because things have been first created according to their relative primacy, here is hadith from Sahih Bukhari which even proves Throne and Water to be created before Pen

كان اللهُ ولم يكُنْ شيءٌ غيرُه. وكان عرشُهُ على الماء

Translation: First of all, there was nothing but Allah, and (then He created His Throne). His throne was over the water [Translation by Muhsin Khan, Sahih Bukhari in English, Volume 4, Book 54, Number 414]

★★★ বিভিন্ন সহিহ রেওয়াতে আসছে যে আল্লাহ সর্ব প্রথম কলম সৃষ্টি করেছেন।

One of the hadiths found in Sunnah Abu Dawood and Al Tirmidhi says
Narrated by Ubadah ibn as-Samit : Allah’s Messenger (peace be upon him) said: The first thing which Allah created was Pen. He commanded it to write. It asked: What should I write? He said: Write the Decree (al-Qadr). So it wrote what had happened and what was going to happen up to eternity. Transmitted by Tirmidhi (said that the Isnad of this hadith is gharib). (Al Tirmidhi hadith 94)

★ এই হাদিসের ব্যখ্যা না জেনে ওহাবীরা নুর সম্পর্কিত হাদিসকে জাল /দ্বয়ীফ বলে।
এর ব্যখ্যা কি? হযরত জাবির (রা) এর নুর সম্পর্কিত হাদিসে এর ব্যখ্যা রয়েছে ২টা একত্র করলে দেখুন :-

★★★ “” আল্লাহ পাক সর্বপ্রথম তার স্বীয় নুর থেকে রাসুলুল্লাহ (সা) এর নুর মোবারক সৃষ্টি করেছেন অত:পর সেই নুরের প্রথম ভাগ দিয়ে কলম সৃষ্টি করেছেন অথবা আরশ সৃষ্টি করেছেন।

উপরোক্ত হাদিসেও এর প্রমান রয়েছে এখন এই উপরের হাদিসের সাথে সম্পর্কিত সহিহ হাদিস দ্বারা আবার প্রমান করছি :-

২নং যুক্তির সমর্থনে :-

রাসুলুল্লাহ (সা) সৃষ্টি না হলে কিছুই সৃষ্টি হত না তার মানে আগে সর্বপ্রথমে রাসুলুল্লাহ (সা) কে সৃষ্টি করেছেন তারপর অন্যসব :-

Hadith 0 :-

حدثنا علي بن حمشاذ العدل إملاء حدثنا هارون بن العباس الهاشمي حدثنا جندل بن والق حدثنا عمرو بن أوس الأنصاري حدثنا سعيد بن أبي عروبة عن قتادة عن سعيد بن المسيب عن بن عباس رضى الله تعالى عنهما قال أوحى الله إلى عيسى عليه السلام يا عيسى آمن بمحمد وأمر من أدركهمن أمتك أن يؤمنوا به فلولا محمد ما خلقت آدم ولولا محمد ما خلقت الجنة ولا النار ولقد خلقت العرش على الماء فاضطرب فكتبت عليه لا إله إلا الله محمد رسول الله فسكن هذا حديث صحيح الإسناد ولم يخرجاه

Translation: Ibn Abbas (R.A) narrates that Allah inspired Isa (A.S) saying O Isa, believe in Muhammad (صلى الله عليهوسلم), and whosoever form your Ummah finds him should believe in him, If I had not created Muhammad (صلى اللهعليه وسلم) then I would not have created Adam, If not for him I would not have created the paradise and hell, When I made the throne on Water, it started to shake , I wrote La Ilaha Il Allah Muhammad ur Rasul Ullah, due to which it became still

Reference

►Imam Hakim in Mustadrak ala Sahihayn, Volume No. 2, Page No. 609, Hadith No. 4227
Imam Hakim after narrating it said:

هذا حديث صحيح الإسناد

This Hadith has Sahih chain.

Hadith 1:-

This Hadith is also narrated by Sayyedina Abu Hurirah, ‘Abdullah bin ‘Abbas, ‘Abdullah bin Shaqeeq, Umer Bin khattab, ‘Aamir (Radi ALLAH Ta’ala ‘Anhum)

Narrated by Maysira al-Fajr that he asked the Prophet (Peace Be Upon Him):
Since when are you a Nabi? (The Prophet) replied: When Adam was in-between body and Spirit.

[al-Albani, in Silsilat al-ahadith al-sahihah Volume 004, Page No. 471, Hadith Number 1856, Publish: al-Marif lin-Nashr Riyadh/Saudia]

Hadith 2:-

আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিত সাহাবীগন জিজ্ঞেস করলেন , ” ইয়া রাসুলুল্লাহ (সা) আপনে কখন নবী ছিলেন? রাসুলুল্লাহ (সা) বল্লেন আমি তখনো নবী ছিলাম যখন আদম (আ) শরীর ও রুহের মধ্যে ছিলেন।”

Narrated by Abu Hurairah that the companions asked the Prophet (Peace Be Upon Him):
Since when are you a Nabi? (The Prophet) replied: When Adam was in-between body and Spirit.

All References of this narration:

# 1
From : Tirmidhi in Sunan
Book : Al Manaqib
Chapter : Fadl An NABI SAW
Volume : 5
Page : 585
Hadith number : 3609

# 2
From : Ahmad bin Hambal
Book : Al Musnad
Volume : 4, 5
page : 66, 59
Hadith number : 23620

# 3
From : Haakim
Book : Al Mustadrak
Volume : 2
Page : 666-665
Hadith number : 4210-4209

# 4
From : Ibn e Abi Shaibah
Book : Al Musannaf
Volume : 7
Page : 369
Hadith number : 36553

# 5
From : Tabrani
Book : Ma’jam Al Ausath
Volume : 4
Page : 272
Hadith number : 4175

# 6
From : Tabrani
Book : Ma’jam Al Kabeer
Volume : 12
Page : 92
Hadith number : 12571

# 7
From : Abu Nu’ym
Book : Hilyat Al Auliya
Volume : 7, 9
Page : 122, 53

# 8
From : Bukhari
Book : Tareekh Al Kabeer
Volume : 7
Page : 374
Hadith number : 1606

# 9
From : Khalal
Book : As Sunnah
Volume : 1
Page : 188
Hadith number : 200

And Its Chain is sound.

# 10
From : Ibn e Abi ‘Asim
Book : As Sunnah
Volume : 1
Page : 179
Hadith number : 411

Its Chain is sound.

# 11
From : Shaibaani
Book : Ahaad wal mathani
Volume : 5
Page : 347
Hadith number : 2918

# 12
From : Abdullah bin Ahmad bin Hambal
Book : As Sunnah
Volume : 2
Page : 398
Hadith number : 864

Its chain is Sound

# 13
From : Ibn e Sa’d
Book : Tabqaat Al Kubra
Volume : 1,7
Page : 148, 60

# 14
From : Ibn e hibban
Book : Thiaqqt
Volume : 1
Page : 47

# 15
From : Ibn e Qani’
Book : Ma’jam As Sahaba
Volume : 2, 3
Page : 127, 129
Hadith number : 591, 1103

# 16
From : Ibn e Khiyath
Book : Tabqaat
Volume : 1
Page : 59 & 125

# 17
From : Muqaddasi
Book : Ahadith Al Mukhtarah
Volume : 9
Page : 142,143
Hadith number : 123-124

# 18
From : Abu Almahasin
Book : Mu’tasar Al Mukhtasar
Volume : 1
Page : 10

# 19
From : Daylami
Book : Musnad Al firdoos
Volume : 3
Page : 284
Hadith number : 4845

# 20
From : Ibn e ‘Asakir
Book : Tareekh e Damishq Al Kabeer
Volume : 26, 45
Page : 382, 488-489

# 21
From : LialKalai
Book : ‘Itiqaad Ahl Us Sunnah
Volume : 4
Page : 753
Hadith number : 1403

# 22
From : Khateeb baghdadi
Book : Tareekh e Baghdad
Volume : 3
Page : 70
Hadith number : 1032

# 23
From : ‘Asqalani
Book : Tahdeeb At tahdheeb
Volume : 5
Page : 147
Hadith number : 290

# 24
From : Ibn e hajr ‘Asqalani
Book : Al Asabah
Volume : 6
Page : 239

# 25
From : Ibn e Hajr ‘Asqalani
Book : Ta’jeel Al Munfi’ah
Volume : 1
Page : 542
Hadith number : 1518

# 26
From : Ibn e ‘Abdul Barr
Book : Al Isti’ab
Volume : 4
Page : 1488
Hadith number : 2582

# 27
From : Zahabi
Book : Sayyir Al ‘Alaam An Nubala
Volume : 7, 11
Page : 384, 110

And he said, This hadith have Salih chain.

# 28
From : Jalal ud Din Suyuti
Book : khasais Al Kubra
Volume : 1
Page : 18

# 29
From : Jalal ud Din Suyuti
Book : Alhawi lil fatawa
Volume : 2
Page : 100

# 30
From : Ibn e Katheer
Book : Al Badayah wan nahayah
Volume : 2
Page : 307, 320-321

# 31
From : Jarjaani
Book : Tareekh e jarjaan
Volume : 1
Page : 392
Hadith number : 653

# 32
From : Qastalani
Book : Mawahib Al laduniya
Volume : 1
Page : 60

# 33
From : Haithami
Book : Majma’ Az Zawaid
Volume : 8
Page : 122

# 34
From : Abu Sa’d An Neshaburi
Book : Sharaf Al Mustafa
Volume : 1
Page : 286
Hadith number : 75

********************­**************

Hadith 3:-

তাবলিগ জামাতের নেতা আশরাফ আলী থানভী
তার বিখ্যাত কিতাব “নুশর আত ত্বীব” এ বর্ননা করেছেন যে —
Asraf Ali Thanwi has mentioned a Hadith in his book نشر الطیب فی ذکر النبی الحبیب صلی اللہ علیہ وسلم that—-

—– Hazrat Ali bin Al-Hussain (Zainul Abdeen) narrated from ”””his father Hazrat Hussain (رضی اللہ عنہ) ”””’and he narrated from ”””his father (Hazrat Aliرضی اللہ عنہ)”””’ that the Prophet (صلی اللہ علیہ وسلم) said:

হযরত আলি বিন আল-হোসাইন [ ইমাম জয়নুল আবেদিন (রা) ] ওনার পিতা ইমাম হোসাইন (রা) থেকে তিনি ওনার পিতা হযরত আলি (রা) থেকে বর্ননা করেছেন যে রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন,

—– :“I was a ””’noor (light)””” in front of my Lord some fourteen thousand years before the birth of Hazrat Adam (علیہ السلام).”

আমি আমার প্রভুর সামনে আদম (আ) সৃষ্টিরও প্রায় ১৪ হাজার বছর পুর্বে একটা নুর হিসেবে বিদ্যমান ছিলাম।

—- There are some more traditions which prove that the noor of the Prophet (صلی اللہ علیہ وسلم) was created in the earliest time, some traditions say that his noor was created before the Tablet, the Pen, earth, sky and even before all creatures.

এমন অনেক ধরনের বর্ননা প্রমান করে যে রাসুলুল্লাহ (সা) এর নুর সর্বপ্রথমে (earliest)
সৃষ্টি হয়েছিল, কিছু কিছু বর্ননা (মানে হাদিস) বলে যে লাওহ-কলম, পৃথিবী- আকাশ এমনকি সবকিছুর পুর্বে রাসুলুল্লাহ (সা) এর নুর সৃষ্টি হয়েছিল।

উনার বিখ্যাত কিতাব “Nashr ut Teeb fi Dhikr il Nabbiyal Habeeb” এ হাদিস লিখেছেন। স্ক্যান কপিসহ দেখুনঃ

http://­salafiaqeedah.blogspo­t.com/2012/05/­deobandi-fabrication-­in-nashr-ut-teeb.htm­l

তাছাড়া এই উত্তর দেওবন্দের আন্তর্জাতিক website এর ফতোয়া দেখুন :-

Question: 3126 >Is the Prophet peace be upon him’s nur the first thing to be created? Also, was it created before Adam alayhis salam’s? Answer: 3126 Jan 29,2008 (Fatwa: 903/876=D)

ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দের ফতোয়ার ওয়েবসাইটের লিঙ্ক – ->>> http://darulifta-deoband.org/showuserview.do?function=answerView&all=en&id=3126

Hadith no 4 :

حدثنا الحسن قثنا أحمد بن المقدام العجلي قثنا الفضيل بن عياض قثنا ثور بن يزيد عن خالد بن معدان عن زاذان عن سلمان قال سمعت حبيبي رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول كنت انا وعلي نورا بين يدي الله عز وجل قبل ان يخلق آدم بأربعة عشر ألف عام فلما خلق الله آدم قسم ذلك النور جزءين فجزء أنا وجزء علي عليه السلام

Salman (ra) narrates that he heard the beloved Prophet (صلى الله عليه وسلم) say: I was a Nur in front of Allah, some 14000 years before creation of Adam (as).

Reference

★ Imam Ahmed bin Hanbal in Fadhail as Sahaba, Volume No. 2,Page No. 663, Hadith No 1130

★ Al Muhibb al Tabari narrates this tradition on the authority of Salman from the Prophet (pbuh&hp) in al Riyad al Nadirah, ii, 163:

★ Ahmad ibn Hanbal in al Fada’il;

★ Sibt ibn al Jawzi in Tadhkirat Al­khawass, 46;

★ Abu Hatim Muhammad ibn Idris al Razi in Zayn al Fata fi tafsir Surat Hal ata, MS.;

★ This tradition has also been narrated by also Ibn Mardawayh, Ibn Abd al Barr, al Khatib al Baghdadi, Ibn al Maghazili, al-Asimi, Shiruyah al Daylami and others from Imam Ali , Salman , Abu Dharr , Anas ibn Malik , Jabir ibn Abd Allah and other Companions.

উক্ত হাদিসের ইসনদ ও সনদ বর্ননাকারী :-

the hadis is transmitted by many genres of narrators including –

i) Sahaabah (Companions of the Holy Prophet s.a.w.a.)
ii) Taabe’een (Generation after companions who did not see the Holy Prophet s.a.w.a.)
iii) Huffaaz (Memorizers of the Holy Quran)
iv) Ulama (Scholars)

The following is a category-wise list of transmitters:

i) Companions:
Among the revered companions who narrated the tradition:

1. Ameerul Momineen Ali b. Abi Taalib (a.s)

Following scholars have recorded the tradition from him:

• Saalehaani
• Kala’ai
• Muhammad b. Jafar
• Wasabi
• Waa’iz Hirvi
• Muhammad Sadr Aalim

2. Imam Husain b. Ali (a.s)

Following scholars have chronicled the tradition from him:

• Aasimi
• Khaarazmi
• Matarzi
• Shahabuddin Ahmad

3. Salman Muhammadi (r.a)

Following scholars have documented this tradition from him:

• Ahmad b. Hanbal. (Sibt-e-Jauzi has narrated this tradition in his book from Ahmad b. Hanbal.)
• Abdullah Ibn Ahmad
• Ibne Maghazili
• Sheruyeh Daylami
• Natanzi
• Shahardar Daylami
• Khateebe Khaarazmi
• Ibn Asir
• Hamwini
• Taalibi
• Hamadani
• Ganji Shaafe’ee
• Tabari
• Wasabi
• Hirvi

4. Abu Zarr Ghaffari (r.a.)

Ibne Maghaazili has narrated from him.

5. Jaabir b. Abdillah al-Ansaari (r.a.)

Ibne Maghaazili has narrated from him.

6. Abdullah b. Abbas (r.a.)

Following scholars have narrated this tradition from him:

• Ibn Habeeb Baghdadi
• Natanzi
• Ganji Shaafe’ee
• Hamwini
• Zarandi
• Shahabuddin Ahmad
• Jamaal Muhaddis

7. Abu Hurairah

Hamwini has narrated from him.

8. Anas b. Maalik

Aasimi has narrated from him.

i) The Taabe’een who narrated Hadees-e-Nur:
• Imam Ali b. Husain b. Abi Taalib (a.s)
• Zadaan Abu Umar Kandi exp 82 AH
• Abu Usman Nahdi
• Saalim b. Abu Ja’ad Ashja’ee exp. 98 or 100 AH
• Abu Zubair Muhammad b. Muslim b. Tadarrrus Asadi Makki exp 126 AH
• Ikramah b. Abdullah Burairi exp 180 AH
• Abdul Rahman b. Yaqub Johni Madani
• Abu Ubaidah Hameed b. Abi Hameed Taweel Basri

ii) Among the memorizers of the Holy Quran who narrated Hadees-e-Nur are:
• Ahmad b. Hanbal Shaybaani exp 241 AH
• Abu Haatim Muhammad b. Idris exp 277 A.H
• Abdullah b. Ahmad b. Hanbal exp 290 AH
• Ibn Mordowayh Abu Bar Ahmad b. Moosa Isfahaani exp 410 AH
• Abu Naeem Ahmad Ibn Abdullah Isfahaani exp 430 AH
• Ibn Abdul Barr Yusuf Ibn Abdullah Numairi Qurtubbi exp 463 AH
• Khateeb-e-Baghdadi
• Daylami
• Khaaarazmi
• Ganji Shaafe’ee
• Tabari
• Hamwini

Sibt ibne Jauzi’s reply to those who consider the hadis as weak
Sibt ibne Jauzi who is considered a high principled narrator by many Sunni scholars like Khaarazmi, Zahabi, Muhammad b. Ali Dawoodi – the teacher of Suyooti, Ibn Khallekaan among others, has documented Hadis-e-Nur in his book Tazkerah al-Khawaas (p. 22) strongly refuting the arguments of the skeptics who deem it as weak.


মিলাদুন্নবী صلى الله عليه و آله وسلم কুরআন ও হাদিসের আলোকে-

Lecture : Milad-Un-Nabi or Mawlid-Un-Nabi صلى الله عليه و آله وسلم
– Masum Billah Sunny

এখানে যা যা বলা হয়েছে :-
১) মিলাদুন্নবী (সা) কুরআনের আলোকে
২) মিলাদুন্নবী (সা) হাদিসের আলোকে
৩) মিলাদুন্নবী (সা) উদযাপনে জগত বিখ্যাত ইমাম,মুহাদ্দিসিন,মুফাসসিরিন,মুজাদ্দিদিন গনের আকিদা

মিলাদ-উন-নবী বা মাওলিদ-উন-নবী صلى الله عليه و آله وسلم এর অর্থ (Meaning) :-
মিলাদ অর্থ জন্মবৃত্তান্ত আর আন-নবী মানে আমাদের নবী صلى الله عليه و آله وسلم

বিস্তৃত ভাবে বলতে গেলে:-

Meaning:-

আসুন আমরা ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিষয়টা কি সেটা বুঝার চেষ্টা করি |

মূলত ঈদ অর্থ হচ্ছে খুশি বা আনন্দ প্রকাশ করা |
আর “মীলাদ ও ” নবী” দুইটি শব্দ একত্রে মিলিয়ে হয় মীলাদুন্নবী | ” মীলাদের” তিনটি শব্দ রয়েছে – ميلاد মীলাদ, مولد মাওলিদ, مولود মাওলূদ | মীলাদ শব্দের অর্থ হচ্ছে, জন্মবৃত্তান্ত (মানে হল বিস্তৃতভাবে বংশবৃত্তান্ত, স্থান-কালসহ আলোচনা করা)

অর্থাৎ, আভিধানিক বা শাব্দিক অর্থে ميلاد النبي বা ” মীলাদুন্নবী” বলতে হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফকেই বুঝায় |

আর পারিভাষিক বা ব্যাবহারিক অর্থে,মীলাদুন্নবী বলতে হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে উনার ছানা- সিফাত আলোচনা করা, উনার প্রতি সালাত সালাম পাঠ করা, এবং উনার পবিত্রতম জীবনী মুবারকের সামগ্রিক বিষয়ের আলোচনা বুঝানো হয় !

ওহাবী ও আহলে হাদিসগন একে বিদাত বলে আসুন দেখি রাসুল (সা) এর জন্ম ও বংশবৃত্তান্ত আলোচনা কুরআন হাদিসে আছে কিনা।

♦♦এক নজরে আল-কুরআনে মিলাদুন্নবী صلى الله عليه و آله وسلم ♦♦

:::::::~~Al imran 81,164.
:::::::~~An nisa 59,175,164.
:::::::~~Mayedah 15
:::::::~~At taowba 33,128.
:::::::~~Saffh 6,8.
:::::::~~Jomoah 2.
:::::::~~Balad 1-2.
:::::::~~Al Ibrahim 28 (বুখারী শরিফের শানে নুযুল)
:::::::~~Al Ibrahim 34.
:::::::~~Nahol 83.
:::::::~~Insira h 1~4.
:::::::~~Ambia 107.
:::::::~~Fath 8,9.
:::::::~~Ahjab 56.
:::::::~~Ka’f 2.
:::::::~~Anfal 33
:::::::~~Doha 11
:::::::~~Fath 28
:::::::~~Hijor 72
:::::::~~Ara’f 157
:::::::~~Ibrahim 5 [About Milad of Musa(AS) ]
:::::::~~Mayyidah 20 [About milad of Musa(AS) ]

♦আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন,

اللهم ربنا انزل علينا ماءدة من السماء تكون لنا عيدا لاولنا واخرنا

অর্থ : আয় আমাদের রব আল্লাহ পাক ! আমাদের জন্য আপনি আসমান হতে ( বেহেশতী খাদ্যের) খাদ্যসহ একটি খাঞ্চা নাযিল করুন | খাঞ্চা নাযিলের উপলক্ষটি অর্থাৎ যেদিন খাঞ্চা নাজিল হবে সেদিনটি আমাদের জন্য, আমাদের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকলের জন্য ঈদ স্বরূপ হবে !”

( সূরা মায়িদা ১১৪)

উক্ত আয়াত শরীফে কি বুঝা গেল ? হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম উনার উম্মতের জন্য আসমান থেকে একটি খাঞ্চা ভর্তি খাবার চাইলেন, এবং এই নিয়মত পূর্ন খাবার নাযিল হওয়ার দিনটা উনার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকলের জন্য ঈদ হবে বললেন |
এই খাদ্য সহ খাঞ্চা নাযিল হওয়ার দিন যদি ঈদের দিন হয় ,, তাহলে সমগ্র জগৎ এর নিয়মাত, সকল নিয়মতের মূল , নি’মাতুল কুবরা হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমনের দিন মুবারক কি ঈদ হবে না ?
খুশি করা যাবে না ??
অবশ্যই হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমনের দিন ঈদ হবে, শুধুমাত্র ঈদ ই হবেনা বরং কুল কায়িনাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ হবে !

♦কতিপয় আয়াত শরীফ উল্লেখ করা হলো-

★ إنا أرسلناك شاهدا ومبشر ونذير لتؤمنوا بالله و رسوله و تعزروه وتوقروه وتسبحوه بكرة وأصيلا

অর্থ : (হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিশ্চয়ই আমি আপনাকে সাক্ষ্যদাতা,সুসংবাদদানকারী এবং সতর্ককারী স্বরূপ প্রেরণ করেছি , যেন তোমরা (বান্দারা) মহান আল্লাহ পাক উনার উপর এবং উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপর ঈমান আনো এবং তোমরা উনার সম্মান করো ! এবং ছানা-সিফত প্রসংশা করো সকাল-সন্ধ্যা !””

( সূরা ফাতাহ ৮,৯)

★ لقد جاءكم رسول من انفسكم عزيز عليه ماعنتم حريص عليكم بالمؤمنين رءوف رحيم

অর্থ : তোমাদের কাছে তোমাদের জন্য একজন রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এসেছেন, তোমাদের দুঃখ-কষ্ট উনার কাছে বেদনাদায়ক, তিনি তোমাদের ভালাই চান,মু’মিনদের প্রতি স্নেহশীল এবং দয়ালু !”

( সূরা তাওবা ১২৮)

★وماارسلناك الا رحمة للعالمين

অর্থ : হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি আপনাকে সমস্ত কায়িনাতের জন্য রহমত হিসাবে পাঠিয়েছি !”‘

( সূরা আম্বিয়া ১০৭)

★ لقد من الله علي المؤمنين إذ بعث فيهم رسولا من أنفسهم يتلوعليهم اياته ويزكيهم ويعلمهم الكتاب وااحكمة

অর্থ : নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক মু’মিনদের প্রতি ইহসান করেছেন যে, তিনি তাদের মাঝে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাঠিয়েছেন, যিনি তাদেরকে আল্লাহ পাক উনার আয়াত শরীফ সমূহ তিলাওয়াত করে শোনান এবং তাদের অন্তর সমূহকে পরিশুদ্ধ করেন এবং তাদের কিতাব ও হিকমত শিক্ষা দেন !””

( সূরা আল ইমরান ১৬৪)

♦আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন-

قال بفضل الله و برحمته فبذالك فليفرحوا هو خيرمما يجمعون

অর্থ : হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ! আপনি উম্মাহকে বলে দিন , মহান আল্লাহ পাক অনুগ্রহ ও রহমত( হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রেরন করেছেন , সেজন্য তারা যেন খুশি প্রকাশ করে | এ খুশি প্রকাশ করাটা সবচাইতে উত্তম, যা তারা সঞ্চয় করে রাখে !”
√ সূরা ইউনূছ ৫৮

♦উক্ত আয়াত শরীফে তাফসিরে বিখ্যাত মুফাসসির, সমগ্র মাদ্রাসায় যাঁর তাফসীর পড়ানো হয়, হাফিযে হাদীস, আল্লামা জালালুদ্দীন সূয়ূতী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন–

عن ابن عباس رضي الله تعال عنهما قال في الاية فضل الله العلم و رحمته محمد صلي الله عليه و سلم قال الله تعالي وما ارسلناك الا رحمة للعلمين

অর্থ : হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, এ আয়াত শরীফের তাফসিরে এখানে আল্লাহ পাক উনার অনুগ্রহ বলতে ” ইলিম” বুঝানো হয়েছে | আর রহমত দ্বারা বুঝানো হয়েছে ” হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম” উনাকে | যেমন, আল্লাহ পাক বলেন, আমিতো আপনাকে তামাম আলমের জন্য রহমত স্বরূপ প্রেরন করেছি |”

দলীল-
√ তাফসীরে দূররুল মানছুর – ১০ নং সূরা – ১১ পারা- সূরা ইউনূছ ৫৮

√ তাফসীরে রুহুল মায়ানী !
আদেশ সূচক বাক্য দ্বারা ফরজ এবং ওয়াজিব সাব্যস্ত হয় |
যেমন সকল ফিক্বাহের কিতাবে আছে-
الامر للوجوب
অর্থাৎ, আদেশ সূচক বাক্য দ্বারা ফরজ ওয়াজিব সাব্যস্ত হয় !

দলীল-
√ বাদায়েউস সানায়ে

দেখুন, আল্লাহ পাক এরশাদ করেন-
اقيموا الصلوة

অর্থ : তোমরা নামাজ আদায় করো | ”
কুরআন শরীফের এই নির্দেশ সূচক বাক্য দ্বারা নামাজ ফরজ হয়েছে |

তদ্রুপ সূরা ইউনূছের ৫৮ আয়াতের فليفرحوا বা খুশি প্রকাশ করো (ঈদ পালন করো) এটা আদেশ সূচক বাক্য |

তাহলে এই দিকে খেয়াল করলে, এ আদেশের দ্বারা রাসুলের আগমনে কৃতজ্ঞ হয়ে আল্লাহর প্রতি খুশি প্রকাশ করা উত্তম বলে প্রমানিত হয় !

মূলত কুরআন শরীফে অনেক জায়গায় আল্লাহ পাক
উনার প্রদত্ত নিয়ামতকে স্মরন করতে বলেছেন:-

♦আল্লাহ পাক বলেন:-

اذكروا نعمة الله عليكم

অর্থ : তোমাদের যে নিয়ামত দেয়া হয়েছে, তোমরা সে নিয়ামতকে স্মরন করো !”

( সূরা আল ইমরান ১০৩)

প্রশ্ন হচ্ছে, আল্লাহ পাক উনার সবচাইতে বড় নিয়ামত কি ?
এ ব্যাপারে সমস্ত জগৎবাসী একমত যে, আল্লাহ পাক উনার সবচাইতে বড় নিয়মত হচ্ছেন ” হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ” !

শুধু তাই নয় সমস্ত জাহানের সকল নিয়মাত হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকেই হাদীয়া করা হয়েছে |
আর হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন ” আন নি’মাতিল কুবরা আলাল আলাম” !
অর্থাৎ, সমস্ত কায়িনাতের সবচাইতে বড় নিয়ামত !

♦ইমাম ইবনুল জাওযী নিজ ‘তাফসীর’গ্রন্থে সূরা ইউনূসের উক্ত ৫৮ নং আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন, “আদ্ দাহাক হযরত ইবনে আব্বাস (রা:) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: এই আয়াতে ‘ফযল’ বলতে জ্ঞান (অর্থাৎ, আল-কুরআন ও তাওহীদ)-কে বুঝিয়েছে; আর ‘রহমত’ বলতে মহানবী(ﷺসা) -কে বোঝানো হয়েছে।” [ইবনে জাওযী কৃত ‘যা’দ আল-মাসীর ফী এলম আত্ তাফসীর’, ৪:৪০]

♦ইমাম আবু হাইয়ান আন্দালুসী এ সম্পর্কে বলেন, “ফযল বলতে জ্ঞানকে, আর রহমত বলতে রাসূলুল্লাহ (ﷺসা) -কে উদ্দেশ্য করা হয়েছে।” [তাফসীর আল-বাহর আল-মুহীত, ৫:১৭১]

♦ইমাম জালালউদ্দীন সৈয়ুতী (রহ:) বলেন, “আবু শায়খ হযরত ইবনে আব্বাস (রা:) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর ফযল বলতে জ্ঞানকে, আর রহমত বলতে রাসূলুল্লাহ(ﷺসা) -কে বোঝানো হয়েছে। আল্লাহ বলেন, (হে রাসূল) আমি আপনাকে প্রেরণ করেছি জগতসমূহের জন্যে আমার রহমত (করুণা) করে (সূরা আম্বিয়া, ১০৭ আয়াত)।” [আস্ সৈয়ুতী প্রণীত দুররে মনসূর, ৪:৩৩০]

♦আল্লামা আলূসী ব্যাখ্যা করেন যে এমন কি ‘ফযল’ (অনুগ্রহ) বলতেও হযূর পাক (দ:)-কে উদ্দেশ্য করা হয়েছে, যেমনিভাবে বর্ণিত হয়েছে আল-খতীব ও ইবনে আসাকির থেকে যে আয়াতোক্ত ‘ফযল’ হলেন মহানবী(ﷺসা) । [আলূসী রচিত রূহুল মাআনী, ১১:১৪১]

ذَٰلِكَ فَضْلُ اللَّـهِ يُؤْتِيهِ مَن يَشَاءُ ۚ وَاللَّـهُ ذُو الْفَضْلِ الْعَظِيمِ ﴿٤﴾
”এটি আল্লাহর অনুগ্রহ; যাকে চান দান করেন; এবং আল্লাহ বড় অনুগ্রহশীল।” (সূরা জুমু’আহ্, ৪ আয়াত)

♦আয়াতের শেষাংশে ‘আল্লাহ বড় (অশেষ) অনুগ্রহশীল’ বাক্যটিকে হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা:) ব্যাখ্যা করেন এভাবে:
আল্লাহর অনুগ্রহ অফুরন্ত, যেহেতু তিনি মহানবী(সাﷺ) -কে ইসলাম ও নবুয়্যত দান করেছেন; এও বলা হয়েছে যে এর মানে ঈমানদারদের প্রতি তিনি ইসলামের নেয়ামত বর্ষণ করেছেন। আর এ কথাও বলা হয়েছে যে এর অর্থ তাঁর সৃষ্টিজগতের প্রতি তিনি অনুগ্রহ করেছেন মহানবী (ﷺসা) এবং কেতাব (কুরআন) প্রেরণ করে। [তানবির আল-মিকবাস মিন তাফসীর ইবনে আব্বাস]

★ ياايها النبي انا ارسلناك شاهدا و مبشر و نذيرا وداعيا الي الله باذنه وسراجا منيرا

অর্থ : হে আমার হবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! নিশ্চয়ই আমি আপনাকে সাক্ষীদাতা, সুসংবাদ দাতা, ভয় প্রদর্শনকারী এবং আমার নির্দেশে আমার দিকে আহ্বানকারী ও নূরানী প্রদীপ রুপে প্রেরন করেছি !””

( সূরা আহযাব ৪৬)

★ قد جاعكم من الله نور

অর্থ : নিশ্চয়ই তোমাদের নিকট মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে এক মহান নূর ( হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসেছেন !””

( সূরা মায়েদা ১৫)

সর্বপ্রথম মিলাদুন্নবীর আলোচনা (শানে নুযুল দেখলে পাবেন):-

★ وإذ أخذ الله ميثاق النبيين لما اتيتكم من كتاب و حكمة ثم جاءكم رسول مصدق لما معكم لتؤمنن به ولتنصرنه قال أأقررتم وأخذتم علي ذلكك إصري قالوا أقررنا قال فاشهدوا وأنا معكم من الشاهدين

অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত নবী- রসূল আলাইহিমুস সালামগন উনাদের থেকে এ মর্মে ওয়াদা নিলেন যে, আমি আপনাদের কিতাব ও হিকমত হাদিয়া করবো | অতঃপর আপনাদের প্রদত্ত কিতাবের সত্য প্রতিপাদনকারী হিসাবে একজন রসূল (হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আগমন করবেন ! আপনারা অবশ্যই উনার প্রতি ঈমান আনবেন এবং উনাকে পেলে খিদমত করবেন ! মহান আল্লাহ পাক বললেন, আপনারা কি আমার এ ওয়াদা স্বীকার ও গ্রহণ করলেন ? উনারা বললেন, হ্যাঁ, আমরা স্বীকার করে নিলাম | তখন আল্লাহ পাক বললেন, তাহলে আপনারা সাক্ষী থাকুন এবং আমিও আপনাদের সাথে সাক্ষী রইলাম !”

( সূরা আল ইমরান ৮১)

♦নিয়ামতের শোকার আদায় করতে আল্লাহ পাক বলেন-

وأما بنعمة ربك فحدت

অর্থ : আপনার রব উনার নিয়ামতের কথা প্রকাশ করুন !”

( সূরা আদ্ব দ্বুহা ১১)

♦উক্ত নিয়ামত সমূহের ব্যাখ্যায় হাদীস শরীফে আছে —

قال والله هم كفار قريش و محمد نعمة الله تعالي

অর্থ : আল্লাহ পাক উনার কসম ! তারা ( যারা নবীজী উনার বিরোধীতা করেছিলো) কুরায়িশ কাফির আর হযরত সাইয়্যিদুনা মুহম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হলেন আল্লাহ পাক উনার নিয়ামত !”

দলীল-
√ বুখারী শরীফ ১/২২১

♦আর নিয়ামত পূর্ন দিন সমূহ স্বরন করা বা আলোচনা করার কথা কুরআন শরীফে ইরশদ হয়েছে–

وذكرهم بايام الله ان في ذلك لايات لكل صبار شكور

অর্থ : আল্লাহ পাক উনার বিশেষ দিন সমূহ স্বরন করান ! নিশ্চয়ই এতে প্রত্যেক ধৈর্যশীল শোকরগুযার বান্দাদের জন্য নিদর্শনাবলী রয়েছে !”

( সূরা ইব্রাহীম ৫)

♦আল্লাহ পাক বলেন:-

قال عيسي ابن مريم يبني اسراءيا اني رسول الله اليكم مصدقا لما بين يدي من التورة و مبشرا برسول ياتي من بعدي اسمه احمد

অর্থ :হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হে বনী ইসরাঈল ! নিশ্চয়ই আমি তোমাদের নিকট মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল হিসাবে প্রেরিত হয়েছি ! আমার পূর্ববর্তী তাওরাত শরীফের আমি সত্যায়নকারী এবং আমি এমন একজন রসূল উনার সুসংবাদ দানকারী যিনি আমার পরে আগমন করবেন, উনার নাম মুবারক হচ্ছে আহমদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম !””

( সূরা ছফ ৬)

♦এ আয়াত শরীফ উনার পরিপ্রেক্ষিতে স্বয়ং হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজের মীলদ শরীফ সম্পর্কে বলেন–

” আমি তোমাদের আমার পূর্বের কিছু কথা জানাবো! তা হলো- আমি হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম উনার দোয়া আমি হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম উনার সুসংবাদ ও আমার মাতার সুস্বপ্ন ! আমার বিলাদতের সময় আমার মাতা দেখতে পান যে, একখানা নূর মোবারক বের হয়ে শাম দেশের রাজ প্রসাদ সমূহ আলোকিত করে ফেলেছে !””

দলীল-
√ মুসনাদে আহমদ ৪র্থ খন্ড ২৭ পৃষ্ঠা !

√ মুস্তদরেকে হাকিম ২য় খন্ড ৬০১ পৃ।

♦♦♦হাদিসের আলোকে মিলাদুন্নবী (সা) ♦♦♦

এর চাইতে উতকৃষ্ট প্রমান কোন হাদিসে আর নেই।এখানে স্পষ্ট যে মীলাদুন্নবী (সা) এ খুশি হলে কাফিরও আজাব থেকে কিছু হলেও মুক্তি পায় আর মীলাদুন্নবীর দান বৃথা যায় না।

কোন কাফির কে আল্লাহ শাস্তি মাফ করেন নি করবেন ও না কিন্তু যেই আবু লাহাবের বিরোদ্ধে কুরআন নাজিল হয়েছে সেই আবু লাহাবও মীলাদুন্নবীর খুশিতে পুরষ্কার পাওয়ার হাদিসটি:-

বুখারী শরীফে উল্লেখিত ঘটনাটি না বললেই নয়,

হযরত অরওয়া ইবনে জুবায়ের (রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু) বলেন,
সুহাইবাহ আবু লাহাবের দাসী ছিল। আবু লাহাব ওনার কাছে থেকে (রাসুল সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম) এর বেলাদাতের (অর্থাৎ মিলাদুন্নবীর ) সুসংবাদ প্রাপ্ত হয়ে (মিলাদুন্নবীর খুশিতে) সুহাইবাহ কে আযাদ করে দিয়েছিল।যখন আবু লাহাব মৃত্যুবরণ করেছিল তখন (এক বছর পর) তার ঘনিষ্ঠদের কেউ (হযরত আব্বাস রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু) তাকে স্বপ্নে শোচনীয় অবস্থায় দেখে তার উদ্দেশে বলেন, “তোমার অবস্থা কেমন?” আবু লাহাব উত্তরে বলল, “তোমাদের নিকট থেকে আসার পর আমি কোন প্রকার শান্তি পাইনি,কেবল যে দিন (রাসুলুল্লাহ (দ.) জন্ম হওয়ার খুশিতে অর্থাৎ মিলাদুন্নবীর খুশিতে ) সুহাইবাকে (তর্জনী ও মধ্যমা দু’টি আঙ্গুলের ইশারায়) আযাদ করে দিয়েছিলাম, ঐ কারনে (প্রতি সোমবার) আংগুল দুটির মধ্যে কিছু পানি জমে আমি ঐ পানি (চুষে) পান করে থাকি ও প্রতি সোমবার (জাহান্নামের কঠিন) আযাবকে হাল্কাবোধ করে থাকি।”

Reference :-

♦This hadith is also recorded in these :-

♦Masnad Ahmed : Hadith 25953 under the heading of لو كانت تحل لي لما تزوجتها قد أرضعتني وأباها ثويبة مولاة بني هاشم فلا تعرضن علي أخواتكن ولا بناتكن and again in Hadith 26865 with matan of
ابنة أخي من الرضاعة وأرضعتني وأبا سلمة ثويبة فلا تعرضن علي بناتكن ولا أخواتكن

♦Al-Sunnan Al Kubra (li Nisai): Hadith 5394/5395

♦Al Nisai’ al-Sughra : Hadith Nob 3287/3284/3285/3286

♦Sunnan Ibne Majah: Hadith 1939 Under the heading of ( ابنة أخي من الرضاعة أرضعتني وأباها ثويبة فلا تعرضن علي أخواتكن ولا بناتكن)

♦Sahih Muslim: Hadith Nob.1451(2634), 1451(2635) under the same matan

♦Sahih ibne Hibban: Hadith Nob, 4110 (4199), 4111(4200), the matan of hadith is إن زينب تحرم علي وإنها في حجري وأرضعتني وإياها ثويبة فلا تعرضن علي بناتكن ولا أخواتكن ولا عماتكن ولا خالاتكن ولا أمهاتكن
اطراف الحدیث

♦Sahih al Bukhari Sharif : 2644/2645/2646/3105/4796/5099/5100/5101/5103/5106/5107/5124/5133/5239/5372/6156/

♦Sunan Kubra by Imam Baihaqi, The Book of Nikah.

♦Jame Ul Ahadith Wal Maraseel, Masaneed us Sahabah, Hadith no. 43545

♦Kanzul ‘Ummal Vol 6, Hadith no. 15725

♦Musannaf Abdul Razzaq, Vol 7, Hadith no. 13546.

♦Imam A’aini (ra) in his book “Umdatul Qari, Vol: 14,Page. No. 45;

♦Imam Ibn Kathir in “Seerat un Nabawiyyah” (vol. 1 pg 224)

♦Sharh Zurqani, Vol 1, Pg. no. 261

♦Subul ul Huda war Rashad Vol 1 Pg. no. 367.

♦Imam Ibn Asqalani in “Fath al bari”

♦ibn al-Qayyim : [Tuhfat al-Mawdud bi Ahkam al-Mawlud, p.19]

♦Ibn ‘Abd al-Wahhab, M., Mukhtasar Sirat ar-Rasul, ‘Milad an-Nabi’

বুখারী শরীফে উক্ত হাদীসের পৃষ্ঠায় শেষের দিকে এ হাদীসের পাদটীকায় বর্ণিত আছে,সুহাইবাহ আবু লাহাবকে রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম) এর জন্মের সুসংবাদ দেয়ার কারনে আবু লাহাব তাকে আযাদ করে দিয়েছিল। অতঃপর এ আযাদ করাটা (পরকালে) আবু লাহাবের উপকার এসেছে। এ কাজ তার উপকারে আসার অর্থ হল তার এ করম প্রিয়নবী (সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম) এর বরকতে অবশিষ্ট ছিল। অন্যান্য কাজের নেয় বিনষ্ট হয়ে যায়নি।

হাফেয ইবনে হাজর আসকালানী (রহ:)- বলেন, ”

সম্ভবতঃ উল্লেখিত বর্ণনাটি হযরত আব্বাস (রা:)-এর দেখা স্বপ্নের, যা’তে তিনি মৃত আবূ লাহাবকে সোমবার দিন আযাব থেকে রেহাই পেতে দেখেছিলেন। মহানবী (দ:)-এর বেলাদাতের সময় সে তার দাসী (সোয়াইবিয়া)-কে ওই খোশ-খবরী নিয়ে আসার জন্যে মুক্ত করে দিয়েছিল।

Reference :-
♦Musanaf Abdur Razzaq Vol 7 Page 478

♦Shoib Ul Iman lil baihaqi Vol 1 Page 261

♦Dalil Un Nabuwah Vol 1 page 150

♦Allama Abul Qasim Suhaili ne Al Rauz ul Unf Vol 192

♦Hafiz Ibne Kathir Ne Serat Nabwiya Vol 1 Page 224

♦Al Bidaya Wan nihaya Vol 2 page 332

♦Imam Bagwi Ne Sharah Sunnah Vol 9 page 95

♦Madari jun Nabuwah Vol 2 page 19

♦Muwahibul Laduniya Vol 1 Page 27

♦Hafiz Nasiruddin Damishqi Ne Maurd ul Sawdi Fee Mauldul Hadi Al Hadi Vol 1 Page 197

♦Deobandiyoun ke Peshwaa Anwar Shah Kashmiri ne Faizul Bari Vol 4 Page 278

♦Gair Muqalid aur Deobandiyoun ke peshwa Abdullah Bin Muhammed bin Abdul Wahab Najdi Ne Mukhtasar Seerat e Rasul Page 13 par Bhee Darj Kiyaa hai

♦Aur Dounou ke Peshwa
Ibne Qayim ne Tahfatul Maulood Ba hukaamul Maulood Page 19
♦Ibrahim Sialkotvi Ne Seerat e Mustafa page 153 (Hashiya).

♦তারীখে ইয়াকুবী ১ম খন্ড ৩৬২ পৃষ্ঠা !

♦ফতহুল বারী শরহে বুখারী ৯ম খন্ড ১১৮ পৃষ্ঠা !

ইবনে জাওজী বলেন, “যখন ঐ আবু লাহাব কাফির,যার তিরস্কারে কোরআনে সূরা নাজিল হয়েছে। মিলদুন্নাবী (দ.) এ আনন্দ প্রকাশের কারনে জাহান্নামে পুরস্কৃত হয়েছে। এখন উম্মতে মুহাম্মাদী (সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম) এর ঐ একত্ববাদী মুসলমানের কি অবস্থা,যে নবী কারীম (সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম) এর বেলাদাতে খুশি হয় এবং রাসুল (দ.) এর ভালবাসায় তার সাধ্যনুযায়ী খরচ করে!(আল্লাহ মহাপুরষ্কারদাতা)

মিলাদুন্নবী صلى الله عليه و آله وسلم সুন্নতে রাসুল :-

বিশুদ্ধ হাদীস শরীফে বর্নিত আছে,
ﺱﺀﻝ ﺭﺳﻮﻝ ﺻﻠﻲ ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ ﻋﻦ ﺻﻮﻡ ﺍﻻﺛﻨﻴﻦ ﻓﻘﺎﻝ
ﻓﻴﻪ ﻭﻟﺪﺕ ﻭﻓﻴﻪ ﺍﻧﺰﻝ ﻋﻠﻲ ﻭﺣﻲ

অর্থ: হযরত আবু কাতাদা আনসারী রাদ্বিয়াল্লাহু
থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,
একদা হুযূরপাপক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
উনাকে সোমবারে রোযা রাখার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলো, তখন হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
বলেন যে, এদিন আমি জন্মগ্রহন করেছি (অর্থাৎ আমার মিলাদ) , আর এদিনই আমার উপর
ওহী বা কুরআন শরীফ নাজিল হয়েছে।”

Reference :-

√সহীহ মুসলিম,হাদীছ শরীফ নং-২৮০৭
√সুনানে আবু দাউদ, হাদীছ শরীফ
নং-২৪২৮
√ সুনানে ইমাম বায়হাকী তাঁর ‘সুনান আল-কুবরা’ (৪র্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা ৩০০, হাদীস নং ৮১৮২, ৮২৫৯)
√ সহীহ ইবনে খুজাইমা, হাদীছ শরীফ
নং-২১১৭
√ মুসনাদে আবি আওয়ানা, হাদীছ শরীফ
নং-২৯২৬
√ মুসনাদে আহমাদ, হাদীছ শরীফ
নং-২২৫৫০ !
√ইমাম নাসাঈ নিজ ‘সুনান নাসাঈ
√ মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক ৪র্থ খন্ড ২৯৬পৃ:
√ হিলিয়াতুল আউলিয়া ৯ম খন্ড ৫২ পৃ:

হাদিস হতে প্রমাণিত স্বয়ং হুযুর নিজের
বিলাদত শরীফের (মিলাদুন্নবীর) খুশিতে (আল্লাহর শুকরিয়া জ্ঞাপনের) উদ্দেশ্যে ছাগল
যবেহ করেছিলেন ।”

Reference :-

√ ৯ম শতাব্দীর মুজাদ্দিদ ইমাম সুয়ুতী আল হাবিলুল ফাতোয়া ১ম
খন্ড ১৯৬ পৃষ্ঠা।
√ ইমাম সুয়ুতী হুসনুন মাকাসিদ ফি আমালিল মওলিদ
৬৫ পৃষ্ঠা
√ ইমাম নাবহানী (রহ) হুজ্জাতুল্লাহে আলাল আলামীন ২৩৭
পৃষ্ঠা।

অপর হাদীস শরীফে বর্নিত আছে, হযরত
আব্দুল মুত্তালিব আলাইহিস হুজুর পাক
ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
উনার বিলাদত শরীফের সপ্তম দিনে পশু
জবাই করে আক্বীকা করেছেন !'”

Reference :-

√ খাসায়েছুল কুবরা ১ম খন্ড ৮৫ পৃষ্ঠ।

♦হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা:) বর্ণনা করেন: রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মদীনায় এসে দেখেন যে সেখানকার ইহুদীরা ১০ই মুহররম তারিখে রোযা রাখছেন। এ ব্যাপারে তাদের জিজ্ঞেস করা হলে তারা উত্তরে বলেন, ‘এই দিনটিতেই মূসা (আ:) ও বনী ইসরাইল বংশ ফেরাউনের ওপর বিজয় লাভ করেন। তাই আমরা এর মহিমা সমুন্নত রাখতে রোযা পালন করে থাকি।’ অতঃপর মহানবী (ﷺ) বলেন, ‘মূসা (আ:)-এর ওপর তোমাদের চেয়ে আমরা বেশি হক্কদার।’ এমতাবস্থায় তিনি মুসলমানদেরকে রোযা রাখার আদেশ করেন।

Reference :-

খণ্ড-২, পৃষ্ঠা-১৪৭, হাদীস নম্বর-১১৩০ (সহীহ মুসলিম, দারুল কুতাব আল-ইলমিয়্যাহ)

ইসা (আ) এর মিলাদ বর্ননা:-

♦হযরত আনাস বিন মালিক (রা:) বর্ণনা করেন যে মহানবী (ﷺ) তাঁর মে’রাজে গমন সম্পর্কে ব্যাখ্যাকালে বলেন, জিবরীল আমীন (আ:) বেথলেহেমে আমাকে বোরাক থেকে নেমে দোয়া করতে অনুরোধ করেন, যা করা হলে তিনি বলেন: ’এয়া রাসূলাল্লাহ (ﷺ) আপনি কোথায় দোয়া করেছেন তা জানেন কি? আপনি বেথলেহেমে দোয়া করেছেন, যেখানে ঈসা (আ:)-এর জন্ম হয়েছিল।’

ইমাম বায়হাকী (রহ:) এই হাদীসটি অপর এক সাহাবী হযরত শাদ্দাদ বিন আওস (রা:) থেকে ভিন্ন এসনাদে বর্ণনা করেন। বর্ণনাশেষে তিনি বলেন, ‘এর এসনাদ (সনদ) সহীহ।’

Reference :-

[আল-বায়হাকী কৃত ’দালাইল আন্ নবুওয়াহ’, (২/৩৫৫-৩৫৬)]
খণ্ড-১, পৃষ্ঠা নম্বর-২৪১, হাদীস নম্বর-৪৪৮ (সুনান আন্ নাসাঈ)

রাসুল (সা) এর নিজ ভাষায় মিলাদুন্নবী ( বংশ পরিচয়) বর্ননা :-

قال العباس بلغه صلى الله عليه وسلم بعض ما يقول الناس قال فصعد المنبر فقال من أنا قالوا أنت رسول الله فقال أنا محمد بن عبد الله بن عبد المطلب إن الله خلق الخلق فجعلني في خير خلقه وجعلهم فرقتين فجعلني في خير فرقة وخلق القبائل فجعلني في خير قبيلة وجعلهم بيوتا فجعلني في خيرهم بيتا فأنا خيركم بيتا وخيركم نفسا-1/169، رقم الحديث-3532

অনুবাদ-হযরত আব্বাস বিন আব্দুল মুত্তালিব রাঃ বলেন-রাসূল সাঃ [একবার কোন কারণে] মিম্বরে দাঁড়িয়ে [সমবেত লোকদেরকে] জিজ্ঞেস করলেন-আমি কে? সাহাবীগণ বললেন-আপনি আল্লাহর রাসূল, আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক। তখন তিনি বললেন-আমি আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল মুত্তালিবের ছেলে মুহাম্মদ। আল্লাহ তাআলা তামাম মাখলূক সৃষ্টি করে আমাকে সর্বোত্তম সৃষ্টির অন্তর্ভূক্ত করেছেন [অর্থাৎ মানুষ বানিয়েছেন]। এরপর তাদেরকে দু’ভাগে [আরব ও অনারব] বিভক্ত করে আমাকে উত্তম ভাগে [আরবে] রেখেছেন এবং আমাকে তাদের মধ্যে সর্বোত্তম গোত্রে পাঠিয়েছেন। এরপর সে গোত্রকে বিভিন্ন পরিবারে বিভক্ত করেছেন এবং আমাকে সর্বোত্তম পরিবারে প্রেরণ করেছেন। সুতরাং আমি ব্যক্তি ও বংশ সর্বদিক থেকে তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম।

Reference :-

♦সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং-৩৫৩২,
♦মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-১৭৮৮,
♦আল মু’জামুল কাবীর, হাদীস নং-৬৭৫,
♦মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস নং-৩২২৯৬

♦মেশকাত শরীফ, পৃষ্ঠা নং-৫১৩]
♦দালায়েলুল নবুওত বায়হাকী ১ম খন্ড ১৬৯ পৃ,
♦কানযুল উম্মাল ২য় খন্ড ১৭৫ পৃঃ]

অপর হাদিসে আছে:-

” নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালামের বংশধর হতে হযরত কিনানা আলাইহিস সালামকে মনোনীত করেছেন,

এরপর কিনানা আলাইহিস সালামের
বংশধর হতে কুরাইশকে মনোনীত করেছেন ।

কুরাইশের বংশধর হতে বনী হাশিমকে মনোনীত করেছেন,
আর বনী হাশিম থেকে আমাকে (হুজুর
পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মনোনীত করেছেন ।”

Reference :-

√ মুসলিম শরীফ ২য় খন্ড ২৪৫ পৃষ্ঠা- হাদীস
২২৭৬
√ তিরমীযি শরীফ ২য় খন্ড ২০১ পৃষ্ঠা-
হাদীস ৩৬০৫ ।

হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজের
মীলদ শরীফ বর্ননা সম্পর্কে বলেন :-

” আমি তোমাদের আমার পূর্বের কিছু
কথা জানাবো! তা হলো-
আমি হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালামের
দোয়া আর হযরত ঈসা আলাইহিস সালামের ওনার জাতিকে দেয়া সুসংবাদ ও আমার আন্মাজানের (স্বপ্নে) দেখা সেই নূর যা ওনার দেহ থেকে বেরিয়ে শাম দেশের প্রাসাদ সমুহকে আলোকিত করেছিল.. ”

Reference :-

Book: Miskatul Masabih
page: 513

Book: Kanjul Ummal
Part: 11
Page: 173

From: Ibne Hibban
Book: Shahih ibne hibban
Volume: 9
Page: 106

From: Ibn al-Jawzi
Book: al-Wafa’
Page: 91,
chapter: 21 of Bidayat nabiyyina sallallahu `alayhi wa sallam

From: Imam Haythami
Book: Majma` al-zawa’id (8:221/409)

From: Al Haakim,
Book: Al mustadrak,
Volume :002,
Page No. 615-616/ 705/724
References of Hadith number 4233
or V:3 page: 27

From: Imam Ahamad
Book: Musnade Ahamad
volume: 4
page: 127
Hadith: 16701

From : Ibn e Sa’d
Book : Tabqaat Al Kubra
Volume : 1
Page : 150

From : Bayhaqi
Book : Dalaeel un Nubuwwah
Volume : 1
Page : 83
again 1:110 & 2:8

From : Ibn e ‘Asakir
Book : Tareekh Madeenat Damishq
Volume/page : 1:170 and 3:393

From : Qurtabi
Book : Jami’ Al Ahkaam Al quran
Volume : 2
Page : 131

From : Tabari
Book : jami’ Al Bayan
Volume : 1
Page : 556

From : Ibn e Katheer
Book : Tafseer Al Quran Al Azeem
Volume : 4
Page : 360-361

From : Samarqani
Book : Tafseer
Volume : 3
Page : 421

From : Tabarai
Book : Tareekh Al Umam wal Mulook
Volume : 1
Page : 458

From : Ibn e Ishaaq
Book : Seerat An Nabwiyyah
Volume : 1
Page : 28

From : Ibn e Hisham
Book : Seerat An Nabwiyyah
Volume : 1
Page : 302

Book: Al-Bidaya wan Nehaya
Volume : 2
page: 321

Book: Musnade Afzar
Hadith: 2365

Book: Tafsire Dor’re Monsor
volume : 1
page: 334

Book: Maoware dul
zamman
volume:1
pagepage:512

From : Halabi
Book : Seerat Al Halabiyyah
Volume : 1
Page : 77

উম্মুল মুমেনিন হযরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বণর্না করেছেন যে,
রসুল পাক সাল্লাল্লাহু আলায়হে ওয়া সাল্লাম এবং আবুবকর সিদ্দিক রাদিয়াল্লাহু আনহু আমার নিকট নিজ নিজ মিলাদ শরীফের বণর্না করেছেন।

Reference :

♦ইমাম বায়হাকী এই বণর্না কে হাসান বলেছেন
♦আল যামুল কাবীর লিত তাবরাণী ১ম খন্ড ৫৮ পৃঃ,
♦মযমাঊল যাওয়াঈদ ৯ম খন্ড ৬৩ পৃঃ

ইমাম বায়হাকী (রহ) তার সুনানে বায়হাকী (এটা সহীহ হাদিস এর অন্যান্য প্রসিদ্ধ কিতাবের মধ্যে উল্লেখ্য যোগ্য একটা কিতাব) মীলাদুন্নবীর অনেক বর্ননা করেছেন তা থেকে এবং আরো কিছু কিতাব থেকে এ সম্পর্কে কিছু হাদিস দেয়া হল।এইগুলো সব মীলাদুন্নবীর উত্তম নিদর্শন:-

♦ মা আমেনা বলেন তার জন্মলগ্নের পরমুর্হূতেই এতটা নূর
প্রকাশিত হল যার আলোতে র্পুব ও পশ্চিম প্রান্তের সব কিছু
আলোকিত হয় । যার আলোতে সিরিয়ার শাহী মহল
মা আমেনা দেখতে পান ।
(বায়হাকি, ১ম থন্ড,পৃঃ৮০ , মুসনাদে আহমদ , ৪/১২৭পৃঃ)

♦ফাতিমা বিন সুলায়মান বর্ননা করেন যে, প্রিয় নবী (সাﷺ) এর
বিলাদাতের সময় আমি দেখতে পেলাম যে, বায়তুল্লাহ নূরের
জ্যোতিতে জ্যোর্তিময় হয়ে উঠল এবং তারকারাজি জমীনের এত
নিকটর্বতী হয়ে এল যে , আমার ধারনা হতে লাগল এগুলো আমার
উপর এসে পড়বে,
(বায়হাকি, নেহায়াতুল আরব, ১/৭৬ পৃঃ)

♦পারস্য সম্রাট কিসরার রাজ প্রসাদের ১৪টি গম্বুজ ভেঙ্গে পড়ে,
এবং পারস্যের অর্ণিবান শিখা যা এক হাজার বছর পর্যন্ত এক
মুহূর্তের জন্যও নিভেনি , রাসূলে করিম সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম – এর বিলাদাতের মুর্হুতে তা নিভে যায় ।
(বায়হাকি , ১২৬ পৃঃ)

♦হযরত আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু হতে বর্ণিত। নিশ্চয়ই রাসুলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেন- মহান আল্লাহর পক্ষ হতে আমার জন্য একটি বিশেষ মর্যাদা হলো, আমি খতনাকৃত অবস্থায় জন্মগ্রহণ করেছি। তাই আমার লজ্জাস্থান অন্য কেউ দেখেনি।
(মাওয়াহিবে লাদুন্নিয়া, শরহে জুরকানী ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা নং-২৩২)

♦হযরত আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেন , রাসূলে খোদা সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম খতনা অবস্থায় দুনিয়ায় তাশরিফ আনেন ।
( নেহায়াতুল আরব ১/৭৭ পৃঃ)

মিলাদুন্নবী صلى الله عليه و آله وسلم বর্ননা সুন্নতে সাহাবা :-

♦মিলাদুন্নবী (দ.) আলোচনা করা সাহাবী (রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহুম)’দের সুন্নাত।

যেমন,ইমাম আবু ঈসা মুহাম্মদ তিরমিযী (রাহমাতুল্লাহি আলায়হি) তাঁর “সুনানে তিরমিযী” শরীফে ‘মীলাদুন্নবী(দ.) শিরোনামে একটি অধ্যায় প্রণয়ন করেছেন যেখানে রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওসাল্লাম) এর জন্ম তারিখ নিয়ে আলোচনা সম্বলিত হাদীস বর্ণনা করেছেন,হাদীস্তি হল-
হযরত মত্তালিব বিন আবদুল্লাহ আপন দাদা কয়েছ বিন মোখরামা হতে বর্ণনা করেছেন,তিনি বলেছেন-আমি ও নবী (সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম) ‘আমুল ফীল’ অর্থাৎ-বাদশাহ আব্রাহার হস্তি বাহিনীর উপর আল্লাহর গযব নাজিল হওয়ার বছর জন্মগ্রহন করেছি। হযরত ওসমান বিন আফফান (রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু)বনি ইয়ামর ইবনে লাইস’এর ভাই কুবাছ ইবনে আশইয়াম কে বললেন, “আপনি বড় না রাসুল (দ.)?” তখন তিনি বললেন, “রাসুল আমার চেয়ে অনেক বড় সম্মান ও মর্যাদার দিক থেকে আর আমি জন্ম সুত্রে রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম) থেকে আগে মাত্র।” (তিরমিযী,২য় খণ্ড পৃষ্ঠা নং-২০৩)

♦রাসূলে খোদা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুনিয়ায় আগমনের
সময় কোন প্রকার অপবিত্র বস্তু শরীরে ছিল না । পূতপবিত্র
অবস্থায় দুনিয়ায় এসেছেন ।
( নেহায়াতুল আরব ১/৭৬ পৃঃ)

♦নূরে খোদা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মায়ের পেট থেকেই
নাভি কাটা অবস্থায় দুনিয়ায় এসেছেন
(সূরাবাদী ৪১৫ পৃঃ)

♦হযরত সুফিয়া (রাঃ) বলেন , তিনি দুনিয়ায় আগমন করার পর
ছেলে না মেয়ে এটা দেথতে চাইলাম হঠাৎ একটি নূর ওনার নীচের অংশ
ঢেকে ফেলে , তাতে আমরা কেউ ওনার লজ্জা স্থান দেখতে পাইনি ।
তিনি আরও বলেন তখনও ভোর হয়নি হঠাৎ দেখি পুরো ঘর আলোকিত
হয়ে আছে,
বাহিরে এসে দেখি সমগ্র জাহান নূরনবী সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর নূরে আলোকিত হয়ে আছে ।
(বায়হাকি )

হযরত আল্লামা জালাল উদ্দীন সূয়ুতী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি।

♦উনার সম্পর্কে বলা আছে —

رايت رسول الله صلي الله عليه و سلم في اليقظة بضعا و سبعين مرة

অর্থ : হযরত জালালুদ্দীন সূয়ুতী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, আমি আখেরী রসূল হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে জাগ্রত অবস্থায় সত্তর বারের বেশি দেখেছি !”

দলীল-
√ আল ইয়াকীতু ওয়াল জাওয়াহের ১ম খন্ড ১৩২ পৃষ্ঠা !

√ দালায়িলুছ ছুলুক

♦ তিনি এই দুই খানা হাদীস শরীফ বর্ণনা করেছেন:-

ﻋَﻦْ ﺍَﺑِﻰ ﺍﻟﺪَّﺭْﺩَﺍﺀِ ﺭَﺿِﻰَ ﺍﻟﻠﻪُ ﺗَﻌَﺎﻟٰﻰ ﻋَﻨْﻪُ ﺍَﻧَّﻪﻣَﺮَّ ﻣَﻊَ ﺍﻟﻨَّﺒِﻰِّ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺍِﻟٰﻰﺑَﻴْﺖِ ﻋَﺎﻣِﺮِ ﺍﻻَﻧْﺼَﺎﺭِﻯِّ ﻭَﻛَﺎﻥَ ﻳُﻌَﻠِّﻢُ ﻭَﻗَﺎﺋِﻊَﻭِﻻﺩَﺗِﻪ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻻَﺑْﻨَﺎﺋِﻪﻭَﻋَﺸِﻴْﺮَﺗِﻪ ﻭَﻳَﻘُﻮْﻝُ ﻫٰﺬَﺍ ﺍﻟْﻴَﻮْﻡَ ﻫٰﺬَﺍ ﺍﻟْﻴَﻮْﻡَﻓَﻘَﺎﻝَ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﺍﻟﺼَّﻠٰﻮﺓُ ﻭَﺍﻟﺴَّﻼﻡُ ﺍِﻥَّ ﺍﻟﻠﻪَ ﻓَﺘَﺢَﻟَﻚَ ﺍَﺑْﻮَﺍﺏَ ﺍﻟﺮَّﺣْﻤَﺔِ ﻭَﺍﻟْﻤَﻼﺋِﻜَﺔُ ﻛُﻠُّﻬُﻢْﻳَﺴْﺘَﻐْﻔِﺮُﻭْﻥَ ﻟَﻚَ ﻣَﻦْ ﻓَﻌَﻞَ ﻓِﻌْﻠَﻚَ ﻧَﺠٰﻰﻧَﺠٰﺘَﻚَ

অর্থ: হযরত আবু দারদা রদ্বিয়াল্লাহুতায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিতআছে যে, একদা তিনি রসূলে পাকছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামউনার সাথে হযরত আমিরআনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুউনার গৃহে উপস্থিত হয়ে দেখতে পেলেনযে, তিনি বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করে উনার সন্তানাদি এবং আত্মীয়-স্বজন,জ্ঞাতি-গোষ্ঠী, পাড়া-প্রতিবেশীদেরকে নিয়ে আখিরী রসূল হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ-এর ঘটনাসমূহ শুনাচ্ছেন এবং বলছেন, এই দিবস; এই দিবস (অর্থাৎ এই দিবসে রসূলুল্লাহছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামতিনি যমীনে তাশরীফ এনেছেন এবং ইত্যাদি ইত্যাদি ঘটেছে)। বিলাদত শরীফ-এর ঘটনাবলী শ্রবণ করে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অত্যন্ত খুশি হয়ে বললেন, “নিশ্চয়ই
আল্লাহতায়ালা তিনি উনার রহমতের দরজা আপনার জন্য উন্মুক্ত করেছেন এবং সমস্ত ফেরেশতাগণ উনারা আপনারজন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছেন এবং যে কেউ আপনার মতো এরূপ কাজকরবে, সেও আপনার মতো নাজাত(ফযীলত) লাভ করবে।”
সুবহানাল্লাহ!

ﻋَﻦْ ﺍِﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ ﺭَﺿِﻰَ ﺍﻟﻠﻪُ ﺗَﻌَﺎﻟٰﻰ ﻋَﻨْﻬُﻤَﺎ ﺍَﻧَّﻪٗﻛَﺎﻥَ ﻳُﺤَﺪِّﺙُ ﺫَﺍﺕَ ﻳَﻮْﻡٍ ﻓِﻰْ ﺑَﻴْﺘِﻪٖ ﻭَﻗَﺎﺋِﻊَﻭِﻻﺩَﺗِﻪٖ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻟِﻘَﻮْﻡٍ ،ﻓَﻴَﺴْﺘَﺒْﺸِﺮُﻭَﻥْ ﻭَﻳُﺤَﻤِّﺪُﻭْﻥَ ﺍﻟﻠﻪَ ﻭَﻳُﺼَﻠُّﻮْﻥَﻋَﻠَﻴْﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻓَﺎِﺫَﺍ ﺟَﺎﺀَﺍﻟﻨَّﺒِﻰُّ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻝَ ﺣَﻠَّﺖْﻟَﻜُﻢْ ﺷَﻔَﺎﻋَﺘِﻰْ

অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি একদা বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করে উনার নিজ গৃহে ছাহাবীগণকে সমবেত করে আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ-এর ঘটনাসমূহ শুনাচ্ছিলেন। এতে শ্রবণকারীগণ আনন্দও খুশি প্রকাশ করছিলেন এবং আল্লাহপাক উনার প্রশংসা তথা তাসবীহ-তাহলীল পাঠ করছিলেন এবং আল্লাহপাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপর (ছলাত-সালাম) দুরূদ শরীফ পাঠকরছিলেন। এমন সময় রসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথায় উপস্থিত হয়ে বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করতে দেখে বললেন: “আপনাদের জন্য আমার শাফায়াত ওয়াজিব হয়ে গেলো।”

সুবহানাল্লাহ! ! !

দলীল—
♦সুবুলুলহুদা ফী মাওলিদিল মুস্তফা ছল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়া সাল্লাম- হযরত ইমামজালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
♦মাওলুদুল কবীর – হাফিযে হাদীস, ইমাম ইবনে হাযর মক্কী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
♦ আত তানভীর ফী মাওলিদিল বাশীর ওয়ান নাযার – শায়খ হাফিযে হাদীস আবিল খত্তাব ইবনে দাহিয়্যা রহমাতুল্লাহি আলাইহি
♦ দুররুল মুনাযযাম – সপ্তম অধ্যায় – প্রথম পরিচ্ছেদ
♦ইশবাউল কালাম
♦হাক্বীকতে মুহম্মদী মীলাদে আহমদী ৩৫৫ পৃষ্ঠা

♦মক্কা শরীফের প্রখ্যাত মুহাদ্দিস ,ইমামুল মুহাদ্দেসিন আল্লামা শিহাব উদ্দিন আহমদ ইবনে হাজার আল হায়তামী আশশাফেয়ী রহমাতুল্লাহি আলাইহি আলাইহি (যার জন্ম ৮৯৯ হিজরী, ইনতিকাল ৯৭৪ হিজরী) তার লিখিত “আন নেয়মাতুল কুবরা আলাল আলাম” কিতাবের মধ্যে নিম্নোক্ত হাদীস গুলো তিনি বর্ণনা করেন-

♦ সর্বশ্রেষ্ট সাহবী ও ইসলামের প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা) বলেন-

مَنْ اَنْفَقَ دِرْهَمًا عَلَى قِرا ةَ مَوْ لِدِ النَّبىُ صلي اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَان رفيقي فىِ الجَنّةِ

অর্থাৎ- “যে ব্যক্তি মীলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষ্যে এক দিরহাম খরচ করবে সে জান্নাতে আমার সঙ্গী হবে”।

দলীল-
√ আন নেয়মাতুল কুবরা আলাল আলাম, পৃষ্ঠা নং-৭

♦ দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর ফারুক (রা) বলেন-

مَنْ عَظَّمَ مَوْلِدِ النَّبِىُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَدْ َاحيا الاسْالاَمُ

অর্থাৎ- “যে ব্যক্তি মীলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে সম্মান করলো, সে অবশ্যই ইসলামকে জীবিত করলো”।

দলীল-
√আন নেয়মাতুল কুবরা আলাল আলাম, পৃষ্ঠা নং-৭

♦তৃতীয় খলিফা হযরত উসমান বিন আফফান (রা) বলেন –

مَنْ اَنْفَقَ دِرْهَمًا عَلَى قرأة مَوْلِدِ النَّبِىُ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمْ فَكَا نَّمَا ثَهِيد غَزُوَةِ بَدَر َوحُنَيْنُ

অর্থাৎ- “যে ব্যক্তি মীলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পাঠ করার জন্য এক দিরহাম খরচ করল- সে যেন বদর ও হুনাইন জিহাদে শরীক হলো”।

দলীল-
√আন নেয়মাতুল কুবরা আলাল আলাম, পৃষ্ঠা নং-৮

♦চুতর্থ খলিফা হযরত আলি (রা) বলেন :-

مَنْ عَظَّمَ مَوْ لِدِ النَّبِى صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَ سَلَّمَ وَكَانَ سَبَبَا لِقرا ته لا يَخرج مِنَ الدُّنْيَا اِلا َّبِالاِ يْمَانِ وَيَدْخُلُ الجَنَّهَ بِغَيْرِ حِسَاب

অর্থাৎ- “যে ব্যক্তি মীলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনাকে সম্মান করবে হবে সে ঈমানের সাথে মৃত্যুবরণ করবে এবং বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে”।

দলীল-
√আন নেয়মাতুল কুবরা আলাল আলাম, পৃষ্ঠা নং-৮

♦আল্লামা ইউসুফ নাবহানী রহমাতুল্লাহি আলাইহি তাঁর ‘জাওয়াহেরুল বিহার’ এর গ্রন্থে ৩য় খন্ডের ৩৫০ পৃষ্ঠায় উপরে উল্লিখিত বর্ণনা উপস্থাপন করে বলেছেন যে, আমার উপরোক্ত হাদীস সমূহের সনদ জানা রয়েছে। কিন্তু
কিতাব বড় হয়ে যাবার আশংকায় আমি সেগুলো অত্র কিতাবে উল্লেখ করিনি।

♦আল্লামা ইবন হাজর হায়তামী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার নির্ভরতা প্রশ্নাতীত। তাঁর উক্ত কিতাবের উপর বহু শরাহ লিখা হয়েছে। তন্মধ্যে আল্লামা দাউদী রহমাতুল্লাহি আলাইহি ও আল্লামা সাইয়িদ আহমদ আবেদীন দামেস্কি রহমাতুল্লাহি আলাইহি অন্যতম। উনার রিওয়াতকৃত উপরোক্ত বর্ণনা দ্বারা প্রমাণীত হল যে, খোলাফায়ে রাশেদীনের যুগেও মিলাদুন্নাবী চালু ছিল এবং তারাও এর জন্য অন্যকে তাগীদ করেছেন।

♦হযরত খুরাইম বিন আউস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তাবুক থেকে ফেরার পর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট আমি গমন করলাম অতঃপর তাঁর নিকট ইসলাম গ্রহণ করলাম। তখন আমি হযরত আব্বাস বিন আব্দিল মুত্তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনলাম,ইয়া রাসুলাল্লাহ, আমি আপনার প্রশংসা করতে চাই।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন,
বলুন। আল্লাহ যেন আপনার মুখকে দন্তহীন না করেন।
অর্থাৎ আল্লাহ আপনাকে সে তাওফিক দান করুন।
তখন আব্বাস বিন আব্দিল মুত্তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলতে শুরু করলেন,
ওয়া আনতা লাম্মা উলিদতা আশরাক্বাতিল আরদ্বু
ওয়া দ্বা–আত বিনূ—রিকাল উফুক্বু’।

গদ্যানুবাদঃ
(ইয়া রাসুলাল্লাহ)
আপনি যখন দুনিয়াতে তাশরিফ এনেছিলেন (জন্ম লাভ করলেন),
পৃথিবী তখন আলোকিত হয়ে উঠেছিল।
আর আপনার নূরের ঝলকে উদভাসিত হয়ে গিয়েছিল দিগন্ত।
আর আমরা সেই নুর আর সেই আলোয় সঠিক পথেই পথ চলছি।

উল্লেখ্য,
হাফিযুল হাদীস ইমাম ইবনু হাজার আসকালানী রাহিমাহুল্লাহ বলেন, এই হাদীসটি হাসান।

সুতরাং, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চাচাজান হযরত আব্বাস বিন আব্দিল মুত্তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু নবীজীর শানে না’ত পরিবেশনের মাধ্যমে মীলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন করলেন। সুবহান আল্লাহ।

Reference :
♦ আল বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ, খন্ডঃ৩,
♦ইমাম ইবনু কাসির (রাহ);
♦আল-আমালী,
♦ইবনু হাজার আসকাকালানী

♦হাফিজে হাদীস হযরত আবু বকর
ইবনে আবী শায়বা রহমাতুল্লাহি আলাইহি যেটা বিশুদ্ধ
সনদে হাদীস শরীফে বর্ননা করেন-

ﻋﻦ ﻋﻔﺎﻥ ﻋﻦ ﺳﻌﻴﺪ ﺑﻦ ﻣﻴﻦ ﻋﻦ ﺟﺎﺑﺮ ﻭﺍﺑﻦ ﻋﺒﺎﺱ ﺭﺿﻲ
ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻬﻤﺎ ﻗﺎﻝ ﻭﻟﺪ ﺭﺳﻮﻝ ﺻﻠﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ ﻋﺎﻡ
ﺍﻟﻔﻴﻞ ﻳﻮﻡ ﺍﻻﺛﻨﻴﻦ ﺍﻟﺜﺎﻧﻲ ﻋﺸﺮ ﻣﻦ ﺷﻬﺮ ﺭﺑﻴﻊ ﺍﻻﻭﻝ

অর্থ : হযরত আফফান
রহমাতুল্লাহি আলাইহি হতে বর্নিত,তিনি হযরত
সাঈদ
ইবনে মীনা রহমাতুল্লাহি আলাইহি থেকে বর্ননা করেছেন
যে, হযরত জাবির ও হযরত ইবনে আব্বাস
রদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, হুজুর পাক
ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
উনার বিলাদত শরীফ
হস্তি বাহীনি বর্ষের ১২ই রবীউল
আউয়াল সোমবার শরীফ হয়েছিল। ”

Reference :-

√ মুছান্নাফ ইবনে আবী শায়বা
√ বুলুগুল আমানী শরহিল ফতহুর রব্বানী
√ আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া ।

সাহাবী হাসান বিন সাবিত (রা) এর মীলাদুন্নবী (সা) বর্ননা:-

সাহাবী কবি হযরত হাসসান বিন সাবেত (রাঃ) দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম এর উপস্থিতিতে তাঁর গৌরবগাঁথা পেশ করতেন এবং অন্যান্য সাহাবীগন সমবেত হয়ে শ্রবণ করতেন। হজরত হাসসানবিন সাবেত (রাঃ) মিলাদুন্নবী (সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম) বর্ণনা প্রসঙ্গে একখানি কবিতাগ্রন্থ লিখেছিলেন এবং হুজুর সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম কে শুনিয়েছিলেন পরবর্তীতে যার নামকরণ করা হয়েছিল “””””দিওয়ানে হাসসান বিন সাবেত”””””। তিনি লিখেনঃ

হে প্রিয় রাসুল। আপনি সর্ব প্রকার ত্রুতিমুক্ত হয়েই মাসুম নবী হিসেবে জন্মগ্রহণ করেছেন। মনে হয় যেন আপনার ইচ্ছা অনুযায়ীই আপনার বর্তমান সুরত পয়দা করা হয়েছে। মহান আল্লাহ্‌ আজানের মধ্যে আপন নামের সাথে নবীর নাম সংজজন করেছেন যখন মুয়াজ্জিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আজানে উচ্চারণ করেন আশহাদু আল লাইলাহা ইল্লাল্লাহ; আশহাদুয়ান্না মুহাম্মাদা রাসুলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম) ।“আর আল্লাহ্‌ আপন নামের অংশ দিয়ে তাঁর প্রিয় হাবীবের নাম রেখেছেন। আরশের অধিপতি হলেন “মাহমুদ’ এবং ইনে হলেন ‘মুহাম্মদ’।

♦হাদীস শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে–
ﻋﻦ ﺍﻟﻌﺮﺑﺎﺽ ﺑﻦ ﺳﺎﺭﻳﺔ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﻗﺎﻝ ﻗﺎﻝ ﺭﺳﻮﻝ ﺻﻠﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ ﻋﻠﻴﻜﻢ ﺑﺴﻨﺘﻲ ﻭ ﺳﻨﺔ ﺍﻟﺨﻠﻔﺎﺀ ﺍﻟﺮﺍﺷﺪﻳﻦ ﺍﻟﻤﻬﺪﻳﻦ ﺗﻤﺴﻜﻮﺍ ﺑﻬﺎ ﻭ ﻋﻀﻮﺍ ﻋﻠﻴﻬﺎ ﺑﺎﻟﻨﻮﺍﺟﺬ
অর্থ : হযরত ইরবায ইবনে সারিয়া রদ্বিয়াল্লাহু আনহুহতে বর্নিত, হুজুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ মুবারক করেন, তোমাদের জন্য আমার সুন্নত এবং আমার খুলাফায়ে রাশেদীন রদ্বিয়াল্লাহু আনহুন উনাদের সুন্নত অবশ্যই পালনীয় ! তোমরা তা মাড়ির দাঁত দিয়ে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরো !””
দলীল–
√ সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস শরীফ নং ৪২
√ তিরমিযী শরীফ, হাদীস শরীফ নং ২৬৭৬
√ আবু দাউদ শরীফ, হাদীস শরীফ নং ৪৬০৭
√ মুসনাদে আহমাদ শরীফ ৪/১২৬

♦হাফিজে হাদীস হযরত আবু বকর
ইবনে আবী শায়বা রহমাতুল্লাহি আলাইহি যেটা বিশুদ্ধ
সনদে হাদীস শরীফে বর্ননা করেন-
ﻋﻦ ﻋﻔﺎﻥ ﻋﻦ ﺳﻌﻴﺪ ﺑﻦ ﻣﻴﻦ ﻋﻦ ﺟﺎﺑﺮ ﻭﺍﺑﻦ ﻋﺒﺎﺱ ﺭﺿﻲ
ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻬﻤﺎ ﻗﺎﻝ ﻭﻟﺪ ﺭﺳﻮﻝ ﺻﻠﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ ﻋﺎﻡ
ﺍﻟﻔﻴﻞ ﻳﻮﻡ ﺍﻻﺛﻨﻴﻦ ﺍﻟﺜﺎﻧﻲ ﻋﺸﺮ ﻣﻦ ﺷﻬﺮ ﺭﺑﻴﻊ ﺍﻻﻭﻝ
অর্থ : হযরত আফফান
রহমাতুল্লাহি আলাইহি হতে বর্নিত,তিনি হযরত
সাঈদ
ইবনে মীনা রহমাতুল্লাহি আলাইহি থেকে বর্ননা করেছেন
যে, হযরত জাবির ও হযরত ইবনে আব্বাস
রদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, হুজুর পাক
ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
উনার বিলাদত শরীফ
হস্তি বাহীনি বর্ষের ১২ই রবীউল
আউয়াল সোমবার শরীফ হয়েছিল। ”
দলীল-
√ মুছান্নাফ ইবনে আবী শায়বা
√ বুলুগুল আমানী শরহিল ফতহুর রব্বানী
√ আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া ।

♦মুস্তাহিদ এক
বাক্যে ইজমা করেছেন-
ﺍﻥ ﺍﻟﺘﺮﺑﺔ ﺍﻟﺘﻲ ﺍﺗﺼﻠﺖ ﺍﻟﻲ ﺍﻋﻈﻢ ﺍﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ
ﻭ ﺳﻠﻢ ﺍﻓﻀﻞ ﻣﻦ ﺍﻻﺭﺽ ﻭﺍﻟﺴﻤﺎﺀ ﺣﺘﻲ ﺍﻟﻌﺮﺵ ﺍﻟﻌﻈﻴﻢ
অর্থ: হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শরীর
মুবারক উনার সাথে যে মাটি স্পর্শ
করেছে তা আসমান-জমিন, আরশ-কুরসির
চাইতেও শ্রেষ্ঠ।”
দলীল-
√ ফতোয়ায়ে শামী ৩য় খন্ড- কিতাবুল
যিয়ারত।

♦আরো উল্লেখ আছে-
ﻓﺎﻧﻪ ﺍﻓﻀﻞ ﻣﻄﻠﻖ ﺣﺘﻲ ﻣﻦ ﺍﻟﻜﻌﺒﺔ ﻭﺍﻋﺮﺵ ﻭﺍﻟﻜﺮﺳﻲ
অর্থ: হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সবকিছুর
চাইতে শ্রেষ্ঠ, এমনকি কা’বা শরীফ,
আরশে আযীম ও কুরসী হতেও!”
দলীল-
√ দূররুল মুখতার ১ম খন্ড ১৮৪পৃষ্ঠা ।

ইমাম,মুফাসসিরিন,মুহাদ্দিসিন,মুজাদ্দিনগনের মিলাদুন্নবী صلى الله عليه و آله وسلم বর্ননা ও এই সম্পর্কে আকিদা (অতীতেত বিভিন্ন বিখ্যাত কিতাব থেকে)।
বিশালভাবে এখানে আলোচনা করা হয়েছে:-

http://sunni-encyclopedia.blogspot.com/2015/01/blog-post_6.html?m=1

মিলাদুন্নবী সম্পর্কে আরো পড়ুন ও কিছু বই Download করে নিতে পারেন: :-

http://khasmujaddedia.wordpress.com/মীলাদ-১

http://www.islamicresurgence.org/aqaid/aqaid-bangla/haqiqat-e-milad/

http://www.mediafire.com/view/4r55b1576qch5iy/মীলাদুন্নবী-সম্পর্কিত_আহলুস্_সুন্নাহ’র_রায়_.pdf

http://www.mediafire.com/view/8wqy6n1r52wpzwx/মীলাদুন্নবী-সম্পর্কিত%20দুবাই%20ফতোওয়া.pdf

http://www.mediafire.com/view/d1q45bh431c5r03/মীলাদুন্নবী-সম্পর্কিত%20অস্ট্রেলীয়%20ফতোওয়া.pdf

http://www.mediafire.com/view/ohgc7e0341ey2qa/মীলাদুন্নবী%20সম্পর্কে%20হাশেমিয়া%20সোসাইটির%20ফতোওয়া.pdf

http://www.mediafire.com/view/8111x41sduqqnpm/মীলাদে%20কেয়াম%20প্রথা.pdf

http://www.mediafire.com/view/80f5x14ha8ckaex/মৌলূদে%20খায়রুল%20বারিয়াহ.pdf

http://www.mediafire.com/view/o0sik0ve78biv4g/হাকীকতে%20মোহাম্মদী%20ও%20মীলাদে%20আহমদী.pdf


রাসুল (সা) এর জন্মকালীন পবিত্র নিদর্শনসমুহই মীলাদুন্নবীর প্রমান :-

এইগুলো সব মীলাদুন্নবীর উত্তম নিদর্শন:-

১. মা আমেনা বলেন তার জন্মলগ্নের পরমুর্হূতেই এতটা নূর
প্রকাশিত হল যার আলোতে র্পুব ও পশ্চিম প্রান্তের সব কিছু
আলোকিত হয় । যার আলোতে সিরিয়ার শাহী মহল
মা আমেনা দেখতে পান ।
(বায়হাকি, ১ম থন্ড,পৃঃ৮০ , মুসনাদে আহমদ , ৪/১২৭পৃঃ)

২. ফাতিমা বিন সুলায়মান বর্ননা করেন যে, প্রিয় নবী (ﷺ) এর
বিলাদাতের সময় আমি দেখতে পেলাম যে, বায়তুল্লাহ নূরের
জ্যোতিতে জ্যোর্তিময় হয়ে উঠল এবং তারকারাজি জমীনের এত
নিকটর্বতী হয়ে এল যে , আমার ধারনা হতে লাগল এগুলো আমার
উপর এসে পড়বে,
(বায়হাকি, নেহায়াতুল আরব, ১/৭৬ পৃঃ)

৩. পারস্য সম্রাট কিসরার রাজ প্রসাদের ১৪টি গম্বুজ ভেঙ্গে পড়ে,
এবং পারস্যের অর্ণিবান শিখা যা এক হাজার বছর পর্যন্ত এক
মুহূর্তের জন্যও নিভেনি , রাসূলে করিম সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম – এর বিলাদাতের মুর্হুতে তা নিভে যায় ।
(বায়হাকি , ১২৬ পৃঃ)

৪. হযরত আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেন , রাসূলে খোদা সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম খতনা অবস্থায় দুনিয়ায় তাশরিফ আনেন ।
( নেহায়াতুল আরব ১/৭৭ পৃঃ)

৫.রাসূলে খোদা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুনিয়ায় আগমনের
সময় কোন প্রকার অপবিত্র বস্তু শরীরে ছিল না । পূতপবিত্র
অবস্থায় দুনিয়ায় এসেছেন ।
( নেহায়াতুল আরব ১/৭৬ পৃঃ)

৬.নূরে খোদা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মায়ের পেট থেকেই
নাভি কাটা অবস্থায় দুনিয়ায় এসেছেন
(সূরাবাদী ৪১৫ পৃঃ)

৭. হযরত সুফিয়া (রাঃ) বলেন , তিনি দুনিয়ায় আগমন করার পর
ছেলে না মেয়ে এটা দেথতে চাইলাম হঠাৎ একটি নূর ওনার নীচের অংশ
ঢেকে ফেলে , তাতে আমরা কেউ ওনার লজ্জা স্থান দেখতে পাইনি ।
তিনি আরও বলেন তখনও ভোর হয়নি হঠাৎ দেখি পুরো ঘর আলোকিত
হয়ে আছে,
বাহিরে এসে দেখি সমগ্র জাহান নূরনবী সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর নূরে আলোকিত হয়ে আছে ।
(বায়হাকি )

৮. হযরত খুরাইম বিন আউস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তাবুক থেকে ফেরার পর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট আমি গমন করলাম অতঃপর তাঁর নিকট ইসলাম গ্রহণ করলাম। তখন আমি হযরত আব্বাস বিন আব্দিল মুত্তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনলাম,

ইয়া রাসুলাল্লাহ, আমি আপনার প্রশংসা করতে চাই।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন,
বলুন। আল্লাহ যেন আপনার মুখকে দন্তহীন না করেন।
অর্থাৎ আল্লাহ আপনাকে সে তাওফিক দান করুন।
তখন আব্বাস বিন আব্দিল মুত্তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলতে শুরু করলেন,
ওয়া আনতা লাম্মা উলিদতা আশরাক্বাতিল আরদ্বু
ওয়া দ্বা–আত বিনূ—রিকাল উফুক্বু’।

গদ্যানুবাদঃ
(ইয়া রাসুলাল্লাহ)
আপনি যখন দুনিয়াতে তাশরিফ এনেছিলেন (জন্ম লাভ করলেন),
পৃথিবী তখন আলোকিত হয়ে উঠেছিল।
আর আপনার নূরের ঝলকে উদভাসিত হয়ে গিয়েছিল দিগন্ত।
আর আমরা সেই নুর আর সেই আলোয় সঠিক পথেই পথ চলছি।

উল্লেখ্য,
হাফিযুল হাদীস ইমাম ইবনু হাজার আসকালানী রাহিমাহুল্লাহ বলেন, এই হাদীসটি হাসান।

সুতরাং, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চাচাজান হযরত আব্বাস বিন আব্দিল মুত্তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু নবীজীর শানে না’ত পরিবেশনের মাধ্যমে মীলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন করলেন। সুবহান আল্লাহ।

[তথ্যসূত্রঃ আল বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ, খন্ডঃ৩, ইমাম ইবনু কাসির (রাহ); আল-আমালী, ইবনু হাজার আসকালানী (রাহ)]


রাসুলুল্লাহ صلى الله عليه و آله وسلم বেমিসাল মাখলুক (সৃষ্টি)- (Masum Billah Sunny)

Lecture: রাসুল (সা) কি আমাদের মত মানুষ?
By (Masum Billah Sunny)

বিশেষ সতর্কতা :- each line is linked with next line,each step is linked with next step so if u avoid any line u may missunderstand the concept.
এলো পাথারি লাইন ছারলে মিলাতে গিয়ে ভুল করার আশংকা রয়েছে।
‘say: i am a man (bashar) like you(bt u doesn’t like me), it is revealed (WAHI) to me that your god is One God’.(41:6)

“Say! I am a human being like you,”

similar recitation::
[K’af 18:110]
[Mominun 33-34]
[Hamim sijdah 6]
[Ibrahim 11]
[3:144]

——–EXPLAINATION of these ayahs——-

——আয়াত গোলোর ব্যখ্যা ——

বাশার শব্দের অর্থ হলো মানুষের আকৃতি/মানুষ/ চামড়া ইত্যাদি।

যুক্তি সাপেক্ষেঃঃ

♦ হযরত হাওয়া (আঃ সাঃ) আদম সন্তান নন এবং কোন বীর্য দ্বারা সৃষ্টি নয়। তিনি হযরত আদম(আঃ সাঃ) এর বাম পাজরের হাড় দ্বারা সৃষ্টি। (দেখুন তাফসীরে জালালাইন শরীফ) কিন্তু তিনিও মানুষ ছিলেন।

♦ হযরত ঈছা ( আঃ সাঃ)কোন বীর্য দ্বারা সৃষ্টি নন কারণ তাঁর পিতা নেই। তিনি আল্লাহর রুহ যা হযরত জিব্রাইল (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফুক দিয়ে হযরত মরিয়ম (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)এর মধ্যে দান করেছিলেন। তা দ্বারা সৃষ্টি কিন্তু তিনিও মানুষ ছিলেন।

♦ তদ্রুপ নবী করীম(সাল্লাল্লা হু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ও মাখলুক এমনকি হযরত আদম (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সৃষ্টির হাজার হাজার বছর পূর্বে যখন মাটি পানি কিছুই ছিলনা তখন আল্লাহর নূর দ্বারা সৃষ্টি।

♦ওহাবীরা এই আয়াত কপি-পেষ্ট করে সব সময়

قُلْ إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ مِّثْلُكُمْ يُوحَى إِلَيَّ أَنَّمَا إِلَهُكُمْ إِلَهٌ وَاحِدٌ فَمَن كَانَ يَرْجُو لِقَاء رَبِّهِ فَلْيَعْمَلْ عَمَلًا صَالِحًا وَلَا يُشْرِكْ بِعِبَادَةِ رَبِّهِ أَحَدًا
110
অর্থঃ বলুনঃ আমি ও তোমাদের মতই একজন মানুষ, আমার প্রতি প্রত্যাদেশ হয় যে, তোমাদের ইলাহই একমাত্র ইলাহ। অতএব, যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সাক্ষাত কামনা করে, সে যেন, সৎকর্ম সম্পাদন করে এবং তার পালনকর্তার এবাদতে কাউকে শরীক না করে।

♦এখানে আরবী শব্দ بَشَرٌ (বাশার) দ্বারা এরা শুধুমাত্র মানুষ বুঝাতে চায়। অথচ সূরা মরিয়মের আয়াত – ১৭ তে بَشَرً (বাশার) দ্বারা ফেরেস্তাকে বুঝানো হয়েছে। দেখুন মূল আরবী রেওয়াত সহ

فَاتَّخَذَتْ مِن دُونِهِمْ حِجَابًا فَأَرْسَلْنَا إِلَيْهَا رُوحَنَا فَتَمَثَّلَ لَهَا بَشَرًا سَوِيًّا
অর্থঃ আমি আমার রুহ (হযরত জিব্রাইল আঃ) কে তাঁর (হযরত মরিয়ম) প্রতি প্রেরণ করেছি, অতঃপর সে (জিব্রাঈল আঃ) তাঁর সামনে একজন পূনাঙ্গ সুঠোম \”বাশার\” বা মানুষ এর আকৃতিতে আত্ম প্রকাশ করেছেন।

♦ওহাবীরা কি এখন বলবে ফেরেস্তারা (হযরত জীব্রাইল আলাইহিস সালাম) আমাদের মত মানুষ? কখনও নয়।
সুতরাং, এর দ্বারা বুঝা গেল بَشَرٌ (বাশার) শব্দ দ্বারা মানুষ বুঝায় না বরং মনুষ্য আকৃতি বুঝায়।

ওহাবী সাধারণ মানুষদের ধোঁকা দিয়ার জন্য এক আয়াত উল্লেখ করে এবং অপর আয়াত গোপন করে।
♦আবদুল হক মোহাদ্দেস দেহলবী (মাদারিজুন নবুওত)কিতাবে প্রথম খন্ডের এজালাতুশ সুবহাত অধ্যায়ে বলেন :قل انماانابشرمثلكم
ও কোরানে এইরূপ যতগুলি আয়াত এসেছে,এইগুলি আয়াতে মুতাসাবিহাতের আওতাভুক্ত।

♦আল্লামা জালালুদ্দিন সুয়ুতী (রহ)”আল এত্কান কি উলুমুল কোরান” ২খন্ড ২য ও ৩য পৃষ্টা তে বলেন আল কোরআনে যে সমস্ত আয়াতেمثلكم শব্দটি এসেছে, এইগুলি আয়াতে মতাসাবিহাতের আওতাভুক্ত।
মতাসাবিহাত এর অর্থ আল্লাহ এবং রাসুল ছাড়া কেও জানেনা,তাই সর্বসন্মতিক্রমে এই আয়াত দ্বারা কোনো দলিল হতে পারেনা।

♦আল্লাহ তায়ালা মতাসাবিহাত আয়াত সম্পর্কে বলেন :-

“যাদের অন্তরে কপটতা রযেছে,তারাই কেবল মতাসাবিহাত এর দলিল গ্রহণ করেন “আল কোরান “
হজরত জিব্রিয়াল (আ ) নবীজির নিকট মানুষ রূপে আসতেন ,তাই বলে কি জিব্রাইল মানুষ?
যুগে যুগে নবীদের কে আমাদের মত বলেছেন ,কাফেররা (সুরা শুরা /সুরা ইয়াসিন)

♦জালালউদ্দিন রুমী মসনবী সরীফে বলেন- অনুবাদ :
কাফিররাই হজরত মুহাম্মদ (দ:) কে বশর বলেছিল ,কিন্তু তারা দেখে না যে, তিনি চন্দ্র কে দিখন্ডিত করেছিল,
তারা বলেছিল “আমরা যেমন বশর নবীও আমাদের মত বশর” যেমন-ঘুমাই ,পানাহার করে ,
তারা অগাত ছিল যে ,আমাদের এবং নবীদের মধ্য বেশুরম পার্তক্য রযেছে।

♦মূর্খদের সাথে তর্ক করতে নিষেধ করা হয়েছে কারন তাদের বদ আকিদার জন্য । সূরা কাহাফ ১১০ নং আয়াতের ব্যাখ্যা আমি  দিচ্ছি ।আশা করি সবাই একমত হবেন।

1.Question:-রাসূলুল্লাহ
صلى الله عليه و آله وسلم
কি ইনসান নাকি ফেরেশতা ?
Ans:- হ্যাঁ.নিশ্চই তিনি ইনসান।

2.Question:- তাহলে আহলে সুন্নত রাসূলুল্লাহ
صلى الله عليه و آله وسلم
যে ইনসান এটা মানে না কেন?
Ans:- আহলে সুন্নত আর ওহাবীদের কথায় ছোট একটা প্যাচঁ আছে যা বিশাল ভুল তাই মানে না ।

3.Question:- প্যাচঁটা কি বলবেন কি?
Ans:- তিনি বেমিসাল মাখলুক ।তাই আমাদের মত বলা মানে আমাদের সাথে তুলনীয় ।রাসূলুল্লাহ
صلى الله عليه و آله وسلم
কে খাট করা হবে । নাউযুবিল্লাহ

4.Question:- তাহলে আল্লাহ আল কোরআনে আমাদের মত বলেছেন কেন ?
Ans:- এর শানে নুযুল গুলো এক এক করে বলুন তো আমাকে তখন নিজেই বুঝে যাবেন ।

5.Question:-আমাকে একটু বুঝিয়ে বলুন ভাই ?
Ans:- দেখুন :
($) ঈসা(আ) এর কিছু মোজেযা ছিল কিন্তু তাই দেখে ওনাকে ইশ্বরের পুএ বলা শুরু করল সবাই ।রাসূলুল্লাহ
صلى الله عليه و آله وسلم
কে যেন এমনকিছু না মনে করেন সেজন্য কিছু হাদিসে নবী এবং মানুষ এর বেশি না ভাবার জন্য সতর্কও করেছেন ।এর মানে এটাই সীমার বাইরে গিয়ে কেউ যেন কুফরি না করেন ।

($) রাসূলুল্লাহ
صلى الله عليه و آله وسلم
এর পুরু জিন্দেগি অসিম মোজেযার সাগর তাই দেখে কাফিররা ফতোয়া দিল জাদুকর, রহমতের নবীকে সাধারন মানুষ ভয় পেয়ে দূরে সরতে থাকে তখন সেই পরিস্থিতিতে আল্লাহ কি ওনাকে শিখিয়ে দিয়ে এই আয়াত নাযিল করবেন না যে::

বলুন””হে রাসূল ! আমিও তোমাদের মত মানুষ “”
AL-QURAN

আমাকে উত্তর দিন এ ছাড়া আর কি শ্রেষ্ঠ উত্তর ছিল আল্লাহ কি এমতবস্থায় এই আয়াত নাযিল করবেন না ?

($) বিশ্ববিখ্যাত তফসির রুহুল বয়ান ও জালালাইন শরীফ এ আর ও বলা হয়েছে,”
আল্লাহ নিজে এই কথা বলে রাসুল কে উদারতা শিক্ষা দিয়েছেন।

6.Question:- তাহলে রাসূলুল্লাহ
صلى الله عليه و آله وسلم
তো মানুষ ছিলেন এটা কিভাবে বলা আদব হবে ?
Ans:- এই ভাবে বলবেন যে রাসূলুল্লাহ
صلى الله عليه و آله وسلم
মানুষ ছিলেন কিন্তু বেমিসাল মাখলুক ।যিনি মর্যাদা পবিত্রতা আখলাক সৌন্দর্য অন্তর বাহির আপাদমস্তকের পবিত্রায় আর সম্মানে কোন দিক দিয়ে কোন দিন আপনে আমার মত নয় ।

Lets see with evidance of Quran hadith–
আসুন এবার কুরান হাদিসের আলুকে যুক্তিসহ মিলিয়ে নেই —

♦–আমিও তোমাদের মত মানুষ এই কথার ব্যাখ্যা–♦

বলুন ,” আমি ও তোমাদের মত মানুষ (কিন্তু তোমরা আমার
মত না) ..আমার নিকট ওহী আসে যে তোমাদের ইলাহ এ এক মাত্র
ইলাহ।”
★হামীম- সিজদাহ ৬
★কাহাফ -১১০
” তাদের পয়গাম্বর গণ বললেন,”আমরা ও তোমাদের মতই
মানুষ ….”
★ইব্রাহীম -১১

—~~­~~~~~———-­———-

“”ওরা বললো,” তোমরা তো আমাদের মতই মানুষ..দয়া ময়
আল্লাহ্‌ তো কিছুই অবতীর্ণ করেন নি…”
★ইয়াছিন ১৫
★ইব্রাহীম ১০
★শুয়ারা- ১৮৬
★হুদ ২৭

—————­—-~~~~~~—

” যদি তোমরা তোমাদের মতই এক জনের আনুগত্য কর তবে
নিশ্চিত রুপেই তোমরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে…”
★মুমিনুন ৩৪

—————­——-~~~~~~

“”” তিনি- পুরা- মাটির মত শুকনো মাটি দারা মানুষ কে সৃষ্টি
করেছেন “
★আর-রাহমান ১৪
” কাদা -মাটি-থেকে তিনি মানুষ কে সৃষ্টি করেছেন “
★আস-সিজদাহ ৭

—————­—-~~~~~~~~~

♦” ওয়া খালাক তো মুহাম্মাদান মীন নুরী ওয়াযহিয়া ” অর্থাৎ ” আমি আমার হাবীব কে আমার নিজ নূর থেকে সৃষ্টি করেছি “।
★হাদিস-এ-কু­দসি

♦ অনেক গুলো হাদিস একত্র করে সংক্ষেপে দিলাম♦
Note: চাইলে নেট এ সার্চ করে সত্যতা যাচাই করে নিতে পারেন

হযরত মুহাম্মাদ(সা:) বলেন ,”
তোমাদের কে আছো আমার মত ?”
..”আমি তোমাদের কারো মত না ! “
..” তোমাদের কেহ আমার অনুরূপ( সাদ্রিস,শামিল,এ­ক রকম) না,
আমি যখন রাতে ঘুমাই তখন আল্লাহ্‌ আমাকে আহার করান এবং পান করান! “

—————­—-~~~~~~~~~~~­—————­–
Referance:-
~~Sahih al-Bukhari Hadith: 3.183
~~Sahih al-Bukhari Hadith: 3.182
~~Sahih al-Bukhari Hadith: 3.188
~~Sahih al-Bukhari Hadith: 3.185
~~Sahih al-Bukhari Hadith: 3.184
~~Sahih al-Bukhari Hadith: 3.187
~~Bukhari sarif,Volume 9, Book 90, Number 348
~~Bukhari sarif,Volume 9, Book 90, Number 347

—————­~~~~~~~~~~~———————

♦Point1:::-((( Different kalema ))))–
(Differanec of sariyah)

All muslim::: read kalema(((( there is no God except Allah and Hozrot Mohammad(sm) is His Rasul ))))))

Rasul(sm) :: ((( There is no God except Allah and I am His Rasul )))

if any1 read kalema like dis with bliv he’ll kafir…….

♦Point2::–

((( kalema sahadat ”” Ashado allah ilaha illallaho wahdaho la sarikalaho wa ashado anna Mohammadan ABDUHO wa rasul ho )))

(Totallay made him(sm) as a prestige & sariyah)

All creations :: is A’BD/ABDUL means the sarvents who always want to keep Allah happy……

Rasul(sm) :::– ABDUHO is only only only used in case of 1 sarvent He is Habib of Allah…..Allah always want to keep whom Happy…………

♦Point 3:::–((( SALAT ))–
(Differance of sariyah))

All muslim :::– 5 times Salat is FARAZ

Rasul(sm) ::: 6 times salat was FARAZ including TAHAJJUT………

♦Point 4:::— ((( NIKAH/MARRIAGE ))))—
(Defferance of sariyah)

All muslim ::: can keep 4 wife……

Rasul(sm):: marraige 12 women who r The MOTHER of all bealivers………..

♦Point 5::— ((( shadow )))—
(Defferance of Physical criteria)

All creations ::: have shadow

Rasul(sm) ::: had not any shadow

((( All know that our Beloved Rasul(sm) Had no any Shadow Beacause his Feet to Head was NOOR –
—-Asraf Ali Thanvi~Sokore niyamot P 39
—-Molla Ali kari(Rah) in Miskat sorhe mirkat )))

♦Point 6:– ((( Urine/posrab mubarok )))–
(Defferance of physical criteria)

All muslim ::: any1’s urine is haram to drink if any1 say halal it will kofr.

Rasul(sm) ::: Umme Aiman(Ra) drank urine of Rasul(sm) for that Jahannam become Haram for Umme Aiman…

♦Point 7:::–((( Blood ))))—-

(Differance of Physical & Sariah’s criteria)

All muslim::: It is Haram to drink any1’s Blood…………
In al quran…….

[Mayidah 3]
[Nazam 118]
[Bakara 173]
[Nahol 115]

Rasul(sm) ::: Malek Ibn Sina(ra) (1 sahabi) drank Rasul’s Blood …….

Jahannam became Haram for him……why it was not haram for him if he would a human like us….

♦Point8:: (((( Rasul(sm). ‘S prestige is Above of all )))–
(Differance of prestige)

Human,
Muslim,
Momin,
Awlia,
Gaous,
Kotob,
Abdal,
Gaousul azom,
Salehin,
Sahedin,
Sohada,
Siddikin,
Tabe tabeye,
Tabeye,
Sahabi,
Ambiya,
Rasul,
Khatemun-nabeyin(sm)

((( I just give some stage here,and here serial also not maintained much good ,,,thus the most uper stage our beloved prophet(sm). )))

♦Point 9 ::- (( Al Quran sent to Mohammad(sm). ))-
(Its diferance of prestige )
not upon us

♦Point 10::—

((( Was our Rasul(sm) human like us?I mean is there any Misal/compare of Rasul(sm) with any1 )))

(Its diferance of Both prestige & Physical criteria)

Ans::

——“WHO AMONG YOU IS LIKE ME?”—–

((((1)))) Narrated Anas (RA):

The Holy Prophet صلى الله عليه و آله وسلم fasted Al-Wisal on the last days of the month. Some people did the same, and when the news reached the Prophet صلى الله عليه و آله وسلم
he said, ” If the month had been prolonged for me, then I would have fasted Wisal for such a long timethat the most exaggerating ones among you wouldhave given up their exaggeration.

[ Bukhari sarif , Volume 9, Book 90, Number 347]

((((2)))) I am not like you ; my Lord always makes me eat and drink.”
[Bukhari sarif,Volume 9, Book 90, Number 348]

((((3))))) Narrated Abu Huraira:

Allah’s Apostle forbade Al-Wisal. The people said (to him),
“But you fast Al-‘Wisal,”

He said,
“Who among you is like me ?

When I sleep (at night), my Lord makes me eat anddrink. But when the people refused to
give up Al-Wisal, he fasted Al-Wisal along with them for two days and then they saw the crescent whereupon the Prophet said, “If the crescent had not appeared I would have fasted for a longer period,” as if he intended to punish them herewith.

(((4)))). The Nobel Quran:

“And the chiefs of those people who disbelieved and belied the presence of the Hereafter and whom We gave comfort in the life of the world, said, ‘he isnot but a man like you, he eats of that what you eat and drinks of at what you drink .” [23:33]

Allah(SWT) in the Quran mentions and quotes kuffar saying to the Prophets(PBUH) you are a manlike us to deny their Prophethood, to quote just three out of many

:::::::the unbealiver kafir’s opinion about rasul(as):::::

——Namrood and company says to Ibraheem (A)you are a man(bashar) like us. (11:27)

——-Firaun and company says to Moosa (A) you are a man(bashar) like(missal) us.(26:186)

——-Abu Jahal and co says to Muhammad Mustafa(S): you are a man (bashar) like(missal) us.

((((((5)))))) Hazrat Abu Hurairah (R.A) states that when the Beloved Prophet (s.a.w) smiled, the walls use to glow with his Noor.

– (Muwahibul Laduniya; Shifa Shareef)

((((6)))))) Ummul Mumineen, Hazrat Aisha (R.A) is recorded to have said: “In total dark nights,I used to put the thread into a needle with the help of the Noor of Rasulallah (s.a.w).”
– (Shara Shifa Bar Hashia Naseemur Riaz)

(((((7)))))) Hazrat Anas (R.A) states that the day in which the Rasulallah (s.a.w) arrived in Madinatul Munawwarah, everything in Madinatul Munawwarah became bright through his Noor.

– (Tirmizi Shareef; Ibn Majah)

(((((8))))))“ Muhammad صلى الله عليه و آله وسلم was born without an umbilical (navel) cord, circumcised and his body miraculously pure and clean without any kind of blood or dirt on it.”
(Ibn Hisham, Sirat al Nabi – Ibn Sa’d, Kitab ul-Tabaqat ul-Kabir)

Hadith from sahih Bukhari Sarif~~

~~Sahih al-Bukhari Hadith: 3.182
—————-
Narrated Anas:

The Prophet said, “Do not practice al-Wisal (fasting continuously without breaking one’s fast in the evening or eating before the following dawn).” The people said to the Prophet, “But you practice al-Wisal?”The Prophet replied, ” I am not like any of you , for I am given food and drink (by Allah) during the night.” (Qala: Lastu Ka ahadin minkum).

~~Sahih al-Bukhari Hadith: 3.183
——-

Narrated Abdullah Ibn Umar:
Allah’s Apostle forbade al-Wisal. The people said(to him),”but you practice it?” He said, ” I am not like you , for I am given food and drink by Allah.” (Qala: Inni lastumithlikum).

::::::::::
~~Sahih al-Bukhari Hadith: 3.184
———

Narrated Abu Sa’id:
That he had heard the Prophet saying, “Do not fast continuously (practice al-Wisal), and if you intend to lengthen your fast, then carry it on only till the Suhur (before the following dawn).” The people said to him,”But you practice (Al-Wisal), O Allah’s Apostle!” He replied, ” I am not similar to you , for during my sleep I have One Who makes me eat and drink.” (Qala: Inni lastu ka Hay’atikum).

~~Sahih al-Bukhari Hadith: 3.185
———
Narrated Aisha:
Allah’s Apostle forbade al-Wisal out of mercy to them. They said to him, “But you practice al-Wisal?” He said,” I am not similar to you , for my Lord gives me food anddrink.” (Qala: Inni lastu ka Hay’atikum)

~~Sahih al-Bukhari Hadith: 3.187

————

Narrated Abu Huraira:
The Prophet said twice, “(O you people) Be cautious! Do not practice al-Wisal.” The people said to him, “But you practice al-Wisal?” The Prophet replied, “My Lord gives me food and drink during my sleep. Do that muchof deeds which is within your ability .”

~~Sahih al-Bukhari Hadith: 3.188
—————

Narrated Abu Said al-Khudri:
Allah’s Apostle said, “Do not fast continuously day and night (practice al-Wisal) and if anyone of you intends tofast continuously day and night, he should continue tillthe Suhur time.” They said, “But you practice al-Wisal, O Allah’s Apostle!” The Prophet said,
” I am not similar to you ; during my sleep I have One Who makes me eat and drink.

————

Point 11: Rasul(sm) Noore Mujassam/Noorul Basar :———-
….we r all from created from soil….

See this lecture……..

http://m.facebook.com/photo.php?fbid=346972285403486&id=100002721537813


সিজদায়ে তাযিমি VS কদম্বুচি :- (Masum Billah Sunny)

ইসলামে শরীয়তে তাযিম:-
যা যা পাবেন:-
১) সিজদাহ কত প্রকার?
২) তাযিমার্থে সম্মানিত ব্যক্তির হাতে পায়ে চুম্বন যায়েজ কিনা?

বিশ্লেষণ :-

১) কদম্বুচি (যথাপোযুক্ত সম্মানিত ব্যক্তির হাত পা চুম্বনের মাধ্যমে সম্মান দেখানো যায়েজ। সহিহ হাদিস থেকে প্রমানিত!
কেউ চাইলে দিতে পারব 50+ সহিহ হাদিস! সব সিহাহ সিত্তাহর হাদিস। বুখারী,আবু দাউদ,তিরমীজি,ইবনে আবী সাইবাতে
“””আল-আদব আল- মুফ্রাদ”” নামে একটা অধ্যায়ই আছে)

সিজদা ২ প্রকার!
১) সিজদায়ে ইবাদতী (একমাত্র আল্লাহর জন্য! এটা আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে করলে শিরিক মানে হল আল্লাহ মনে করে কাউকে সিজদাহ করলে শিরিক।
উদাহরন:- পাচ ওয়াক্ত সালাতের সিজদা এবং আল্লাহ কেন্দ্রিক সমস্ত সিজদাহ)

২) সিজদায়ে তাযিমি ( এটা মানুষের জন্য, আগে জাজেয় ছিল রাসুল (সা) এর পর থেকে তা হারাম হয়ে গেছে)
উদাহরন: আল-কোরআনে আছে:-
১) আল্লাহর হুকুমে ফেরেশতাদের আদমকে সিজদাহ
(সুরা বাকারা)
২) হযরত ইউসুফ (আ) কে তার পিতা-মাতাসহ ওনার ১১ ভাই (তাযিমি) সিজদা করেছিলেন (সুরা ইউনুস)

৩) হযরত মুসা (আ) এর কাছে থেকে আল্লাহ প্রদত্ত মুজেজাহ দেখে তার সামনে সমস্ত (বিধর্মী) জাদুকররা (তাযিমি) সিজদায় পরে ইমান এনেছিলেন।

যেমন নিচের আয়াত গুলো হল সিজদায়ে তাযিমির উদাহরন:-

কুরআনের ওই আয়াত দিয়ে সিজদায়ে তাযিমি ছিল প্রমান করে আর আল্লাহর হুকুমেই প্রত্যেকটা ঘটানা সংঘটিত হয়েছিল! দেখুন:-
Sura::ayah::

»»Bakarah::34

»«Araf : 11

«»Kahaf: 50

«»Towaha:116

«»Hijar: 29,30,31

«»Yosuf:100

«»Towaha:70

কিন্তু এর পরবর্তীতে এমন কোন হুকুমও আসে নি তাই কেউ করেনও নি যদি আসত তাহলে আদম(আ) কে করেছেন, ইউসুফ (আ) কে করেছেন, মুসা (আ) কে করেছেন কিন্তু রাসুল (সা) কে করেন নি কেন?এমন কোন আয়াতও নেই হাদিসও নেই।

৪) রাসুল (সা) আসার পর যেই মাত্র এই সিজদায়ে তাযিমিকে নিষেধ করে দিয়েছেন তখন থেকেই তা হারাম হয়ে গেছে (মানে কবিরাহ গুনাহ)

এই হাদিস টা দেখুন:-

(Shortly)…………The Sahaba asked: “O Prophet (Peace be upon him) we are more deserving of prostrating(Sizdah of tazim) to you than the animals. The Prophet (Peace be upon him) replied: It is not allowed for anyone,“IF IT WAS ALLOWED I WOULD HAVE ASKED WOMEN TO PROSTRATE(Sizdaye-Tazimi) TO THEIR HUSBANDS”!!!

Reference::::——–

«»Sunnan Darimi, Volume No. 1, Page No. 10,

«»Sahih Ibn Hibban 4/335,

«»Imam al-Mundhri narrated another variant of camel prostrating to Prophet and he declared the chain as “Jayyid (strong) having famous thiqa narrators” (3/35)

আবার আরেকটা হাদিস আছে:-

“আমি “”যদি”” সিজদার
নির্দেশ দিতাম (মানে দেই নি যদি দেই) তবে প্রত্যেক
স্ত্রীকে বলতাম তার
স্বামীকে সিজদা করতে।”

♦যদি করতাম মানে রাসুল(সা) করেন নি এর দারা প্রমান হয়েছে সিজদায়ে তাযিমি ছিল।
♦যদি আল্লাহ ব্যতীত মানুষকে করার হুকুম দিত এটা জায়েয হত
♦স্ত্রী স্বামীকে তাযিমি সিজদা সর্বপ্রথমে করত
♦যেহেতু হুকুম দেন নি সেহেতু জায়েযও হয় নি। আর এটা সহীহ হাদিস রাসুলের শরীয়ত যা অমান্য করার কোন উপায় নেই।এই হাদিস দিয়েই তো সিজদায়ে তাযিমি রহিত হয়ে গেছে হারাম হয়ে গেছে।

—হালালকে হারাম আর হারামকে হালাল মনে করা কুফরি (আল-হাদিস)

কিন্তু হাতে ও পায়ে চুম্বন জায়েযই নয় বরং সুন্নতী তরীকা:-

Hadth #………(Shortly)……..So, they kissed his hand and his feet, saying, “We bear testimony that you are a Prophet……….)

References:::—-

►Trimdhi chapter 18, Hadith 3155,), (Book of Adab) who declaredit hasan sahih

►Ahmed bin Hambel -18814

►Narrated by Ibn Abi Shayba (Book of Adab, Chapter entitled A Man Kissing Another Man’s Hand When He greets Him,

►al-Nasa’i, who declared it sahih.

►Ibn Maja (Book of Adab), who declared it sahih.

► al-Hakim who declared it sahih.

♦যদি কেউ সিজদাহ ২ প্রকার না মানে অর্থাৎ তাযিমি সিজদা আর ইবাদতী সিজদাহ যদি না মেনে শুধু বলে সিজদাহ এক প্রকার তাহলে নবীগনের উপর শিরিক ফতোয়া চলে যাবে। কিভাবে?
কারন তারা শুধু এটাই জানে সিজদা এক প্রকার তাই
আল-কুরআনে ঘোষিত নবীগনের ব্যপারে ঊক্ত সিজদাগুলোর কোন ব্যখ্যা না জেনে বলে আগে এটা যায়েজ ছিল (মানে দাড়ায় আগে আল্লাহ ফেরেশতাদের শিরিকের হুকুম দিয়েছিলেন আর তখনই ফেরেশতাগনের উপর,আদম(আ), ইউসুফ (আ), মুসা(আ) এর উপর শিরিকের অপবাদ চলে যাবে। কিন্তু আল্লাহ যেখানে আল-কুরআনে বলেদিয়েছেন একবার যে

১) সিজদাহ সমুহ একমাত্র আমার জন্য (আল-কুরআন)
২) আল্লাহ কাউকে নিজের ক্ষমতার উপর ক্ষমতাবান করেন না (আল-কুরআন)

তাই একটা জিনিসই প্রমান করে এতে যে আল্লাহ ব্যতীত সিজদা যেটা আল-কুরআনে রয়েছে সেটা ভিন্ন কোন সিজদা (নিশ্চয় তাযিমার্থে এটা আল্লাহর ইবাদতের জন্য না)। চতুর্দশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ মুজাদ্দিদ আলা হযরত(রহ)
আল-কুরআন থেকে ৪০টা আয়াত নিয়ে এই সিজদায়ে তাযিমিকে হারাম (কবিরা গুনাহ) প্রমান করেছেন এটা শিরিক নয়। তাই মাযারে যারা সিজদাহ করছে (২-৫%) সুন্নী তাদেরকে শিরিক ফতোয়া দেয়া বন্ধ করুন মাযার পুজারী বলা মানে নিজেই শিরিকের পাপ নিজের আমলনামায় লিখিয়ে নিলেন।

যারা ইসলামের নুন্যতম জ্ঞান জানেন তারা নিশ্চয় জানে যে হারাম (কবিরা গুনাহ) ও শিরিক এর মধ্যে আকাশ পাতাল ব্যবধান।

Allah knows the best


নবী আল-উম্মী শব্দের সঠিক ব্যাখ্যা:- (Masum Billah Sunny)

Lecture—Explaination of Ummi word for Rasul(SAW) :::::—–
(Masum Billah Sunny)

———————Word meaning explaination—————————–

1.In case of Rasul(SAW) Here “Ummi” word means. Acctually “he who is taught by none but Allah(or who only taught by Allah).

2.Many other meanings—-

‘Ummi’ ~~
=Gentile
=Non-Israelite
=Unlettered
= A nation (the Arabs) that had never received a Scripture before. ‘Zaku’ or ‘Tazkiah’
= Growth
= Purity from vice
= Development of ‘self’
= Self-actualization. ‘Hikmah’
= wisdom
= Judgment
= Governance
= Political Rule.

—————————–Some verses about the Beloved Rasul(SAW). Where Called Ummi in Al-Quran:::————————–

1. Those who follow the Apostle, the Ummi Prophet, whom they find mentioned in their own (Scriptures), – in the Law and the Gospel . . .
Surah 7.157.

—————–

2.“And from them are Ummien who do not know the scriptures except wishes and they only follow conjecture” (2/78)

—————–

3.“…and tell those who have received the scriptures and the Ummien have you submitted?…” (3/20)

—————

4.…believe in God and His messenger the Ummy prophet who believes in God…” (7/158)

———————

5. “And you did not recite before it any book, nor did you transcribe one with your right hand, for then could those who say untrue things have doubted”(29:48)

————————

6. It is He who has sent among the ummi,,,a Messenger…from themselves,,,,, reciting to them His verses,,,,, and purifying them and ,,,,,teaching them the Book and wisdom,,,,, although they were before in clear error.(62:02)

(((Note:)))) if any1 illiterate can he enough to teach anybody?those who achieve knowlegde from Allah can anybody call him illiterate?
So,who use this illiterate word with Rasul(SAW) may curse them.

————————Explain of Al-Nabi Al-ummi————————-

Explain 1::– Many people unfortunately used the translation of ”’Ummi ”’word as illiterate/unlettered.(nawjubillah)
They should mind it that Rasul(SAW) Did not learned from any human but learned from Allah so he could read & write so if any1 use this it’ll Gustakh.

Explain 2:::although the inhabitants of Mecca at that time were not all unable to read or write, but they were called so in reference to the holy city of Mecca.

Explain 3::— though Ummi means unlettered but In case of Rasul(SAW) Here “Ummi” word means. Acctually “he who is taught by none but Allah(who only taught by Allah).

Explain 4:::—The phrase“totally illiterate”is disrespectful when Quran teaches us not to even use the word“RA’INA”in spite of the fact that Ra’ina could have both good and bad meaning..So use illiterate is. bad adab.

—–Rasul(SAW) could read & Write ——–

Hadith 1:::—-

Ibn Abbas reported::::

When Allah’s Messenger (may peace be uponhim) was about to leave this world, there were persons (around him) in his house, ‘Umar b. al-Kbattab being one of them. Allah’s Apostle (may peace be upon him) said: ”””””””Come, I may write for you a document”””””’; you would not go astray after that.Thereupon Umar said: Verily Allah’s Messenger (may peace be upon him) is deeply afflicted with pain. You have the Qur’an with you. The Book of Allah is sufficient for us. Those who were present in the house differed. Some of them said: Bring him (the writing material) so that Allah’s Messenger (may peace be upon him)””””””’ may write a document ”””””’for you and you would never go astray after him And some among them said what ‘Umar had (already) said. When they indulged in non sense and began to dispute in the presence of Allah’s Messenger (may peace be upon him), he said: Get up (and go away) ‘

Ubaidullah said: Ibn Abbas used to say:
There was a heavy loss,
indeed a heavy loss, that, due to their
dispute and noise. Allah’s Messenger (may peace be upon him)could not write(or dictate)the document for them.

————–Reference————

«»«»From:Sahih Bukhari
Volume:3,
Book: 49,
Number: 863:

«»«»From:Sahih Muslim
Book: 013,
Number :4016:

——————————————————————————

Hadith 2::::——

A’isha reported that ,”‘Allah’s Messenger(may peace be upon him) in his (last) illness asked me to call Abu Bakr, her father, and her brother too, so that he might ”””””write a document””””’,for he feared that someone else might be desirous (of succeeding him) and that some claimant may say: I have better claim to it, whereas Allah and the Faithful do not substantiate the claim of anyone but that of Abu Bakr.

———–Reference————

From:Sahih Muslim
Book: 031,
Number: 5879:

———————————————

Hadith 3 ::::——

Anas reported that when Allah’s Apostle (may peace be upon him)decided to ””””””write”””’ to the Kisri(the King of Persia),Caesar(Emperor of Rome),and theNegus(the Emperor of Abyssinia), it was said to him that they would not accept ””””’the letter”””” without the seal over it; so Allah’s Messenger (may peace be upon him) got a seal made, the ring of which was made of silver and there was engraved on it.(Mubammad. the Messenger of Allah).

Imam Aul Abbas al Qurtubithe commentator of Sahih Muslim has proven from such ahadith that Prophet (Peace be upon him)knew how to read and write,

———–Reference———

From:(Sahih Muslim)
Book: 024,
Number 5218:

~Al-Mufhim (4/637-638)]

~Imam Badr ud-din Ayni(rah),

~Imam al-Qadhi Iyaadh(rah),

~Imam al Baji(rah),

~Imam Abu Zar Harwi,

~Imam Abul Fath al Naysaburiand many other scholars have approved this fact.‘A’isha Siddiqa(Allah be pleased with her) in his Sahih.

———————————————————————————–

Hadith 4:::———

Whilst the noble Prophet (peace and blessings of Allah be upon him) was in the Cave of Hira, suddenly an angel (Jibril) came to him and said,“Read.”

The Prophet (peace and blessings of Allah be upon him) replied,“I am not a reader.”

The Prophet (peace and blessings of Allah be upon him) relates: Then he took hold of me, pressed me to his chest, released me and then said again,“Read.”

I replied,“I am not a reader.”

Then he took hold of me, pressed me to his chest, released me and the third time said again,“Read.

”I again replied,“I am not a reader.”Then he took hold of me again, pressed me to his chest and upon releasing me,

the fourth time – reciting the first five verses of Surat al-‘Alaq(96)– said,

~“Read, in the name of your Lord, who created:
~created the human being from clotted blood.
~Read, for your Lord is Most Generous, who taught by the pen, taught the human being what he did not know.”

Upon this, Allah’s Messenger (peace and blessings of Allah be upon him) did not refuse, but received the revelation and came home.

—————–Reference—————

From :: Imam al-Bukhari
Chapter : 3 of the Book of Bad’ al-Wahy
Chapter : 1 of the Bookofal-Ta‘birand
Chapter: 1 ofSurat al-‘Alaq(96)
Book of al-Tafsir
Recorded this hadith in three separate places

———————————————-

the phrase””ma ana bi qari’in”” has 3 meanings;
1.‘I am not a reader’,
2.‘I do not read’
3.‘I will not read’.

some people have wrong translated this phrase as:
1.‘I cannot read’
2.‘I do not know how to read’.

———————————————————————————–
Hadith:::5::———-

Al-Saffar (May Allah be pleased with him) reported:
Narrated Ali bin Asba`t or [and] others who had said:
“I said to Abu` Jafar (al-Jawad):

‘People claim that the Prophet (peace be upon him and his pure family) could neither read nor write!!
So, he, peace be upon him, denied that and said: ‘They have lied, May the wrath of Allah be upon them! How would that be?

When Allah has said:'(It is) He who raised among the Ummīyīna (i.e. maternals) a Messenger from amongst them, reciting upon them His signs and purifying them and teaching them the Book and thewisdom;..

…’How did he teach them the Book and the Wisdom while he could neither read nor write?’

Then Ali bin Asba`t asked the Imam: “Why was he called al-Nabi al-Ummi? To which the Imam (peace be upon him) replied: “Because he was ascribed to Mecca.That is according to the words of Allah, the Most Exalted:’That you may warn Umm al-Qura` (i.e. the mother of villages) and those around it.’Umm al-Qura` means Mecca. So, he was called Ummi.”

———-Reference:::———-
(Basair al-darajat, By al-Saffar, vol. 5, p. 246).

————————————

Hadith 6::—————

Al-Saduq (May Allah be pleased with him) reported:
Narrated Ja’far ibn Muhammad al-Sufi:

“I asked Abu Ja’far Muhammad son of Ali al-Rida (peace be upon them both) saying: ‘O son of Allah’s Apostle, why was the Prophet called Ummi?’

He answered: ‘What do the people say?’ I said: ‘They claim that he was called Ummi because he was illiterate.”

He replied: ‘They lie! May the curse of Allah be upon them, Allahhas clearly said in His Book:‘(It is) He who raised among the Ummīyīna (i.e. maternals) a Messenger from amongst them, ””””reciting upon them His signs”””” and purifying them and ”’teaching them the Book and the wisdom””’

How would he teach what he himself could not do?

“By Allah, Allah’s Apostle (peace be upon him and his pure family) used to read and write in 72, or he said 73, languages. He was called Ummi because ”””he was from Mecca”””.

Mecca is one of the mother towns, and this is why Allah the Most Exalted has said:‘So that you (Muhammad) may warn the mother of villages (i.e. Mecca) and whoever is around it’.”

————Reference————
(Ma’ani al-Akhbar, By al-Saduq, p. 53).

Here is Some link prove the hand writing letter of of Rasul(SAW)—-

http://www.pakistan.web.pk/threads/hand-written-letter-of-the-prophet-mohammad-pbuh.5457/

http://islamgreatreligion.wordpress.com/2009/01/14/prophet-muhammadpbuh-letter-to-bahrain-king/

http://m.youtube.com/watch?v=u0SsRmC6O5k&desktop_uri=%2Fwatch%3Fv%3Du0SsRmC6O5k